
অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট জিতে সংবাদ সম্মেলনে এলেন লোকেশ রাহুল। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তরগুলো সময় নিয়ে ভালোভাবেই দিচ্ছিলেন। তবু ভেতরে একটু তাড়া ছিলই। চট্টগ্রাম টেস্টে খুব বেশি ব্যাটিং করতে পারেননি। দুই ইনিংসেই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় সেটা হয়ে ওঠেনি। সংবাদ সম্মেলন শেষ করে নেটে কিছুক্ষণ ব্যাটিং করবেন তাড়াটা সে জন্যই।
শেষ দিন ৪৯ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের লেজ ছেঁটে দেওয়ায় রাহুলের সামনে এই সুযোগ আসে। তাড়াটা অবশ্য দিচ্ছিলেন ভারতীয় দলের মিডিয়া ম্যানেজার। তবু এক ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরটা নিলেন অনেক জোরাজুরির পর। প্রশ্নটা আজ রাতে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে। রাতে গ্রেটেস্ট অন্য আর্থ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। ভারতীয় দলের বেশির ভাগই ব্রাজিল-ইংল্যান্ডের সমর্থক। দুই দলই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে।
তবু আজ রাতে ফাইনালে সবাই এক পক্ষকে সমর্থন দেবেন না, সেটা নিশ্চিত করেছেন রাহুল। ফাইনাল নিয়ে সবার মধ্যে উন্মাদনা কাজ করছে বলে জানালেন ভারতীয় অধিনায়ক। রাহুল বলছিলেন, ‘আমার মনে হয় না (প্রবল বিভক্তি থাকবে)। আমিসহ বেশির ভাগ খেলোয়াড় যেসব দল সমর্থন করেছিলাম, তারা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। কিছু ব্রাজিল ভক্ত, কিছু ইংল্যান্ডের ভক্ত আছে আমাদের দলে।’
নিজেদের দলে কারা ঠিক আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্সের সমর্থক জানেন না রাহুল। রাহুল বললেন, ‘আমি জানি না কারা সত্যি আর্জেন্টিনা বা ফ্রান্স সমর্থন করবে।’ তবে ম্যাচ দেখবেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আজ আমরা খেলাটা শুধু উপভোগ করব। খেলার সময় ভালো খাওয়াদাওয়া থাকবে, আনন্দ নিয়ে উপভোগ করব। পাঁচ দিন ক্লান্তিহীন ক্রিকেট খেলার পর রাতটা উপভোগ করব। বিশ্বকাপের ফাইনাল বলে কথা। আমরা সবাই ফুটবল ভালোবাসি। আপনারা দেখেন, আমরা ওয়ার্মআপে ফুটবল খেলি। এমনকি নিজেদের রুমেও ফিফা খেলি।’
নির্ভার থেকেই খেলাটা উপভোগ করবেন বলে জানালেন রাহুল। ভারতীয় অধিনায়ক যোগ করেন, ‘সবাই আজ অনেকটা নির্ভার থাকবে। আজকের খেলাটা রোমাঞ্চকর হতে যাচ্ছে। আমরা কিছুটা বিভক্ত থাকব দুই দলে। এটাই আসলে খেলা দেখার মজাটা বাড়িয়ে দেয়, তাই না?’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৯ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে