
ভারত, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে ধরা হয় বিশ্ব ক্রিকেটের তিন মোড়ল। আর ‘বড়’ মোড়ল ভারত। বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের অবিসংবাদিত প্রভাব। আর ব্যাপক সে প্রভাবের ভুক্তভোগী যে সব দেশ বা বোর্ড, তাদের কাছে আইসিসি হচ্ছে ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’!
তো ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই অন্য কোনো দেশের সঙ্গে খেলতে চাইলে, সেই দেশের খুশিতে গদগদ হওয়ার কথা। যেমন হয়েছে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড। গত মার্চে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারত জিম্বাবুয়ের সঙ্গে দেশের মাটিতে ৩টি ওয়ানডে এবং আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার ঘোষণা দেয়। এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের সিরিজ খেলাটা ঘোষণা দেওয়াটা নতুন কিছু নয়। তারপরও বিসিসিআইয়ের সেই ঘোষণা চমক দেখেছিলেন কেউ কেউ। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকেরা। যাঁরা ব্যাপারটাকে ‘চমক’ হিসেবেই দেখেছেন, তাঁদের কাছে ওই সিরিজ দুটি জিম্বাবুয়ে ও আয়ারর্যান্ডের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ডের ‘পুরস্কার’ বলেও মনে করেছেন।
ব্যাপারটা কী একটু জটিল মনে হচ্ছে! তাহলে খুলেই বলা যাক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বহিস্কার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের শীতল সম্পর্কের কারণে যখন লিটন দাস-মোস্তাফিজদের ভারতে বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত, তখন বাংলাদেশের গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল আইসিসিকে। আর কাজটা যাতে সহজে করা যায়, সে জন্য আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবুয়ে দুই বোর্ডের সঙ্গেই যোগাযোগ করেছিলেন বিসিবির সে সময়ের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দুই বোর্ড বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতার মৌখিক আশ্বাস দিয়েছিলেন, জানিয়েছিলেন গ্রুপ পরিবর্তন করে তারা ভারতের মাটিতেও খেলতে রাজি।
কিন্তু আসলে রাজি ছিল না ভারতই। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের সঙ্গে বৈরি সম্পর্কের কারণে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শ্রীলঙ্কায় রেখে সম্ভাব্য নতুন সূচি তৈরিকে নিজের ইগোর পরাজয় হিসেবেই দেখেছে তারা। মনে করা হয় বাংলাদেশকে মৌখিক আশ্বাস দেওয়ার পরও সূচি পরিবর্তনের পক্ষে আইসিসির ভার্চুয়াল সভায় ভোট দেয়নি আয়ারল্যান্ড কিংবা জিম্বাবুয়ে। এর পেছনেও ছিল ‘খেলা’। ধারণা করা হয় ভারতীয় বোর্ডের চাপেই হোক কিংবা কোনো সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভনে-বাংলাদেশের অনুরোধেও শেষ পর্যন্ত সাড়া দেয়নি দুই দল। ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়েকে ঘরের মাটিতে খেলতে ডাকা এবং তুলনামূলক দূর্বল দল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আয়োজন—সে সময় বাংলাদেশের সঙ্গে না থাকা কিংবা বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া না দেওয়ার ‘পুরস্কার’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ওহ, বলাই হলো না জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কখন সিরিজ খেলবে ভারত। ২০২৭ সালে জানুয়ারিতে ভারত সফরে ৩, ৬ ও ৯ জানুয়ারি তিনটি ওয়ানডে খেলবে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচ তিনটি হবে কলকাতা, হায়দরাবাদ ও মুম্বাইয়ে। আর আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দুটি টি-টোয়েন্টি ভারত খেলবে চলতি বছরেই, ২৬ ও ২৮ জুন। দুটি ম্যাচই হবে বেলফাস্টে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে