
প্রাইজমানি বেড়েছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে। ২৪ লাখ মার্কিন ডলার থেকে এবার প্রাইজমানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রাইজমানি। আর তাতে বাংলাদেশ দলেরও প্রাপ্য টাকা বেড়েছে।
বর্ধিত এই প্রাইজমানির কারণে কত বেশি অর্থ পাবে বাংলাদেশ? আগের দুই চক্রের দুটিতেই নবম স্থান ছিল বাংলাদেশ, পেয়েছিল ১ লাখ ডলার করে। তবে ২০২৩–২৫ চক্রে কিছুটা উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। এই চক্রে ১২ টেস্ট খেলে ৪ টিতে জিতেছে,৮টি হেরেছে। ৪ টেস্টের তিনটিই আবার বিদেশের মাঠে। এর মধ্যে আছে পাকিস্তানের মাঠে পাকিস্তান ধবলধোলাই করা। বাংলাদেশ এই চক্রে ৯ থেকে উঠে এসেছে ৭ নম্বরে। এই উত্তরণের জন্য এমনিতেই বেশি অর্থ পেত বাংলাদেশ। কিন্তু বর্ধিত প্রাইজমানিতে শান্তরা পেতে যাচ্ছেন, ৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটা ৮ কোটি ৭৬ লাখ।
সাতে থেকেই বাংলাদেশ যদি এত টাকা পায়, তাহলে চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্সআপ দল কত পাবে এবার? বর্ধিত প্রাইজমানিতে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৩৬ লাখ ডলার বা ৪৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। রানার্সআপ ২১ লাখ ৬০ হাজার ডলার (২৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা)। ২০১৯-২১,২০২১-২৩—এই দুই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে চ্যাম্পিয়ন দল পেয়েছে ১৬ লাখ ডলার। রানার্সআপরা পেয়েছে ৮ লাখ ডলার।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
৯ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
১০ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১২ ঘণ্টা আগে