
দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বাঁহাতি পেসার ও আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর বোলার লনওয়াবো সতসোবেসহ তিন ক্রিকেটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি দুই ক্রিকেটার হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক টেস্ট উইকেটরক্ষক থামি সোলেকিলে ও এথি এমবালাতি।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্নীতিমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও লড়াইয়ের জন্য ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা আইনের সেকশন-১৫ অনুযায়ী ৫টি অভিযোগ আনা হয়েছে সতসোবে-সোলেকিলেদের বিরুদ্ধে। সেকশন ১৫-এর আওতায় আছে ক্রীড়া ইভেন্টে দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম। ক্রীড়া ইভেন্টের সততাকে অবমূল্যায়ন করা ফিক্সিংয়ের মাধ্যমে কোনো প্রস্তাব দেওয়া বা কারও কাছ থেকে গ্রহণ করা।
২০০০ সালে ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া হান্সি ক্রনিয়ের ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির পর দুর্নীতিমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও লড়াইয়ের জন্য ২০০৪ সালের আইনটি করা হয়েছিল। ক্রীড়ায় এই আইনের প্রথম প্রয়োগ এই ক্রিকেটারদের দিয়েই।
সতসোবে একটা সময় ওয়ানডে বোলারদের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষেও ছিলেন কিছুদিন। দুর্নীতির দায়ে ২০১৭ সালে আট বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তাঁকে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৫ টেস্ট, ৬১ ওয়ানডে ও ২৩টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সতসোবে। ওয়ানডেতে ৯৪ উইকেট, টেস্টে ৯ ও টি-টোয়েন্টিতে শিকার ১৮ উইকেট।
উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সোলেকিলে ২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি টেস্ট খেলছিলেন মার্ক বাউচারের চোটের সুযোগে। সুযোগ অবশ্য কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ৫ ইনিংসে সব মিলিয়ে করেছেন ৪৭ রান। তবে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন ১৬০টি, লিস্ট ‘এ’ খেলেছেন ১৪২ ম্যাচ।
এমবালাতি জাতীয় দলের প্রাথমিক ও মূল দলে সুযোগ পেয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাননি একবারও। তবে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে খেলেছেন ১২৯টি করে ম্যাচ। প্রথম শ্রেণিতে ৩৬৪ উইকেট এবং লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিয়েছেন ১৫০ উইকেট।
এই ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছে ডিরেক্টোরেট ফর প্রায়োরিটি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (ডিপিসিআই)। সংঘবদ্ধ ও অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্তের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকান পুলিশের বিশেষ শাখা এটি, যারা পরিচিত ‘হকস’ নামে। ২০১৫-১৬ মৌসুমের র্যাম স্ল্যাম চ্যালেঞ্জে (ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট) দুর্নীতিতে জড়ানোর দায়ে অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পর্যায়ক্রমে সাত ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের মধ্যে ছিলেন এই তিনজন
অভিযুক্ত সাত ক্রিকেটারকে তখন দুই থেকে ১২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত নাম, অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা ও ৩৬ টেস্ট আর ২১ ওয়ানডে খেলা ব্যাটসম্যান আলভিরো পিটারসেনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দুই বছরের জন্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ব্যাটার গুলাম বোদিকে নিষিদ্ধ করার পর ৫ বছরের জেল হয় ২০১৯ সালে। ভারতীয় বুকিদের সঙ্গে যোগসাজশে গুলাম বোদি বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনটি ম্যাচ পাতানোর জন্য।

দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বাঁহাতি পেসার ও আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর বোলার লনওয়াবো সতসোবেসহ তিন ক্রিকেটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি দুই ক্রিকেটার হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক টেস্ট উইকেটরক্ষক থামি সোলেকিলে ও এথি এমবালাতি।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্নীতিমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও লড়াইয়ের জন্য ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা আইনের সেকশন-১৫ অনুযায়ী ৫টি অভিযোগ আনা হয়েছে সতসোবে-সোলেকিলেদের বিরুদ্ধে। সেকশন ১৫-এর আওতায় আছে ক্রীড়া ইভেন্টে দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম। ক্রীড়া ইভেন্টের সততাকে অবমূল্যায়ন করা ফিক্সিংয়ের মাধ্যমে কোনো প্রস্তাব দেওয়া বা কারও কাছ থেকে গ্রহণ করা।
২০০০ সালে ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া হান্সি ক্রনিয়ের ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির পর দুর্নীতিমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও লড়াইয়ের জন্য ২০০৪ সালের আইনটি করা হয়েছিল। ক্রীড়ায় এই আইনের প্রথম প্রয়োগ এই ক্রিকেটারদের দিয়েই।
সতসোবে একটা সময় ওয়ানডে বোলারদের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষেও ছিলেন কিছুদিন। দুর্নীতির দায়ে ২০১৭ সালে আট বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তাঁকে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৫ টেস্ট, ৬১ ওয়ানডে ও ২৩টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সতসোবে। ওয়ানডেতে ৯৪ উইকেট, টেস্টে ৯ ও টি-টোয়েন্টিতে শিকার ১৮ উইকেট।
উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সোলেকিলে ২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি টেস্ট খেলছিলেন মার্ক বাউচারের চোটের সুযোগে। সুযোগ অবশ্য কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ৫ ইনিংসে সব মিলিয়ে করেছেন ৪৭ রান। তবে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন ১৬০টি, লিস্ট ‘এ’ খেলেছেন ১৪২ ম্যাচ।
এমবালাতি জাতীয় দলের প্রাথমিক ও মূল দলে সুযোগ পেয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাননি একবারও। তবে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে খেলেছেন ১২৯টি করে ম্যাচ। প্রথম শ্রেণিতে ৩৬৪ উইকেট এবং লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিয়েছেন ১৫০ উইকেট।
এই ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছে ডিরেক্টোরেট ফর প্রায়োরিটি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (ডিপিসিআই)। সংঘবদ্ধ ও অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্তের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকান পুলিশের বিশেষ শাখা এটি, যারা পরিচিত ‘হকস’ নামে। ২০১৫-১৬ মৌসুমের র্যাম স্ল্যাম চ্যালেঞ্জে (ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট) দুর্নীতিতে জড়ানোর দায়ে অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পর্যায়ক্রমে সাত ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের মধ্যে ছিলেন এই তিনজন
অভিযুক্ত সাত ক্রিকেটারকে তখন দুই থেকে ১২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত নাম, অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা ও ৩৬ টেস্ট আর ২১ ওয়ানডে খেলা ব্যাটসম্যান আলভিরো পিটারসেনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দুই বছরের জন্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ব্যাটার গুলাম বোদিকে নিষিদ্ধ করার পর ৫ বছরের জেল হয় ২০১৯ সালে। ভারতীয় বুকিদের সঙ্গে যোগসাজশে গুলাম বোদি বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনটি ম্যাচ পাতানোর জন্য।

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
২ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
৫ ঘণ্টা আগে