
পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামল শেষে গত মাসে ক্ষমতার মসনদে বসেছে বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পরিবর্তন ঘটেছে সৌরভ গাঙ্গুলীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও। এক ধাপ নামিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারতের সাবেক অধিনায়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মমতা পরাজিত হওয়ার আগে ‘জেড’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন সৌরভ গাঙ্গুলী। শুভেন্দু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মসনদে বসার পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সভাপতির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। সাধারণত ‘জ়েড ক্যাটেগরি’তে নিরাপত্তার দায়িত্বে কমপক্ষে ৩৫ জন থাকেন। যাঁদের মধ্যে থাকেন রাজ্য পুলিশের কমান্ডোও থাকেন সুরক্ষা বলয়ে। রাজ্য সরকারের ‘জ়েড ক্যাটেগরি’ নিরাপত্তা যাঁরা পান, তাঁদের সঙ্গে পাইলট কারও থাকে। তবে ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’তে তিন থেকে চার জন থাকেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। তাঁদের মধ্যে দু জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী। এবার তাই সৌরভের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা কমে গেল।
২০২৩ সালের মে মাস পর্যন্ত ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’র নিরাপত্তা দেওয়া হত সৌরভকে। সেখানে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের তিন জন থাকতেন তাঁর নিরাপত্তায়। বেহালায় তাঁর বাড়ির নিরাপত্তায় পুলিশকর্মীরা নিযুক্ত ছিলেন। সে মাসেই (২০২৩ সালের মে) সরকারিভাবে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘জ়েড ক্যাটেগরি’তে উন্নীত করেছিল মমতার তৃণমূল সরকার। সৌরভের নিরাপত্তায় ৮ থেকে ১০ জন পুলিশকর্মী দায়িত্বে ছিলেন। পেতেন বাড়ির নিরাপত্তাও।
পুলিশ সূত্রে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, সম্প্রতি কাগজে-কলমে সৌরভের ‘জ়েড ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীর সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই ‘জেড’ থেকে ‘ওয়াই ক্যাটাগরিতে’ নামিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১৩ ঘণ্টা আগে