কথায় আছে, ‘ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা’। ভদ্রোচিত আচরণের জন্য বেশ সুনাম আছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের। কেন উইলিয়ামসনও ভদ্রলোক হিসেবে ক্রিকেট পাড়ায়। অধিনায়ক হলেও নিজের আবেগ দারুণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন তিনি। ম্যাচ হারলেও তাঁর মুখে প্রায় হাসি লেগে থাকতে দেখা যায়। আর এই উইলিয়ামসনই এবার ‘প্রতারণার’ জন্য শুনছেন গালমন্দ।
ব্রিসবেনে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের ঘটনা। ওভারের তৃতীয় বলে মিচেল স্যান্টনারকে তুলে মেরেছিলেন জস বাটলার। কাভারে অসাধারণ ডাইভ দিয়ে ক্যাচটা ধরেই ফেলেছিলেন উইলিয়ামসন। ব্যক্তিগত ৮ রান করা বাটলারও চলে যাচ্ছিলেন। পরে আম্পায়াররা রিপ্লেতে দেখেন, উইলিয়ামসন ক্যাচটা ধরে রাখতে পারেননি। অথচ কিউই তারকা এমন ভাব করেছিলেন যেন কিছুই হয়নি।
এই ক্যাচের এই মিথ্যা নাটকের ইস্যুতে সামাজিকমাধ্যমে ভিলেনে পরিণত হয়েছেন উইলিয়ামসন। অনেকের চোখে, কিউই অধিনায়ক এখন প্রতারক। উদিত নামের একজন টুইট করেছেন, ‘কেন উইলিয়ামসন একজন প্রতারক। কেউ বলবে না যে কর্ম তার খেয়াল রাখবে। কারণ তার হাসি খুব মিষ্টি।’
ড্যানিয়েল নরক্রস নামে একজনের টুইট, ‘ইংল্যান্ড এখানে প্রতারণার শিকার হয়েছে।’
ব্যক্তিগত ৮ রানে জীবন পেয়ে ৭৩ রান করে থামেন বাটলার। ইংলিশ উইকেটরক্ষকের অধিনায়কোচিত ফিফটিতে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৯ রান করে ইংল্যান্ড। ম্যাচটি ২০ রানে জেতে জেতে ইংলিশরা। বাটলারও হয়েছেন ম্যাচসেরা।
উইলিয়ামসন অবশ্য এখানে আত্মপক্ষ সমর্থন করতেই পারেন। কে না জানে, ‘প্রেম এবং যুদ্ধে নৈতিকতা নেই।’ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা তো কিউইদের জন্য যুদ্ধই, বলতে গেলে। এই ম্যাচে জিতলে টি-টোয়েন্টি সেমিফাইনালেও পা রাখতো নিউজিল্যান্ড। তার জন্য বাটলারকে ছলচাতুরিতে ফেরাতে তো চাইবেনই যে কেউ।










