লক্ষ্য ১৩৭ রানের। সেটি সহজেই পেরিয়ে গেল উগান্ডা। পেল এক ঐতিহাসিক জয়ও। ৫ বল হাতে রেখে তাদের ৫ উইকেটের এই জয় যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে! সেটিও প্রথম সাক্ষাতে। জিম্বাবুয়েনদের একসময় বড় বড় দলকে হারানোর ইতিহাস আছে! কিন্তু এখন যে তারা ঢাল-তলোয়ারহীন যোদ্ধা। তবুও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় তো আনন্দের হবেই। ম্যাচ শেষে সেই জয়ের উচ্ছ্বাসেই ভাসলেন উগান্ডার খেলোয়াড়েরা।
নামিবিয়ায় ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাছাইপর্বে আফ্রিকান অঞ্চলে লড়ছে সাত দল। সেখানেই এই চমক দেখাল উগান্ডা। উইন্ডহোকের ইউনাইটেড ক্রিকেট ক্লাব ক্লাব গ্রাউন্ডে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওপেনার তাদিওয়ানশে মারুমানিকে হারায় তারা। স্কোরবোর্ডে তখনও কোনো রান জমা হয়নি।
আরেক ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়ার (২৩) সঙ্গে জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দেন শন উইলিয়ামস (২১)। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৩৯ বলে খেলেন ৪৮ রানের ইনিংস। রায়ান বার্ল করেন ১৩ রান। পরের ব্যাটারদের আর কেউ দুই অঙ্কের রানের দেখা পানি। উগান্ডার হয়ে ৩ উইকেট নেন দীনেশ নাকরানি।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে বিপদে পড়েছিল উগান্ডাও। স্কোরবোর্ডে ১২ রান জমা হতেই তারা হারায় ২ উইকেট। তবে উইকেটরক্ষক রজার মুকাসা (২৩), আলপেশ রামজানি (৪০), রিজাত আলী শাহ (৪২) ও নাকরানির অপরাজিত ১৪ রানের সুবাদে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় উগান্ডা। এই জয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল তারা।
তবে তিন ম্যাচের মধ্যে ২ হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে গেল জিম্বাবুয়ে। দুই পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চারে রাজারা। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে উগান্ডা। সমান ম্যাচে সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে তাদের উপরে আছে নামিবিয়া ও কেনিয়া।

দিনের প্রথম সেশনে উইকেট পড়ল ৮টি। আফগানিস্তানের ৬টার বিপরীতে বাংলাদেশ হারাল দুটি। বড় লিড নেওয়ায় সেশনটা হয়ে থাকল সফরকারীদের।
২৩ মিনিট আগে
ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ নারী দল। হারের পর মাথা ঠান্ডা রেখে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়কের সে কথার প্রতিফলনই যেন ফুটে উঠল সোবহানা মোস্তারির ব্যাটে।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। দিনের বাকি সময়টা নির্বিঘ্নে পার করে দেন দুজন। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। শুরুটা করেন ইবাদত হোসেন। এরপর দৃশ্যপটে হাসান মাহমুদ। এই পেসারের দাপুটে বোলিংয়ে এগিয়ে থাকল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বল জিয়াউর রহমানের প্যাডে লাগলেই জোরালো আবেদন হলো। কিন্তু আবেদন সাড়া দেননি আম্পায়ার। সেই সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রিভিউ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান হাসান মাহমুদ।
২ ঘণ্টা আগে