ঘুরে দাঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপট

হাসান মাহমুদের করা লাইনের বাইরের ডেলিভারিটা ব্যাটে-বলে সংযোগ করতে পারেননি কেভিন উইকহ্যাম। সুইং করে বল গিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। উইকহ্যাম ফিরলে চতুর্থ উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশে প্রাপ্তি এতটুকুই। বাকি সময় আধিপত্য ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। উইকহ্যামের উইকেট হারিয়ে এই সেশনে সফরকারীদের সংগ্রহ ৯৪ রান। ১৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে গেছে তারা। ৭৬ রানে অপরাজিত আছেন আমির জাঙ্গো। তাঁর সঙ্গে ১৬ রান নিয়ে শেষ সেশনে ব্যাট করতে নামবেন জাস্টিন গ্রিভস।
ব্র্যান্ডন কিং ও কাভেম হজের পর জশুয়া ডি সিলভা ফিরলে ২৭ রানেই তৃতীয় উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম সেশনের বাকি সময় আর কোনো বিদপ হতে দেননি উইকহ্যাম ও জাঙ্গো। দুজনে ৫৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে লাঞ্চে যান।
লাঞ্চ থেকে ফেরার পরও রানের চাকা সচল রাখেন উইকহ্যাম-জাঙ্গো জুটি। দুই পেসার তাসকিন ও হাসানের পর মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসানকে বোলিংয়ে এনেও জুটি ভাঙতে পারছে না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই ফিফটির দেখা পান জাঙ্গো। উইকহ্যাম ফিফটি করেছেন কিছুক্ষণ পর। হাসানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫ বাউন্ডারিতে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
সিলেটের সবুজাভ উইকেটে ২ পেসারের বিপরীতে ৩ স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পতন হওয়া ৪ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন তাসকিন ও হাসান। ৩ স্পিনার মিলে ৩০ ওভার বোলিং করেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি।









