নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হিউস্টনে বাংলাদেশের সমর্থকেরা নিঃসন্দেহে প্রথম ম্যাচের পুনরাবৃত্তি চাইবেন না আজ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলের কাছে সবারই হয়তো প্রত্যাশা থাকবে এমন—প্রথম ম্যাচের দুঃস্মৃতি ভুলিয়ে দেওয়ার মতো জয়। নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা সে প্রত্যাশা মেটাতে পারবেন কি না সেই শঙ্কা অবশ্য এই ম্যাচেও থাকছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের ক্ষতে প্রলেপ দিতে হলে টপ অর্ডারের রানে ফেরাও জরুরি। প্রথম ম্যাচ হারের বড় কারণও ছিল লিটন, সৌম্য ও শান্তর ব্যাট থেকে চাহিদা মতো রান না পাওয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে টিম ম্যানেজমেন্টর চিন্তার জায়গাও এটি। প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে ছন্দে ফেরার আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন তাঁরা। নির্বাচক হান্নান সরকারও জানিয়েছেন, লিটন-শান্তদের ফর্মে ফেরার অপেক্ষায় আছেন তাঁরা এবং পুরো দেশ।
শান্ত-লিটনরা প্রমাণিত ক্রিকেটার। তাঁদের প্রমাণ নয়, ফর্মে ফেরা জরুরি মনে করছেন হান্নান। কিছুটা হতাশার সুরেই বললেন, ‘আমরা দেখছি আমাদের এক, দুই, তিন নম্বরে যেভাবে রান চাচ্ছি, সেভাবে পাচ্ছি না। তানজিদ তামিম কিছুটা অবদান রেখেছে অভিষেকের পর। সৌম্য, লিটন সংগ্রাম করছে। শান্তর ব্যাটে আমরা খুব একটা রান পাচ্ছি না। কিন্তু প্রমাণিত খেলোয়াড়। এখানে যদি তানজিদ তামিম ব্যর্থ হতো, তখন বিষয়টা অন্য রকমভাবে আসত। যারা আমাদের প্রমাণিত খেলোয়াড়—লিটন, সৌম্য, শান্ত এরা এমন না যে নতুন ক্রিকেট খেলছে। অনেক দিন খেলে নিজেদের প্রমাণ করেছে।’
লিটন-সৌম্যদের রানে ফেরার অপেক্ষায় বিসিবির নির্বাচকেরা। হান্নান বললেন, ‘এ পর্যায়ে এসে তাদের আর প্রমাণ না, তাদের ফর্মে ফেরাটা সময়ের ব্যাপার। আমরা সেই ফর্মে ফেরার অপেক্ষায় আছি এবং সে ফর্ম যদি বিশ্বকাপের আগে ফিরে আসতে পারে, সেটাও আমাদের প্রাপ্তি হবে। শুধু আমি না, আমরা নির্বাচকেরা না, আমরা পুরো দেশ আশা করছি তারা ফর্মে ফিরে আসুক। মন থেকে সবাই চাচ্ছে। তাদের ফর্মে ফেরাটা সময়ের ব্যাপার। আমার বিশ্বাস, মূল ইভেন্টে ঢোকার আগে সে ফর্মটা ফিরে পাবে ইনশা আল্লাহ।’
দলের মিডল অর্ডারকে পূর্ণ নম্বরই দিচ্ছেন হান্নান। রাখঢাক না রেখে টপ অর্ডার প্রসঙ্গে বললেন, ‘ব্যাটাররা রান করেনি, এর সঙ্গে পুরোপুরি একমত হব না। ব্যাটাররা রান করেছে। যদি নির্দিষ্ট করে বলতে চান, টপ অর্ডারে আমাদের রানটা হয়নি। মাঝখানে রিয়াদ, হৃদয়, জাকের এরা কিন্তু রান করেছে। টপ অর্ডারে আমরা সংগ্রাম করছি, এটা লুকানোর কিছু নেই। লজ্জার কিছু নেই। এটা বাস্তবতা।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হারের পর আজ এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বেশ হতাশা প্রকাশ করেছেন হান্নান। যদিও হারের কারণ হিসেবে ‘অচেনা’ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কথাও বললেন তিনি, ‘দল প্রথম ম্যাচ হেরেছে। এটা আসলে কোনোভাবেই প্রত্যাশা করি না দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হারবে। কন্ডিশন ভিন্ন ছিল, যেটা চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা দেখেছি প্রচুর বাতাস ছিল, খোলা মাঠ ছিল।’
প্রস্তুতির ঘাটতির কথা উল্লেখ করে হান্নান বলেন, ‘দল যখন সেখানে গিয়েছে, যাওয়ার পর প্রস্তুতির যে বিষয়টা, সে দুই দিনও মাঠে নামতে পারেনি সেভাবে করে। প্রস্তুতির একটা ঘাটতি ছিলই, সেখানে যাওয়ার পর কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটা। সেটার একটা প্রভাব প্রথম ম্যাচে পড়েছে আমরা দেখেছি। খেলোয়াড়দের ব্যাটিং-বোলিং প্রতিটা জায়গায় সংগ্রাম করেছে।’

হিউস্টনে বাংলাদেশের সমর্থকেরা নিঃসন্দেহে প্রথম ম্যাচের পুনরাবৃত্তি চাইবেন না আজ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলের কাছে সবারই হয়তো প্রত্যাশা থাকবে এমন—প্রথম ম্যাচের দুঃস্মৃতি ভুলিয়ে দেওয়ার মতো জয়। নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা সে প্রত্যাশা মেটাতে পারবেন কি না সেই শঙ্কা অবশ্য এই ম্যাচেও থাকছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের ক্ষতে প্রলেপ দিতে হলে টপ অর্ডারের রানে ফেরাও জরুরি। প্রথম ম্যাচ হারের বড় কারণও ছিল লিটন, সৌম্য ও শান্তর ব্যাট থেকে চাহিদা মতো রান না পাওয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে টিম ম্যানেজমেন্টর চিন্তার জায়গাও এটি। প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে ছন্দে ফেরার আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন তাঁরা। নির্বাচক হান্নান সরকারও জানিয়েছেন, লিটন-শান্তদের ফর্মে ফেরার অপেক্ষায় আছেন তাঁরা এবং পুরো দেশ।
শান্ত-লিটনরা প্রমাণিত ক্রিকেটার। তাঁদের প্রমাণ নয়, ফর্মে ফেরা জরুরি মনে করছেন হান্নান। কিছুটা হতাশার সুরেই বললেন, ‘আমরা দেখছি আমাদের এক, দুই, তিন নম্বরে যেভাবে রান চাচ্ছি, সেভাবে পাচ্ছি না। তানজিদ তামিম কিছুটা অবদান রেখেছে অভিষেকের পর। সৌম্য, লিটন সংগ্রাম করছে। শান্তর ব্যাটে আমরা খুব একটা রান পাচ্ছি না। কিন্তু প্রমাণিত খেলোয়াড়। এখানে যদি তানজিদ তামিম ব্যর্থ হতো, তখন বিষয়টা অন্য রকমভাবে আসত। যারা আমাদের প্রমাণিত খেলোয়াড়—লিটন, সৌম্য, শান্ত এরা এমন না যে নতুন ক্রিকেট খেলছে। অনেক দিন খেলে নিজেদের প্রমাণ করেছে।’
লিটন-সৌম্যদের রানে ফেরার অপেক্ষায় বিসিবির নির্বাচকেরা। হান্নান বললেন, ‘এ পর্যায়ে এসে তাদের আর প্রমাণ না, তাদের ফর্মে ফেরাটা সময়ের ব্যাপার। আমরা সেই ফর্মে ফেরার অপেক্ষায় আছি এবং সে ফর্ম যদি বিশ্বকাপের আগে ফিরে আসতে পারে, সেটাও আমাদের প্রাপ্তি হবে। শুধু আমি না, আমরা নির্বাচকেরা না, আমরা পুরো দেশ আশা করছি তারা ফর্মে ফিরে আসুক। মন থেকে সবাই চাচ্ছে। তাদের ফর্মে ফেরাটা সময়ের ব্যাপার। আমার বিশ্বাস, মূল ইভেন্টে ঢোকার আগে সে ফর্মটা ফিরে পাবে ইনশা আল্লাহ।’
দলের মিডল অর্ডারকে পূর্ণ নম্বরই দিচ্ছেন হান্নান। রাখঢাক না রেখে টপ অর্ডার প্রসঙ্গে বললেন, ‘ব্যাটাররা রান করেনি, এর সঙ্গে পুরোপুরি একমত হব না। ব্যাটাররা রান করেছে। যদি নির্দিষ্ট করে বলতে চান, টপ অর্ডারে আমাদের রানটা হয়নি। মাঝখানে রিয়াদ, হৃদয়, জাকের এরা কিন্তু রান করেছে। টপ অর্ডারে আমরা সংগ্রাম করছি, এটা লুকানোর কিছু নেই। লজ্জার কিছু নেই। এটা বাস্তবতা।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হারের পর আজ এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বেশ হতাশা প্রকাশ করেছেন হান্নান। যদিও হারের কারণ হিসেবে ‘অচেনা’ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কথাও বললেন তিনি, ‘দল প্রথম ম্যাচ হেরেছে। এটা আসলে কোনোভাবেই প্রত্যাশা করি না দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হারবে। কন্ডিশন ভিন্ন ছিল, যেটা চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা দেখেছি প্রচুর বাতাস ছিল, খোলা মাঠ ছিল।’
প্রস্তুতির ঘাটতির কথা উল্লেখ করে হান্নান বলেন, ‘দল যখন সেখানে গিয়েছে, যাওয়ার পর প্রস্তুতির যে বিষয়টা, সে দুই দিনও মাঠে নামতে পারেনি সেভাবে করে। প্রস্তুতির একটা ঘাটতি ছিলই, সেখানে যাওয়ার পর কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটা। সেটার একটা প্রভাব প্রথম ম্যাচে পড়েছে আমরা দেখেছি। খেলোয়াড়দের ব্যাটিং-বোলিং প্রতিটা জায়গায় সংগ্রাম করেছে।’

২০২৫ সাল শেষে এল ২০২৬। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছেন দেশবাসী। গান বাজনার পাশাপাশি আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে গত রাতে অনেকে উদযাপন করেছেন ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’। কিন্তু দেশে শোকের পরিবেশে নতুন বছরের আগমন উপলক্ষ্যে এমন জমকালো আয়োজন মেনে নিতে পারছেন না।
১৫ মিনিট আগে
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে আফগানিস্তান। এই সংস্করণের বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্বেও আফগানরা শেষ চারে জায়গা করে নেবে বলে মনে করেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার হরভজন সিং।
১২ ঘণ্টা আগে
ভাই হারালেন জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন এই তারকা অলরাউন্ডারের ছোট ভাই মুহাম্মাদ মাহদি। এক বিবৃতিতে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (এনজেডসি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
তিন ভেন্যুতে ২০২৬ বিপিএল হওয়ার কথা থাকলেও এবার সেটা দুই ভেন্যুতে করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের নাম বিপিএলের ভেন্যুর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
১৬ ঘণ্টা আগে