
রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ফের চার পয়েন্ট এগিয়ে যেতে রীতিমতো ঘাম ছুটে গেছে বার্সেলোনার। আথলেতিক বিলবাওকে কাতালানরা হারিয়েছে ন্যূনতম ব্যবধানে; ১-০ গোলে। তবে যেভাবেই হোক, জিততে পেরেছেন এটা ভেবেই খুশি বার্সার প্রধান কোচ হান্সি ফ্লিক।
সান মেমেসে প্রথমার্ধে নিজেদের হারিয়ে খুঁজেছে বার্সা। তবে বিরতির পর খোলস পাল্টে তুলনামূলক ভালো ফুটবল খেলেছে সফরকারী দল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হয়ে ব্যবধান গড়ে দেন লামিনে ইয়ামাল। ৬৮ মিনিটে ডি বক্সে পেদ্রির কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে দুরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার। তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না বিলবাও গোলরক্ষক উনাই সিমনের। বাকিটা সময় আর গোলটার শোধ দিতে পারেনি স্বাগতিকেরা।
এই জয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছে বার্সা। ২৭ ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ৬৭ পয়েন্ট। ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছে রিয়াল। তিনে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের নামের পাশে আছে ৫৪ পয়েন্ট। টেবিলের এই চিত্রই বলছে–শিরোপার লড়াইটা হচ্ছে কেবল বার্সা এবং রিয়ালের মধ্যেই।
বিলবাওয়ের বিপক্ষে জয়ের পর ফ্লিক বলেন, ‘আমি ভীষণ খুশি। আমরা খুব ভালোভাবেই জানতাম এই জয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং বিলবাওয়ের মাঠে জেতা কতটা কঠিন। মঙ্গলবারের ম্যাচে অনেক পরিশ্রম করার পর এই ম্যাচটা সহজ ছিল না। তাই আমার খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানাই। ম্যাচের আগে যেমন বলেছিলাম, কিছু খেলোয়াড়ের খেলার সময়টা আমাদের ঠিকভাবে সামলাতে হতো। গোল না খেয়ে জয় পাওয়াটা খুবই ভালো লাগছে, এটা আমি সত্যিই মূল্য দিই।
বিলবাওয়ের বিপক্ষে দাপুটে ফুটবল খেলতে না পারলেও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করতে ভুলেননি ফ্লিক, ‘আমি সব সময়ই আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত। এই দলে পরিবেশটা সত্যিই বিশেষ। তাদের মধ্যে যে ঐক্য আর আচরণ দেখি, সেটা অসাধারণ। তারা যেভাবে একসঙ্গে থাকে, সেটা আমাকে মুগ্ধ করে। তাই আজ আমি সত্যিই খুব খুশি।
চার পয়েন্ট এগিয়ে থাকায় শিরোপা ধরে রাখার মিশনে বেশ আত্মবিশ্বাসী ফ্লিক। তিনি বলেন, ‘এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে, কারণ আমরা দল হিসেবে একসঙ্গে লড়াই করি—এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজের সেরাটা দেয় এবং দলের জন্য লড়ে। আজ আমরা ক্লিন শিটও রাখতে পেরেছি। তিন পয়েন্ট পাওয়ায় আমি খুশি, আর আমাদের লিড আবার চার পয়েন্টে ফিরেছে—এটাও আনন্দের।’

মোহাম্মদ সিরাজ, গৌতম গম্ভীরসহ ভারতীয় ডাগআউট তখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কারণ, হাতে ১ উইকেট নিয়ে শেষ দুই ওভারে নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিল ১০২ রান। প্রত্যেক বলে ছক্কা মারলেও ৭২ রানের বেশি হয় না। শেষ পর্যন্ত ৯৬ রানের বিশাল জয়ে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল ভারত। এবার তারা ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস
৩১ মিনিট আগে
আরও একবার সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ফিরলেন সঞ্জু স্যামসন। তাতে কি, ভারত কি সুবিধা পাচ্ছে না? টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করে টিকে থাকার চেয়ে দ্রুত রান তোলাই বেশি কার্যকরী। সর্বশেষ দুই ইনিংসের মতো স্যামসন ফাইনালেও ঠিক একই কাজটা করলেন সুনিপুণভাবে। প্রথমটি জয়ের পর ভারত পরের দুটিতে গড়েছে শক্ত ভিত।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো এবার আর নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম নীল সমুদ্র নিস্তব্ধতায় ডুবে যায়নি। সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল আয়োজকেরা। তাতে হৃদয় ভেঙেছিল দর্শকদের। এবার তার তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তি হলো না। একের পর এক রেকর্ড গড়ে সেই মাঠেই শিরোপা উৎসবে মাতল ভারতীয়রা।
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা ভারত কি সহজ ভুলতে পারবে? বোধহয় না। সেবার অপরাজিত থেকে ফাইনালে পা রেখেছিল আয়োজকেরা। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর পেরে উঠেনি। আহমেবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় প্যাট কামিন্সের অস্ট্রেলিয়া।
১২ ঘণ্টা আগে