Ajker Patrika

‘ইংল্যান্ড ক্রিকেটে মদপানের কোনো সংস্কৃতি নেই’

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ২১
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলে মদ্যপানের সংস্কৃতি নেই বলে জানিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। ছবি: ক্রিকইনফো
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলে মদ্যপানের সংস্কৃতি নেই বলে জানিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। ছবি: ক্রিকইনফো

অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।

সিডনিতে অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে ইংল্যান্ডের ৫ উইকেটে হারের পর পুরোনো একটি ঘটনা সামনে চলে আসে। নিউজিল্যান্ডের একটি নাইট ক্লাবে মদপান করে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে মারামারি করেছিলেন হ্যারি ব্রুক। সেই ঘটনায় ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল ব্রুককে। পাশাপাশি অ্যাশেজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের মাঝে কুইনসল্যান্ডের নুসা দ্বীপে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মদপানের ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের মধ্যে বেন ডাকেটের মদ্যপ হয়ে রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে।

ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মদপানের খবর নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন এ ব্যাপারে ‘দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। ইংল্যান্ডের এই সাবেক পেসার বলেন, ‘আমার মতে সংস্কৃতিগত দিক থেকে ইংল্যান্ড ভালো। এখানে মদ্যপানের সংস্কৃতি নেই। কয়েকজন ক্রিকেটারের ভুলের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এমন পরিস্থিতি থেকে কাউকে বের করে নিয়ে আসাটা সতীর্থদের দায়িত্ব। বেন ডাকেটকে তো কেউ একা ফেলে আসেনি। হোটেলের রাস্তা সম্পর্কে কোনো কিছুই সে জানত না। হ্যারি ব্রুকও কখনো নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে এমন ঘটনায় জড়ায়নি। আমার মতে এসব ঘটনা দেখে বাজ (ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম) হতাশ হয়ে পড়বেন।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। ২২ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলম্বোর প্রেমাদাসা ও পাল্লেকেলেতে হবে শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড সিরিজের তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি। শ্রীলঙ্কা সফরে রাত ১২টার পর ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের ওপর কারফিউ চালু করা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

ব্রডের মতে কারফিউ চালু করলে সেটা ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। ‘দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে ব্রড বলেন, ‘রাত ১২টার কারফিউ সিস্টেম আমার পছন্দ না। এটার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়নি কখনো। সতীর্থদের ওপর বিশ্বাস ছিল এই ভেবে যে আশপাশের মানুষেরা ঠিক সময়ে আমাদের ঘরে পৌঁছে দেবে।’

১৯৫ উইকেট নিয়ে অ্যাশেজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার শেন ওয়ার্ন। ১৯৯৩ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত অ্যাশেজে ৩৬ ম্যাচের ৭২ ইনিংসে বোলিং করেছিলেন। ১১ বার ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন চারবার। এই তালিকায় (অ্যাশেজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী) দুই ও তিনে থাকা গ্লেন ম্যাকগ্রা ও ব্রডের উইকেট ১৫৭ ও ১৫৩। অ্যাশেজে ৩৬ ম্যাচের ৭২ ইনিংসে বোলিং করে আটবার ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন একবার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত