নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রথম ম্যাচে গতকাল শুরুটা হয়েছিল দারুণ। তবুও ১৫১ রানের লক্ষ্য পাড়ি দিতে ঘাম ছুটে গিয়েছিল। ৪ উইকেটে জয়ের স্বাদ নিয়ে আজই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও বড় সংগ্রহ করতে পারেনি আফগানিস্তান। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৭ রানে থামে তারা। সিরিজ নিশ্চিতের জন্য ১৪৮ রান করতে হবে বাংলাদেশের।
শারজায় টস জিতলেও আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। তানজিম হাসান সাকিব ও তাসকিন আহমেদের বদলে জায়গা করে নেন সাইফউদ্দিন ও শরীফুল ইসলাম।
পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট নিতে না পারলেও ৩৫ রানের বেশি দেয়নি বাংলাদেশ। ব্রেকথ্রুর জন্য অপেক্ষা করতে হয় অষ্টম ওভার পর্যন্ত। স্বস্তি এনে দেন রিশাদ হোসেন। অফ স্টাম্পের বরাবর করা বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে থাকা পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ধরা পড়েন সেদিকউল্লাহ আতাল। থিতু হয়েও ১৯ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি বাঁহাতি এই ওপেনার। ভাঙে ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
মিতব্যয়ী বোলিংয়ের ছাপ রাখা নাসুম আহমেদ উইকেটের দেখা পান নিজের তৃতীয় ওভারে। হাত খুলে খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি সীমানায় ইব্রাহিম জাদরানকে তালুবন্দী করেন রিশাদ হোসেন। আউটের স্বচ্ছতার জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের কাছেও যেতে হয়। ৩৭ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৮ রানে ইব্রাহিমের ইনিংসটিই আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ।
প্রথম ১০ ওভারে ৬৯ রান দেওয়া বাংলাদেশ। পরের ১০ ওভারে খুব একটা বেশি রান (৭৮) দেয়নি। তাই লক্ষ্য থাকে নাগালের ভেতর।
১২ তম ওভারে রিশাদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন অভিষিক্ত ওয়াফিউল্লাহ তারাখিল। ৪ বল খেলে ১ রান করেন তিনি। মিডল অর্ডারে আর কেউই আফগানিস্তানের রানের গতি সেভাবে বাড়াতে পারেননি। ২ ছক্কায় ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের আভাস দেওয়া দারউইশ রাসুলি (১৪) শিকার হন নাসুমের। বাঁহাতি এই স্পিনার ৪ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে খরচ করেন ২৫ রান।
প্রথম ৩ ওভারে দারুণ বোলিংয়ে ৯ রান দেওয়া শরীফুল শেষ ওভারে খালি হাতে ফেরেননি। উপড়ে ফেলেন রহমান উল্লাহ গুরবাজের স্টাম্প। তিনে নামা গুরবাজ ২ ছক্কা ১ চারে ২২ বলে করেছেন ৩০ রান।
শেষ ৩ ওভারে মোহম্মদ নবী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো পাওয়ার হিটার থাকলেও ২৫ রানের বেশি পায়নি আফগানিস্তান। ওমরজাই ১৭ বলে ১৯ ও নবি ১২ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন রিশাদ ও নাসুম। রিশাদ অবশ্য ৪ ওভারে খরচ করেন ৪৫ রান। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমানেরও দিন খারাপ গেছে। ৪০ রান দিয়েও কোনো উইকেট পাননি তিনি। সাইফউদ্দিন কোনো উইকেট না পেলেও খরচ করেন মাত্র ২২ রান। শরীফুল ১ উইকেটের বিনিময়ে ১৩ রানের বেশি দেননি।

প্রথম ম্যাচে গতকাল শুরুটা হয়েছিল দারুণ। তবুও ১৫১ রানের লক্ষ্য পাড়ি দিতে ঘাম ছুটে গিয়েছিল। ৪ উইকেটে জয়ের স্বাদ নিয়ে আজই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও বড় সংগ্রহ করতে পারেনি আফগানিস্তান। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৭ রানে থামে তারা। সিরিজ নিশ্চিতের জন্য ১৪৮ রান করতে হবে বাংলাদেশের।
শারজায় টস জিতলেও আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। তানজিম হাসান সাকিব ও তাসকিন আহমেদের বদলে জায়গা করে নেন সাইফউদ্দিন ও শরীফুল ইসলাম।
পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট নিতে না পারলেও ৩৫ রানের বেশি দেয়নি বাংলাদেশ। ব্রেকথ্রুর জন্য অপেক্ষা করতে হয় অষ্টম ওভার পর্যন্ত। স্বস্তি এনে দেন রিশাদ হোসেন। অফ স্টাম্পের বরাবর করা বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে থাকা পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ধরা পড়েন সেদিকউল্লাহ আতাল। থিতু হয়েও ১৯ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি বাঁহাতি এই ওপেনার। ভাঙে ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
মিতব্যয়ী বোলিংয়ের ছাপ রাখা নাসুম আহমেদ উইকেটের দেখা পান নিজের তৃতীয় ওভারে। হাত খুলে খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি সীমানায় ইব্রাহিম জাদরানকে তালুবন্দী করেন রিশাদ হোসেন। আউটের স্বচ্ছতার জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের কাছেও যেতে হয়। ৩৭ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৮ রানে ইব্রাহিমের ইনিংসটিই আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ।
প্রথম ১০ ওভারে ৬৯ রান দেওয়া বাংলাদেশ। পরের ১০ ওভারে খুব একটা বেশি রান (৭৮) দেয়নি। তাই লক্ষ্য থাকে নাগালের ভেতর।
১২ তম ওভারে রিশাদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন অভিষিক্ত ওয়াফিউল্লাহ তারাখিল। ৪ বল খেলে ১ রান করেন তিনি। মিডল অর্ডারে আর কেউই আফগানিস্তানের রানের গতি সেভাবে বাড়াতে পারেননি। ২ ছক্কায় ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের আভাস দেওয়া দারউইশ রাসুলি (১৪) শিকার হন নাসুমের। বাঁহাতি এই স্পিনার ৪ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে খরচ করেন ২৫ রান।
প্রথম ৩ ওভারে দারুণ বোলিংয়ে ৯ রান দেওয়া শরীফুল শেষ ওভারে খালি হাতে ফেরেননি। উপড়ে ফেলেন রহমান উল্লাহ গুরবাজের স্টাম্প। তিনে নামা গুরবাজ ২ ছক্কা ১ চারে ২২ বলে করেছেন ৩০ রান।
শেষ ৩ ওভারে মোহম্মদ নবী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো পাওয়ার হিটার থাকলেও ২৫ রানের বেশি পায়নি আফগানিস্তান। ওমরজাই ১৭ বলে ১৯ ও নবি ১২ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন রিশাদ ও নাসুম। রিশাদ অবশ্য ৪ ওভারে খরচ করেন ৪৫ রান। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমানেরও দিন খারাপ গেছে। ৪০ রান দিয়েও কোনো উইকেট পাননি তিনি। সাইফউদ্দিন কোনো উইকেট না পেলেও খরচ করেন মাত্র ২২ রান। শরীফুল ১ উইকেটের বিনিময়ে ১৩ রানের বেশি দেননি।

দেশের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট আগেও দেখা গেছে। তবে এবার যেন ছাড়িয়ে গেল অতীতের সবকিছু। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বিপিএলের ম্যাচ হয়নি ক্রিকেটারদের বয়কটের সিদ্ধান্তে।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা আপাতত দূর হয়েছে। রাতে বিসিবি-ক্রিকেটারদের সভায় বিপিএল শুক্রবার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদমাধ্যমকে বলেন...
৯ ঘণ্টা আগে
খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১৩ ঘণ্টা আগে