
নেতৃত্বে অভিষেকে কোনো অধিনায়কের ট্রিপল সেঞ্চুরি এত দিন ছিল না টেস্ট ক্রিকেটে। সেই কীর্তি এবার গড়লেন উইয়ান মুল্ডার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে করলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি।
টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরিই ছিল কেবল একটি। ২০১২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন হাশিম আমলা। এবার তাঁর পাশে বসলেন মুল্ডার। আমলার সে সেঞ্চুরিটি ছিল ৩১১ রানের। তাঁকেও ছাড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট ইনিংস খেলার রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন মুল্ডার।
আগের দিনই ট্রিপল সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন মুল্ডার। প্রথম দিনের খেলা শেষে ট্রিপল সেঞ্চুরি থেকে ছিলেন ৩৬ রান দূরে। আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত সেই ট্রিপল সেঞ্চুরি। টেস্ট নেতৃত্বের অভিষেকে ২৫০ রানও ছিল না কোনো অধিনায়কের। এ হিসেবে আগের দিনই টেস্ট নেতৃত্বের অভিষেকে ২৫৯ বলে ২৬৪ করে রেকর্ড গড়েছিলেন।
মূল অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার চোটে এই জিম্বাবুয়ে সফরে নেতৃত্ব পেয়েছিলেন কেশব মহারাজ। প্রথম টেস্টের পর তিনিও চোট নিয়ে ছিটকে পড়ায় দায়িত্ব পড়ে মুল্ডারের কাঁধে। এই ভার যে বোঝা নয়, বরং প্রেরণা, নেতৃত্বের প্রথম দিনেই তা প্রমাণ করে দেন ২৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। বুলাওয়ে টেস্টের প্রথম দিনে তিনি অপরাজিত ২৫৯ বলে ২৬৪ রান করে! আগের রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের গ্রাহাম ডাউলিংয়ের। ১৯৬৮ সালে ভারতের বিপক্ষে ২৩৯ রান করেছিলেন তিনি তাঁর টেস্ট নেতৃত্বের অভিষেক টেস্টে। তাঁকে ছাড়িয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড গড়লেন অধিনায়ক উইয়ান মুল্ডার।
অথচ এই টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার কথাই ছিল না তাঁর। টেম্বা বাভুমার চোটের কারণে কেষভ মহারাজের নেতৃত্বেই সিরিজ শুরু করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু তিনিও চোটে পড়লে নেতৃত্বের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয় মুল্ডারকে। সে দায়িত্ব তিনি যে ভালোভাবেই পালন করেছেন তাঁর জ্বলজ্বল ট্রিপল সেঞ্চুরি তাঁরই প্রমাণ।
মুল্ডারের ট্রিপল সেঞ্চুরির সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা এ প্রতিবেদন পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে তুলেছে ৫ উইকেটে ৫৪৯ রান। ৩১৫ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন মুল্ডার। ১৭ রান নিয়ে উইকেটে তাঁর সঙ্গী ছিলেন কাইল ভেরেইনা।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে