চেমসফোর্ডে গতকাল শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। তবু আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে নিয়ে আক্ষেপ রয়েছে তামিম ইকবালের। তাঁর মতে, বাংলাদেশের স্কোর আরও বড় হতে পারত।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ। ৪৫.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২৬১ রান। উইকেটে ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। স্কোরবোর্ডে তখন ৩০০ বা আরও বেশি রানের সম্ভাবনা জ্বলজ্বল করছিল। আর এখান থেকেই ধসের শুরু। ৫ উইকেটে ২৬১ রান থেকে অলআউট হয়ে যায় ২৭৪ রানে। তামিমের দল খেলতে পেরেছে ৪৮.৫ ওভার পর্যন্ত। স্কোর বড় না হওয়ার আক্ষেপ ঝরেছে তামিমের। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘আজকের (গতকাল) মতো পরিস্থিতিতে ব্যাটিংয়ে আরও ভালো করা উচিত। প্রথম ২৫ ওভারে আমরা দাপট দেখিয়েছি। ৩০০ থেকে ৩১০-৩১৫ রান করা উচিত ছিল। তবে শেষটা ভালো হয়নি। ৬-৭ নম্বরের জন্য আমরা খেলোয়াড় দেখছি।’
ওয়ানডেতে গতকাল অভিষেক হয়েছে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও রনি তালুকদারের। তবে দুজনের কারোরই মনে রাখার মতো শুরু হয়নি। রনি ১৪ বলে করেছেন ৪ রান এবং মৃত্যুঞ্জয় ৮ ওভার বোলিং করে ৬৪ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। তবু এই দুজনের ওপর ভরসা রাখছেন তামিম, ‘মৃত্যুঞ্জয় যে প্রান্ত থেকে বোলিং করেছে, তা অতটা সহজ না। মাঠের আকৃতি একটু ছোট। একটু এদিক সেদিক হলেই ছক্কা হয়ে যায়। যে যতটুকু বোলিং করেছে, ভালোই করেছে। আর বেশির ভাগ সময় লিটন, আমি ওপেন করি। রনি আজ (গতকাল) ওপেন করেছে। যদিও সে রান পায়নি। সবকিছু আমার হাতেও নেই।’

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে (এসএসসি) সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে দাপট দেখিয়ে খেলছে ভারত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে ৯ উইকেটে ৫০৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে। লঙ্কানরাও তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে রয়েছে চাপে। আজ তৃতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতির আগে ৩২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করেছে শ্রীলঙ্ক
১১ মিনিট আগে
কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন হুলিয়ান আলভারেস। এতটাই ভক্ত-সমর্থকদের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন যে ম্যাচ শেষে একা একা ড্রেসিংরুমে যেতে হয় তাঁকে। জয়ের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন করার সৌভাগ্যও নেই তাঁর। এমন এক পরিস্থিতিতে আলভারেসের পাশে দাঁড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন এক ব্যবসায়ী।
৪২ মিনিট আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যেন থামার নয়। বিশ্বকাপের আংশিক মালিকানা বিক্রির যে প্রস্তাব জুলাই মাসে দিয়েছিলেন, তারপর থেকেই বেশ চাপে তিনি। অনেক ফেডারেশন তাঁর ওপর থেকে সমর্থন সরিয়ে নিয়েছে। তাঁর পদত্যাগেরও দাবি উঠেছে বেশ কিছু ফেডারেশন ও কয়েক জন কিংবদন্তি ফুটবলারের পক্ষ থেকেও।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও পাকিস্তানের আম্পায়ার আহসান রাজা খেলা চালিয়ে যাওয়া যায় কি না, তা পরীক্ষা করে দেখছিলেন। কিন্তু স্বল্প আলোয় খেলতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল মোটেই রাজি ছিল না। বিশেষ করে প্রবাথ জয়াসুরিয়াকে মাঠ ছাড়ার সময় ভীষণ ক্রুব্ধ দেখা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে