নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডেভিড হুকস বেঁচে থাকলে অস্ট্রেলিয়ার এই পরিস্থিতি দেখে কী বলতেন কে জানে! প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহরা কাল ছিলেন বিশ্রামে। সেখানে কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ময়েজেস হেনরিকস-অ্যালেক্স ক্যারিদের অনুশীলন করতে হলো মিরপুরে। ‘টেস্টে এক দিনেই বাংলাদেশকে হারিয়ে দেবে’—হুকসের সেই পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার এমন মলিন ছবি শেষ কবে দেখা গেছে?
আজ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়ার কাছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। জিতলে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে তাঁরা টিকে থাকবে। হারলে সিরিজের নিষ্পত্তি। সেখানে বাংলাদেশের সামনে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ইতিহাস গড়ার হাতছানি। সাকিব-আফিফরা নিশ্চয় এ সুযোগ হেলায় হারাতে চাইবেন না। এমন সুযোগ যে বারবার আসে না!
প্রথম দুই পরীক্ষায় ভালোভাবে উতরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের ভেতরের পরিবেশটা এখন বেশ ফুরফুরেই। তবে অতি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সুযোগও কোথায়? দলটার নাম যে অস্ট্রেলিয়া। ঐতিহ্যগতভাবে কিংবা মানসিকভাবে বলুন, অস্ট্রেলিয়ানরা ক্রিকেট মাঠে দুর্দান্ত সব প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন অতীতে। সাকিবদের অগ্রজ কার্ডিফ জয়ের নায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, আফতাব আহমেদরা সে কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছেন বারবার। তাঁদের কথা, ‘জেতার অভ্যাসেই আছে বাংলাদেশ। তবে নির্ভার হওয়া যাবে না।’
এটা ঠিক, মানসিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার এগিয়ে থাকার সুযোগ কমই। এই অস্ট্রেলিয়া দলের অনেকেই নিজেদের ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি লিগ ‘বিগব্যাশে’ রানবন্যা বইয়ে দিয়েছেন। সেটি অবশ্য দ্রুতগতির উইকেটে। মিরপুরের উইকেট ঠিক তার উল্টো—মন্থর ও নিচু। উপমহাদেশের এমন উইকেটে যাঁরা খেলে অভ্যস্ত, সেই স্টিভ স্মিথ, ম্যাক্সওয়েলরা নেই; যাঁরা আছেন—অ্যালেক্স ক্যারি, ফিলিপদের কাছে এই উইকেট হয়ে দাঁড়িয়েছে গোলকধাঁধা। অনভিজ্ঞতার মূল্য চুকিয়ে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই তাঁরা হয়েছেন সহজ শিকার।
সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়া দল বেশি ভাবনায় ছিল সাকিবদের ঘূর্ণিজাদু নিয়ে। দুই ম্যাচের পর তাঁদের ভাবনার বিশাল অংশজুড়ে আছেন মোস্তাফিজ। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ার-কাটার পড়তে না পেরে হাঁসফাঁস করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ৪৮ বলের মধ্যে ৪৬টিই স্লোয়ার দেওয়া ফিজকে সামলানোর প্রস্তুতি কাল বেশি নিয়েছেন ক্যারিরা। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা ভালোভাবে পড়ে ফেললে মোস্তাফিজও নিশ্চয়ই নতুন বৈচিত্র্য নিয়েই হাজির হবেন।
প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি জিতলেও টপ অর্ডার নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। যদিও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডারের অনবদ্য ব্যাটিং। বিশেষ করে আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান। তরুণ ব্যাটসম্যানদের দিকে আজও তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। বোলিং নিয়ে নতুন করে শব্দ খরচ না করলেও চলবে। আগের দুই টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মনে না রাখার মতো রেকর্ড (তিনটি সর্বনিম্ন দলীয় রানের দুটি) উপহার দিয়েছেন মোস্তাফিজরা। সেই রেকর্ডটা তাঁরা আরও ভালো করতে চাইবেন আজ। সেটা করতেই বাংলাদেশ যে প্রস্তুত, কাল মেহেদী হাসানের কথায় বোঝা গেল। এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘এখন আমাদের সব মনোযোগ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ঘিরে।’
তাই তো থাকবে! কারণ, আজ জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের।

ডেভিড হুকস বেঁচে থাকলে অস্ট্রেলিয়ার এই পরিস্থিতি দেখে কী বলতেন কে জানে! প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহরা কাল ছিলেন বিশ্রামে। সেখানে কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ময়েজেস হেনরিকস-অ্যালেক্স ক্যারিদের অনুশীলন করতে হলো মিরপুরে। ‘টেস্টে এক দিনেই বাংলাদেশকে হারিয়ে দেবে’—হুকসের সেই পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার এমন মলিন ছবি শেষ কবে দেখা গেছে?
আজ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়ার কাছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। জিতলে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে তাঁরা টিকে থাকবে। হারলে সিরিজের নিষ্পত্তি। সেখানে বাংলাদেশের সামনে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ইতিহাস গড়ার হাতছানি। সাকিব-আফিফরা নিশ্চয় এ সুযোগ হেলায় হারাতে চাইবেন না। এমন সুযোগ যে বারবার আসে না!
প্রথম দুই পরীক্ষায় ভালোভাবে উতরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের ভেতরের পরিবেশটা এখন বেশ ফুরফুরেই। তবে অতি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সুযোগও কোথায়? দলটার নাম যে অস্ট্রেলিয়া। ঐতিহ্যগতভাবে কিংবা মানসিকভাবে বলুন, অস্ট্রেলিয়ানরা ক্রিকেট মাঠে দুর্দান্ত সব প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন অতীতে। সাকিবদের অগ্রজ কার্ডিফ জয়ের নায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, আফতাব আহমেদরা সে কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছেন বারবার। তাঁদের কথা, ‘জেতার অভ্যাসেই আছে বাংলাদেশ। তবে নির্ভার হওয়া যাবে না।’
এটা ঠিক, মানসিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার এগিয়ে থাকার সুযোগ কমই। এই অস্ট্রেলিয়া দলের অনেকেই নিজেদের ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি লিগ ‘বিগব্যাশে’ রানবন্যা বইয়ে দিয়েছেন। সেটি অবশ্য দ্রুতগতির উইকেটে। মিরপুরের উইকেট ঠিক তার উল্টো—মন্থর ও নিচু। উপমহাদেশের এমন উইকেটে যাঁরা খেলে অভ্যস্ত, সেই স্টিভ স্মিথ, ম্যাক্সওয়েলরা নেই; যাঁরা আছেন—অ্যালেক্স ক্যারি, ফিলিপদের কাছে এই উইকেট হয়ে দাঁড়িয়েছে গোলকধাঁধা। অনভিজ্ঞতার মূল্য চুকিয়ে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই তাঁরা হয়েছেন সহজ শিকার।
সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়া দল বেশি ভাবনায় ছিল সাকিবদের ঘূর্ণিজাদু নিয়ে। দুই ম্যাচের পর তাঁদের ভাবনার বিশাল অংশজুড়ে আছেন মোস্তাফিজ। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ার-কাটার পড়তে না পেরে হাঁসফাঁস করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ৪৮ বলের মধ্যে ৪৬টিই স্লোয়ার দেওয়া ফিজকে সামলানোর প্রস্তুতি কাল বেশি নিয়েছেন ক্যারিরা। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা ভালোভাবে পড়ে ফেললে মোস্তাফিজও নিশ্চয়ই নতুন বৈচিত্র্য নিয়েই হাজির হবেন।
প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি জিতলেও টপ অর্ডার নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। যদিও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডারের অনবদ্য ব্যাটিং। বিশেষ করে আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান। তরুণ ব্যাটসম্যানদের দিকে আজও তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। বোলিং নিয়ে নতুন করে শব্দ খরচ না করলেও চলবে। আগের দুই টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মনে না রাখার মতো রেকর্ড (তিনটি সর্বনিম্ন দলীয় রানের দুটি) উপহার দিয়েছেন মোস্তাফিজরা। সেই রেকর্ডটা তাঁরা আরও ভালো করতে চাইবেন আজ। সেটা করতেই বাংলাদেশ যে প্রস্তুত, কাল মেহেদী হাসানের কথায় বোঝা গেল। এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘এখন আমাদের সব মনোযোগ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ঘিরে।’
তাই তো থাকবে! কারণ, আজ জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের।

হাসান মাহমুদকে স্কয়ার লেগে বলটা ঠেলে তাওহীদ হৃদয় ২ রান নিতেই রংপুর রাইডার্সের ডাগআউট থেকে ভেসে আসে করতালির শব্দ। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর হৃদয় হেলমেট খুলে উঁচিয়ে ধরলেন তাঁর ব্যাট। তিন অঙ্ক ছুঁয়ে মিরপুর শেরেবাংলার পিচে সিজদা দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। তবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো দূর হয়নি। চলমান সংকটের মাঝেই এবার আইসিসির চিন্তা বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের সমস্যার সমাধান করতে না পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে তারা। এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের
১ ঘণ্টা আগে
৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
২ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
৩ ঘণ্টা আগে