
সেদিন তর্কসাপেক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ইনিংসটাই খেলেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ওয়ানডে বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ে হওয়া সেই ম্যাচে আফগানিস্তানের ২৯১ রানের জবাব দিতে এসে ৯১ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে পথ হারিয়ে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া। সবাই যখন ধরেই নিয়েছিলেন আফগানদের হাতে আজ আর রক্ষা নেই অজিদের, ঠিক তখনই স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ২০১* রানের অতিমানবীয় ইনিংস খেললেন ম্যাক্সওয়েল। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেই স্মৃতি কি ভোলার কথা হাসমতউল্লাহ শহিদিদের!
গতকাল রাতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেওয়ার পরই আফগানিস্তান অধিনায়ক নিজেদের করণীয়টা ঠিক করে ফেলেছেন—এবার হারাতে চান অস্ট্রেলিয়াকে। আর সেটি হলে এক ঢিলে দুই পাখি মারবে আফগানিস্তান—ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে তারা, উঠে যাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালেও। তাই লাহোরে আফগানদের আগামীকালের লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়া বধ। তবে শুধুমাত্র ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে পড়ে নেই তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আফগান অধিনায়ক বলেন, ‘আপনার (সাংবাদিক) কি মনে হয়, আমরা কেবল ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গেই খেলতে এসেছি? পুরো অস্ট্রেলিয়া দলকে নিয়েই পরিকল্পনা করেছি আমরা। আমি জানি সে (ম্যাক্সওয়েল) ২০২৩ বিশ্বকাপে খুবই ভালো খেলেছে। কিন্তু সেটা এখন অতীত।’
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন শহিদি। সেবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেয় আফগানরা এবং প্রথমবারের মতো উঠে যায় আইসিসির বৈশ্বিক কোনো ইভেন্টের সেমিফাইনালে। অতীতের স্মৃতি নয়, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে যে ছন্দে আছে আফগানরা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ সেটাই বড় অস্ত্র শহিদিদের, ‘ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর আমরা তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও হারিয়েছি। আমরা সব প্রতিপক্ষকে নিয়েই ভাবি। শুধুমাত্র কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে ভেবে মাঠে আসি না। আমরা চেষ্টা করব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার। আমরা শুধু ম্যাক্সওয়েলের বিপক্ষে খেলছি না, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলছি।’
আফগানদের কোচ জোনাথন ট্রট তো মনে করেন, আফগানদের নিয়ে অন্যদের ধারণাই পাল্টে গেছে, ‘বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং (পরশু রাতে) এখন যা ঘটল, খেলোয়াড়দের বলেছি; আফগানিস্তানকে কেউ এখন হালকাভাবে নেবে না। আগে সবাই আমাদের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে হয়তো ভেবেছেন, ইতিহাস-ঐতিহ্য আছে এমন কোনো টেস্ট দলের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে এটা সহজ। কিন্তু এই সংস্করণ এবং এই কন্ডিশনে, সেটা আমি মনে করি না। অস্ট্রেলিয়াও আমাদের হালকাভাবে নেবে না।’

সেদিন তর্কসাপেক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ইনিংসটাই খেলেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ওয়ানডে বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ে হওয়া সেই ম্যাচে আফগানিস্তানের ২৯১ রানের জবাব দিতে এসে ৯১ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে পথ হারিয়ে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া। সবাই যখন ধরেই নিয়েছিলেন আফগানদের হাতে আজ আর রক্ষা নেই অজিদের, ঠিক তখনই স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ২০১* রানের অতিমানবীয় ইনিংস খেললেন ম্যাক্সওয়েল। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেই স্মৃতি কি ভোলার কথা হাসমতউল্লাহ শহিদিদের!
গতকাল রাতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেওয়ার পরই আফগানিস্তান অধিনায়ক নিজেদের করণীয়টা ঠিক করে ফেলেছেন—এবার হারাতে চান অস্ট্রেলিয়াকে। আর সেটি হলে এক ঢিলে দুই পাখি মারবে আফগানিস্তান—ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে তারা, উঠে যাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালেও। তাই লাহোরে আফগানদের আগামীকালের লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়া বধ। তবে শুধুমাত্র ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে পড়ে নেই তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আফগান অধিনায়ক বলেন, ‘আপনার (সাংবাদিক) কি মনে হয়, আমরা কেবল ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গেই খেলতে এসেছি? পুরো অস্ট্রেলিয়া দলকে নিয়েই পরিকল্পনা করেছি আমরা। আমি জানি সে (ম্যাক্সওয়েল) ২০২৩ বিশ্বকাপে খুবই ভালো খেলেছে। কিন্তু সেটা এখন অতীত।’
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন শহিদি। সেবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেয় আফগানরা এবং প্রথমবারের মতো উঠে যায় আইসিসির বৈশ্বিক কোনো ইভেন্টের সেমিফাইনালে। অতীতের স্মৃতি নয়, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে যে ছন্দে আছে আফগানরা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ সেটাই বড় অস্ত্র শহিদিদের, ‘ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর আমরা তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও হারিয়েছি। আমরা সব প্রতিপক্ষকে নিয়েই ভাবি। শুধুমাত্র কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে ভেবে মাঠে আসি না। আমরা চেষ্টা করব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার। আমরা শুধু ম্যাক্সওয়েলের বিপক্ষে খেলছি না, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলছি।’
আফগানদের কোচ জোনাথন ট্রট তো মনে করেন, আফগানদের নিয়ে অন্যদের ধারণাই পাল্টে গেছে, ‘বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং (পরশু রাতে) এখন যা ঘটল, খেলোয়াড়দের বলেছি; আফগানিস্তানকে কেউ এখন হালকাভাবে নেবে না। আগে সবাই আমাদের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে হয়তো ভেবেছেন, ইতিহাস-ঐতিহ্য আছে এমন কোনো টেস্ট দলের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে এটা সহজ। কিন্তু এই সংস্করণ এবং এই কন্ডিশনে, সেটা আমি মনে করি না। অস্ট্রেলিয়াও আমাদের হালকাভাবে নেবে না।’

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
৬ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
৯ ঘণ্টা আগে