
অসহায় আত্মসমর্পণ বলতে যা বোঝায়, এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্স হচ্ছে তেমনটাই। নিউজিল্যান্ডের পর ভারতের কাছেও বিধ্বস্ত মোহাম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল। দুই ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়াটা অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে আয়োজকদের।
দুবাইয়ে গতকাল পাকিস্তানের দেওয়া ২৪২ রানের লক্ষ্য ভারত ৪৫ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জিতেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে হারের পর পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর তোপ দাগলেন শোয়েব আখতার। কারণ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ—স্বীকৃত এই চার বোলার ছিলেন পাকিস্তানের একাদশে। সঙ্গে দুই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার সালমান আলী আগা ও খুশদিল শাহ খেলেছেন।
নিউজিল্যান্ড, ভারত দুই দলের বিপক্ষেই একই রকম বোলিং আক্রমণ সাজাতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। দুবাইয়ে গতকাল ভারতের কাছে হারের পর শোয়েব নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক রিলসে শোয়েব বলেছেন, ‘ভারতের কাছে হারে খুব একটা হতাশ নই। কারণ, আমি জানতাম এমনটা হবেই। আপনি পাঁচ বোলার নিয়ে খেলতে পারেন না। বিশ্বের অন্যান্য দল যেখানে ছয় বোলার নিয়ে খেলছে। আপনার দলে মাত্র দুই অলরাউন্ডার। এই ম্যানেজমেন্ট নির্বোধ। আমি সত্যিই খুব হতাশ।’
টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শুবমান গিল গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছেন ৪৬ রান। রোহিত শর্মা ১৫ বলে ২০ রান করলেও ভারতকে ঝোড়ো শুরু এনে দিতে অবদান রেখেছেন। যার সুবাদে প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৬৪ রান করেছে। এরপর খুশদিলকে চার মেরে ৫১তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির পাশাপাশি ভারতকে ৬ উইকেটের বিশাল জয় এনে দেন বিরাট কোহলি। অথচ পাকিস্তান গতকাল ১১ থেকে ২০—এই ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারালেও মাত্র ২৭ রান যোগ করেছে।
ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সের এমন আকাশ-পাতাল তফাৎ দেখে চটেছেন শোয়েব। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ বলেন, ‘আমি এই বাচ্চাদের দোষ দিতে পারব না (পাকিস্তানি ক্রিকেটার)। টিম ম্যানেজমেন্টের মতোই এই ক্রিকেটাররা। তারা জানে না কী করতে হবে। ইনটেন্ট ভিন্ন কিছু। তাদের রোহিত, বিরাট, শুবমানের মতো স্কিলসেট নেই। ক্রিকেটার অথবা ম্যানেজমেন্ট কিছুই জানে না। তারা কোনো রকম স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়াই খেলতে গেছে। তাদের কী করা উচিত, কেউ জানে না।’
২ ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ভারত। তাদের নেট রানরেট +০.৬৪৭। দুইয়ে থাকা নিউজিল্যান্ডের নেট রানরেট +১.২০। তারা এক ম্যাচ খেলে সেটিতেই জিতে ২ পয়েন্ট পেয়েছে। অন্যদিকে ২ ম্যাচ হারের পর পাকিস্তানের নেট রানরেট -১.০৮৭। তাদের পয়েন্ট তো শূন্য। আর রাওয়ালপিন্ডিতে আজ টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের খোঁজে বাংলাদেশ খেলতে নামবে কিউইদের বিপক্ষে।

দলীয় ১১৬ রানে মেহেদী হাসান মিরাজ যখন ফিরে যান, তখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছিল—সম্মানজনক সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারবে তো বাংলাদেশ? শেষ পর্যন্ত লজ্জা এড়িয়ে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্বাগতিকেরা এই সমীকরণ মিলিয়েছে। সেটা সম্ভব হয়েছে লিটন দাসের লড়িয়ে ইনিংসে ভর করে।
২১ মিনিট আগে
প্রথম দুই সেশনে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে রীতিমতো বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল পাকিস্তান। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিমরা ক্রিজে টিকে গিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেনি। তাতে ২০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু বাকিদের ব্যর্থতার দিনে একপ্রান্তে আগলে রাখেন লিটন দাস।
১ ঘণ্টা আগে
বেশ আত্মবিশ্বাসী এক লিটন দাসকেই দেখা গেল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পডকাস্টে। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাশরাফি মর্তুজাদের বিপরীতে বারবার নিজেকেই সেরা অধিনায়ক বলে দাবি করলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। এমনকি বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা অধিনায়কের প্রশ্নেও নিজের নামটাই নিল
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যাহ্ন বিরতির পরও আরেকদফা ব্যাটিং ব্যর্থতার চিত্র বাংলাদেশ শিবিরে। প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারানোর পর দুপুরের খাবার খেয়ে এসে বেশিক্ষণ টিকলেন না নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মুশফিকুর রহিম। একের পর এক উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে