নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফল অনুমিতই ছিল যেন। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি পদে বড় ব্যবধানে জিতলেন মোহাম্মদ মিঠুন। দুই ঘণ্টার ভোটাভুটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম শাহেদকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন কোয়াবের নতুন সভাপতি হিসেবে।
মিঠুন পেয়েছেন ১৫৪ ভোট, যেখানে শাহেদ পেয়েছেন মাত্র ৩৪ ভোট। ব্যবধান ১২০ ভোটের। দুটি ভোট বাতিল হয়। মোট ২১৫ ভোটারের মধ্যে ৬০ জন অনলাইনে ভোট দেন। ভোট শুরু হওয়ার আগে দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় কোয়াবের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)। এরপর বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।
মিরপুরে আজ কোয়াব নির্বাচন ঘিরে মিলনমেলায় পরিণত হয়। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সরব উপস্থিতি জমিয়ে তোলে পরিবেশ। সাদা পাঞ্জাবি–পায়জামায় হাজির হন তামিম ইকবাল। ভোট দেওয়ার আগে আড্ডায় মেতে ওঠেন সতীর্থদের সঙ্গে। বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও ভোট দিতে আসেন। তাঁকে দেখে এগিয়ে যান তামিম, দুজনে একসঙ্গে হেঁটে প্রবেশ করেন একাডেমি ভবনে।

ভোট দিয়ে বিদায় নেওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে তামিম বলেন, ‘গত ১৬ বছরে এমন পরিবেশ কোয়াব নির্বাচনে দেখিনি। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে আজ প্রথম দেখা হলো, এটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। আমার মনে হয় এখন আসল কাজ শুরু। আমরা যেহেতু পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, নির্বাচনটা হলো। আমি চাই বর্তমান ক্রিকেটাররা নেতৃত্বে থাকুক। এতে সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা সম্ভব হবে। সাবেকদের অবদানও গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই সংগঠন মূলত ৯০ ভাগ বর্তমান ক্রিকেটার কেন্দ্রিক।’
তামিম আরও যোগ করেন, ‘আমার একটাই চাওয়া, বোর্ড যদি ক্রিকেটারদের সব দায়িত্ব নেয়, তাহলে কোয়াবের কোনো কাজই থাকবে না। টাকা-পয়সা, সুযোগ-সুবিধা, সবকিছু যদি বোর্ড সঠিকভাবে দেয়, তবে তো কোনো অভিযোগ থাকবে না। আমরা চাইব কোয়াব থেকে কোনো অভিযোগ বোর্ডে না যায়।’
নির্বাচনে জয়ী হয়ে মিঠুন বলেন, ‘এই জয় মানে ক্রিকেটারদের জয়। দোয়া করবেন যেন ক্রিকেটারদের স্বার্থে কাজ করতে পারি। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।’
সভাপতির পাশাপাশি ৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি আট পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। দুই বছরের মেয়াদী কমিটিতে মিঠুনের সঙ্গে থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, আকবর আলী, রুমানা আহমেদ, শামসুর রহমান শুভ, ইরফান শুক্কুর, খালেদ মাসুদ পাইলট ও ইমরুল কায়েস। এঁদের মধ্যে শান্ত, মিরাজ, আকবর, শুভ, শুক্কুর ও ইমরুল এখনো আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয়।

ফল অনুমিতই ছিল যেন। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি পদে বড় ব্যবধানে জিতলেন মোহাম্মদ মিঠুন। দুই ঘণ্টার ভোটাভুটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম শাহেদকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন কোয়াবের নতুন সভাপতি হিসেবে।
মিঠুন পেয়েছেন ১৫৪ ভোট, যেখানে শাহেদ পেয়েছেন মাত্র ৩৪ ভোট। ব্যবধান ১২০ ভোটের। দুটি ভোট বাতিল হয়। মোট ২১৫ ভোটারের মধ্যে ৬০ জন অনলাইনে ভোট দেন। ভোট শুরু হওয়ার আগে দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় কোয়াবের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)। এরপর বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।
মিরপুরে আজ কোয়াব নির্বাচন ঘিরে মিলনমেলায় পরিণত হয়। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সরব উপস্থিতি জমিয়ে তোলে পরিবেশ। সাদা পাঞ্জাবি–পায়জামায় হাজির হন তামিম ইকবাল। ভোট দেওয়ার আগে আড্ডায় মেতে ওঠেন সতীর্থদের সঙ্গে। বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও ভোট দিতে আসেন। তাঁকে দেখে এগিয়ে যান তামিম, দুজনে একসঙ্গে হেঁটে প্রবেশ করেন একাডেমি ভবনে।

ভোট দিয়ে বিদায় নেওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে তামিম বলেন, ‘গত ১৬ বছরে এমন পরিবেশ কোয়াব নির্বাচনে দেখিনি। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে আজ প্রথম দেখা হলো, এটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। আমার মনে হয় এখন আসল কাজ শুরু। আমরা যেহেতু পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, নির্বাচনটা হলো। আমি চাই বর্তমান ক্রিকেটাররা নেতৃত্বে থাকুক। এতে সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করা সম্ভব হবে। সাবেকদের অবদানও গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই সংগঠন মূলত ৯০ ভাগ বর্তমান ক্রিকেটার কেন্দ্রিক।’
তামিম আরও যোগ করেন, ‘আমার একটাই চাওয়া, বোর্ড যদি ক্রিকেটারদের সব দায়িত্ব নেয়, তাহলে কোয়াবের কোনো কাজই থাকবে না। টাকা-পয়সা, সুযোগ-সুবিধা, সবকিছু যদি বোর্ড সঠিকভাবে দেয়, তবে তো কোনো অভিযোগ থাকবে না। আমরা চাইব কোয়াব থেকে কোনো অভিযোগ বোর্ডে না যায়।’
নির্বাচনে জয়ী হয়ে মিঠুন বলেন, ‘এই জয় মানে ক্রিকেটারদের জয়। দোয়া করবেন যেন ক্রিকেটারদের স্বার্থে কাজ করতে পারি। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।’
সভাপতির পাশাপাশি ৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি আট পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। দুই বছরের মেয়াদী কমিটিতে মিঠুনের সঙ্গে থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, আকবর আলী, রুমানা আহমেদ, শামসুর রহমান শুভ, ইরফান শুক্কুর, খালেদ মাসুদ পাইলট ও ইমরুল কায়েস। এঁদের মধ্যে শান্ত, মিরাজ, আকবর, শুভ, শুক্কুর ও ইমরুল এখনো আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয়।

বিপিএলের চলতি পর্বে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমে ধারাবাহিকভাবে রান করছেন তাওহীদ হৃদয়। তবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁকে দিয়ে ওপেনিং করানোর পরিকল্পনা নেই বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাসের। সবকিছু ঠিক থাকলে মিডল অর্ডারেই নামতে হবে হৃদয়কে।
৩৮ মিনিট আগে
হাসান মাহমুদকে স্কয়ার লেগে বলটা ঠেলে তাওহীদ হৃদয় ২ রান নিতেই রংপুর রাইডার্সের ডাগআউট থেকে ভেসে আসে করতালির শব্দ। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর হৃদয় হেলমেট খুলে উঁচিয়ে ধরলেন তাঁর ব্যাট। তিন অঙ্ক ছুঁয়ে মিরপুর শেরেবাংলার পিচে সিজদা দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। তবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো দূর হয়নি। চলমান সংকটের মাঝেই এবার আইসিসির চিন্তা বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের সমস্যার সমাধান করতে না পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে তারা। এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের
৪ ঘণ্টা আগে
৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
৫ ঘণ্টা আগে