
জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও সেই ধারাবাহিকতা বাংলাদেশ পরে আর ধরে রাখতে পারেনি। গুনে গুনে টানা পাঁচ ম্যাচ হারল নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। হাতে এখন এক ম্যাচ থাকলেও সেটা কেবল আনুষ্ঠানিকতার। কারণ, এরই মধ্যে জ্যোতিদের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে।
মুম্বাইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে গতকাল বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে যে দলই হারত, টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেত। জিতলেও থাকত নানা সমীকরণ। সেই ম্যাচ জয়ের কাছাকাছি গিয়েও ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এবারের মেয়েদের বিশ্বকাপে এই ম্যাচেই যে তীরে এসে বাংলাদেশের তরী ডুবেছে, তা নয়। ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততে জিততেও হেরে গেছেন জ্যোতি-স্বর্ণা আক্তাররা। লঙ্কানদের কাছে গতকাল ৭ রানে হেরে যাওয়ার পর ডাগআউটে জ্যোতির হতাশ হয়ে বসে থাকাটাই যে হয়ে রইল বাংলাদেশের প্রতীকী চিত্র। সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘খুব কাছাকাছি গিয়েও তিন ম্যাচ হেরেছি (ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ)। ব্যাপারটা হৃদয়বিদারক।’
২০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৪৪ রানের মধ্যে ফিরে যান রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক (০), ফারজানা হক (৭) ও সোবহানা মোস্তারি (৮)। এরপর শারমিন আক্তার সুপ্তা ও জ্যোতি প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। চতুর্থ উইকেটে ১২০ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। এই জুটি গড়ার পথেই দুঃসংবাদ পায় বাংলাদেশ। ৩৬তম ওভারের তৃতীয় বলে সুগন্দিকা কুমারির বলে সিঙ্গেল নিয়েছেন জ্যোতি। তখনই চোটে পড়ে মাঠ ছাড়েন সুপ্তা। ১০২ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৬৪ রান করেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার।
সুপ্তার আকস্মিক রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে যাওয়াতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গতকাল দলের মোমেন্টাম হারিয়ে গেছে বলে মনে করেন জ্যোতি। ৭ রানে হারের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘ম্যাচটা শুরু থেকেই আমাদের হাতে ছিল। ব্যাটিংটা আমাদের ভালোই হচ্ছিল। সুপ্তার সঙ্গে আমার জুটিটা ভালোই হয়েছিল। পরে তার ক্র্যাম্প হওয়ার কারণে মাঠ ছেড়ে চলে গেল। মোমেন্টাম হারিয়েছি সেখানেই।’
সুপ্তা মাঝপথে চলে গেলেও স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটেই ৫৮ বলে ৫০ রানের জুটি হয়েছিল জ্যোতির। সেই জুটি ভাঙার পরও জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। শেষ ওভারে হাতে ৫ উইকেট নিয়ে ৯ রানের সমীকরণ ছিল তাদের সামনে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর করা ওভার থেকে বাংলাদেশ নিয়েছে কেবল ১ রান। হারিয়েছে ৪ উইকেট। ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেন জ্যোতি। আর শেষদিকে সুপ্তা ফিরে এলেও দলের হারই দেখতে হয়েছে তাঁর।
শেষ মুহূর্তের বাজে ব্যাটিং তো রয়েছেই। ঠিক তেমনি ফিল্ডিংয়েও বাংলাদেশের ভুলভ্রান্তি স্পষ্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষের দিকে ক্যাচ মিস করে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। গতকাল মুম্বাইয়ে ৫৫ ও ৬৯ রানে দুইবার জীবন পাওয়া লঙ্কান ব্যাটার হাসিনি পেরেরা আউট হয়েছেন ৮৫ রান করে। শ্রীলঙ্কার কাছে ৭ রানে হারের পর জ্যোতি বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় আমরা পরিকল্পনা থেকে সরে যাচ্ছি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট হারিয়েছি। জেতা ম্যাচ আসলে হেরে যাওয়া। ভুলটা এখানে আমাদেরই।’ মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায় শুরু হবে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। এটা বিশ্বকাপের লিগ পর্বেরই শেষ ম্যাচ।

নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
৩৫ মিনিট আগে
শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৫ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৫ ঘণ্টা আগে