ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টের প্রথম দিন চোটে পড়েন ঋষভ পন্ত। বাঁ পায়ের আঙুল ভেঙে যাওয়ার পর এখন তাঁকে সময় বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে। ২০২৫ এশিয়া কাপে ভারতের এই উইকেটকিপার-ব্যাটারকে দেখা যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আগামী অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও তাঁর খেলা অনিশ্চিত।
২৭ বছর বয়সী পন্ত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টে কিপিং করতে পারেননি, পরে পঞ্চম টেস্ট থেকে ছিটকে যান। তখনই জানা গিয়েছিল, পুরোপুরি সেরে উঠতে তাঁকে ছয় সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই সময়সীমা আরও বাড়তে পারে এবং পন্ত নিশ্চিতভাবেই এশিয়া কাপ মিস করবেন। পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও না খেলার সম্ভাবনাই বেশি।
২০২৫ এশিয়া কাপ শুরু হবে ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ২ অক্টোবর থেকে। দুটি সিরিজ থেকেই ছিটকে যেতে পারেন পন্ত। তবে এশিয়া কাপের ব্যাপারে নিশ্চিত বলছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যানচেস্টারে চতুর্থ টেস্টে আঙুল ভাঙলেও ঋষভ পন্তের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই। তবে অন্তত ছয় সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। তিনি এশিয়া কাপ এবং সম্ভবত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজও মিস করবেন। পন্তের জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে দেখা যেতে পারে ধ্রুব জুরেলকে। পঞ্চম টেস্টে পন্ত চোটে পড়ার পরই দলে জায়গা পান এই তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটার। তবে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে থাকা পন্তকে হারানো ভারতের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে থাকবে।
চোটে পড়ার আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি সিরিজে ২টি সেঞ্চুরি ও ৩টি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন পন্ত। এমনকি আঙুল ভাঙার পরদিনও তিনি ব্যাট করতে নেমে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। পুরো সিরিজে তিনি ৭ ইনিংসে করেছেন ৪৭৯ রান।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে