নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলানোর প্রসঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুসের করা মন্তব্য নিয়ে জোর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গতকাল দেশের স্বনামধন্য কোচ সালাহ উদ্দীনও পাল্টা তোপ দাগলেন জালালের মন্তব্যে। এবার এ প্রসঙ্গে কথা বললেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজনও।
গতকাল মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে জালাল বলেছেন, ‘আইপিএল খেললে ভালো হতো কোন দিক দিয়ে? মোস্তাফিজের আইপিএল খেলে এখন শেখার কিছু নেই। মোস্তাফিজের শেখার প্রক্রিয়া শেষ। বরং তাঁর থেকে শিখতে পারে আইপিএলের অনেক ক্রিকেটার। এতে বাংলাদেশেরও কোনো লাভ হবে না। মোস্তাফিজের কাছাকাছি থেকে অন্যদের লাভ হবে।’
মিরপুরে এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে সুজন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান হিসেবে জালাল ইউনুস ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের অভিভাবক। উনি যেটা বলেছেন, সেটাই মানতে হবে সুজনকে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে ১০ উইকেটে হারায় সুজনের আবাহনী। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘কঠিন প্রশ্ন। উত্তর দেওয়া কঠিন। দেশ তো সবার আগে, সব সময়ই বলি এটা। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই। তবে পরিস্থিতি কী চায়, তারা (জালাল ইউনুস, আকরাম খান) কীভাবে চিন্তা করেছেন...। আমি এখন জাতীয় দলের সেট-আপে নেই বলতে গেলে। অপারেশনসের ভাইস চেয়ারম্যান থাকলেও, আমি সেভাবে মিটিংগুলোয় যাচ্ছি না—আবাহনীর খেলার কারণে। আমি জানিই না আসলে। আমি এ ব্যাপারে কিছু বলব না।’
এরপরই সুজন যোগ করেন, ‘নিশ্চিতভাবেই জালাল ভাই একটা চিন্তা থেকেই এ মন্তব্য করেছেন। আমি মনে করি, চেয়ারম্যান হিসেবে উনি ক্রিকেট অপারেশনসের অভিভাবক। উনি যেটা বলেছেন, আমাকে সেটাই মানতে হবে, ওনার কথাই ঠিক। এটাই আমার ধরে নিয়ে যেতে হবে।’
সুজন আবার ভিন্ন মত পোষণ করে এটাও বলেছেন, একজন খেলোয়াড়ের সবখানেই শেখার আছে, সেটা হোক ডিপিএলে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘শেখার সবখানেই আছে। প্রিমিয়ার লিগেও শেখার আছে। আজকের একটা দৃশ্য শেখার হতে পারে। সেটা নিয়ে সংশয় নেই। হয়তোবা উনি এটা সেভাবে বোঝাননি। উনি বলেছেন, মোস্তাফিজ এত বছর ধরে ওখানে খেলছে। আর সে তো এখন আর তানজিম সাকিবের মতো না। ও এখন মোস্তাফিজ। মোস্তাফিজ এখন অনেক বড় নাম বিশ্ব ক্রিকেটে। হয়তোবা জালাল ভাই ওই অ্যাঙ্গেল থেকেই বলেছেন যে মোস্তাফিজের অভিজ্ঞতা যেটা আছে, ভারতের তরুণ পেসাররা ওর থেকে কাটার বা এ রকম জিনিস শিখতে পারে। উনি কথাটা এটাই বলেছেন।’
জালালের মন্তব্যকে নেতিবাচকভাবে নিতে নারাজ সুজন। সুজন বললেন, ‘এটাকে অন্য কিছু মিন করা ঠিক হবে না। দিন শেষে আমি মনে করি, দেশ সবার আগে। এটা মাথায় রাখতে হবে। মোস্তাফিজ যদি আইপিএল খেলতে পারত, আমিও খুশি হতাম। দেশের খেলা না থাকলে হয়তো সমস্যা হতো না। অনেকে হয়তো বলবে, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা আইপিএল খেলছে। কিন্তু আমাদের তো ১০টা মোস্তাফিজ নেই। এটাও চিন্তা করতে হবে।’

আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলানোর প্রসঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুসের করা মন্তব্য নিয়ে জোর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গতকাল দেশের স্বনামধন্য কোচ সালাহ উদ্দীনও পাল্টা তোপ দাগলেন জালালের মন্তব্যে। এবার এ প্রসঙ্গে কথা বললেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজনও।
গতকাল মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে জালাল বলেছেন, ‘আইপিএল খেললে ভালো হতো কোন দিক দিয়ে? মোস্তাফিজের আইপিএল খেলে এখন শেখার কিছু নেই। মোস্তাফিজের শেখার প্রক্রিয়া শেষ। বরং তাঁর থেকে শিখতে পারে আইপিএলের অনেক ক্রিকেটার। এতে বাংলাদেশেরও কোনো লাভ হবে না। মোস্তাফিজের কাছাকাছি থেকে অন্যদের লাভ হবে।’
মিরপুরে এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে সুজন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান হিসেবে জালাল ইউনুস ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের অভিভাবক। উনি যেটা বলেছেন, সেটাই মানতে হবে সুজনকে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে ১০ উইকেটে হারায় সুজনের আবাহনী। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘কঠিন প্রশ্ন। উত্তর দেওয়া কঠিন। দেশ তো সবার আগে, সব সময়ই বলি এটা। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই। তবে পরিস্থিতি কী চায়, তারা (জালাল ইউনুস, আকরাম খান) কীভাবে চিন্তা করেছেন...। আমি এখন জাতীয় দলের সেট-আপে নেই বলতে গেলে। অপারেশনসের ভাইস চেয়ারম্যান থাকলেও, আমি সেভাবে মিটিংগুলোয় যাচ্ছি না—আবাহনীর খেলার কারণে। আমি জানিই না আসলে। আমি এ ব্যাপারে কিছু বলব না।’
এরপরই সুজন যোগ করেন, ‘নিশ্চিতভাবেই জালাল ভাই একটা চিন্তা থেকেই এ মন্তব্য করেছেন। আমি মনে করি, চেয়ারম্যান হিসেবে উনি ক্রিকেট অপারেশনসের অভিভাবক। উনি যেটা বলেছেন, আমাকে সেটাই মানতে হবে, ওনার কথাই ঠিক। এটাই আমার ধরে নিয়ে যেতে হবে।’
সুজন আবার ভিন্ন মত পোষণ করে এটাও বলেছেন, একজন খেলোয়াড়ের সবখানেই শেখার আছে, সেটা হোক ডিপিএলে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘শেখার সবখানেই আছে। প্রিমিয়ার লিগেও শেখার আছে। আজকের একটা দৃশ্য শেখার হতে পারে। সেটা নিয়ে সংশয় নেই। হয়তোবা উনি এটা সেভাবে বোঝাননি। উনি বলেছেন, মোস্তাফিজ এত বছর ধরে ওখানে খেলছে। আর সে তো এখন আর তানজিম সাকিবের মতো না। ও এখন মোস্তাফিজ। মোস্তাফিজ এখন অনেক বড় নাম বিশ্ব ক্রিকেটে। হয়তোবা জালাল ভাই ওই অ্যাঙ্গেল থেকেই বলেছেন যে মোস্তাফিজের অভিজ্ঞতা যেটা আছে, ভারতের তরুণ পেসাররা ওর থেকে কাটার বা এ রকম জিনিস শিখতে পারে। উনি কথাটা এটাই বলেছেন।’
জালালের মন্তব্যকে নেতিবাচকভাবে নিতে নারাজ সুজন। সুজন বললেন, ‘এটাকে অন্য কিছু মিন করা ঠিক হবে না। দিন শেষে আমি মনে করি, দেশ সবার আগে। এটা মাথায় রাখতে হবে। মোস্তাফিজ যদি আইপিএল খেলতে পারত, আমিও খুশি হতাম। দেশের খেলা না থাকলে হয়তো সমস্যা হতো না। অনেকে হয়তো বলবে, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা আইপিএল খেলছে। কিন্তু আমাদের তো ১০টা মোস্তাফিজ নেই। এটাও চিন্তা করতে হবে।’

ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৮ মিনিট আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
২২ মিনিট আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আজ ঢাকায় এসেছেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা। তাঁকে নিয়ে আজ মিরপুরে বৈঠকে বসেছে বিসিবি। কিন্তু এই আলোচনায়ও আসেনি তেমন কোনো সিদ্ধান্ত।
২ ঘণ্টা আগে