
মার্চে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। তাই পুরস্কারটা যে তাঁর হাতেই উঠবে, সেটা অনুমিতই ছিল। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। মার্চ মাসের আইসিসির সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা ধরে রাখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল স্যামসনের। শুরুতে একাদশে নিয়মিত না থাকলেও সুপার এইট পর্বে সুযোগ পেয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৪ রান দিয়ে শুরু করে দ্রুতই ছন্দে ফেরেন এই ওপেনার। ১ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও তাঁর অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস দলকে সেমিফাইনালে তোলে। এরপর মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভারত তোলে ২৫৩/৭, যে লক্ষ্য ছুঁতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড।
এখানেই শেষ নয়, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আহমেদাবাদের ফাইনালেও আরও একটি ৮৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৯৬ রানের বড় জয় এনে দেন এবং শিরোপা ধরে রাখতে সহায়তা করেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি করেন ২৭৫ রান, গড় ১৩৭.৫০। স্ট্রাইকরেটও ছিল ঈর্ষণীয়—১৯৯.২৭। তাঁর এই পারফরম্যান্সই তাঁকে ম্যাচসেরার পুরস্কার এনে দেয় টানা দুবার এবং জায়গা করে দেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ বিশে।
২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন স্যামসন। এই হিসেবে দুটি বিশ্বকাপে জয়ের কীর্তি তাঁর। তবে আইসিসির মাসসেরার স্বীকৃতি এবারই প্রথম পেলেন স্যামসন। এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর তাই উচ্ছ্বসিত স্যামসন, ‘আইসিসির মাস সেরা হতে পারা এক অসাধারণ অনুভূতি। এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে যখন আমি আমার ক্রিকেটীয় সফরের সবচেয়ে অবিস্মরণীয় পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রাখাটা ছিল আমার কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো।’
মার্চ মাসের সেরা হওয়ার দৌড়ে স্যামসন হারিয়েছেন ভারতেরই জসপ্রীত বুমরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার কনর এস্টারহুইজেনকে।

ভারত, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে ধরা হয় বিশ্ব ক্রিকেটের তিন মোড়ল। আর ‘বড়’ মোড়ল ভারত। বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের অবিসংবাদিত প্রভাব। আর ব্যাপক সে প্রভাবের ভুক্তভোগী যে সব দেশ বা বোর্ড, তাদের কাছে আইসিসি হচ্ছে ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’!
১ ঘণ্টা আগে
নতুন ক্লাব খুঁজে পেয়েছেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার কাজী তারিক রায়হান। ভুটানের ক্লাব পারো এফসিতে যোগ দিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
কারও কারও কাছে তিনিই সর্বকালের সর্বসেরা ফুটবলার। বলা হচ্ছে ফুটবলের স্বর্গীয় প্রতিভা ডিয়েগো ম্যারাডোনার কথা। অসাধারণ ফুটবলার হলেও তাঁর বেড়ে ওঠার গল্পটা তৃতীয় বিশ্বের হাজারো পোড় খাওয়া মানুষের মতোই।
৩ ঘণ্টা আগে
নিজেকে আলোচনায় রাখতেই যেন বেশি পছন্দ যুজবেন্দ্র চাহালের। বিশেষ করে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে কর্মকাণ্ড নিয়ে কথাবার্তা হয় বেশি। কখনো রহস্যময় পোস্ট দেন তিনি। কখনোবা ভারতীয় এই লেগস্পিনার কারও ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে চলে আসেন লাইমলাইটে।
৩ ঘণ্টা আগে