
বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিফার নিষেধাজ্ঞার পরও থামেনি আলোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তাঁর দাবি, সেই ঘটনার জন্য স্পেনের খেলোয়াড়দের কোনো দায় ছিল না; বরং তাঁরা ছিলেন ভুক্তভোগী।
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় আগে। তবে ম্যাচের পরের বিতর্কিত ঘটনাগুলো নতুন করে আলোচনায় আসে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির শাস্তির ঘোষণায়।
আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ১০ ম্যাচ এবং নাহুয়েল মোলিনাকে ৭ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রবার্তো আয়ালা পেয়েছেন ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা, আর থিয়াগো আলমাদাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ১ ম্যাচ। স্পেনের গাভিকেও এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে পারছেন না লা ফুয়েন্তে। তাঁর কাছে ফাইনালের পরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি পুরোপুরি অসহনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি। লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা ছিল ভুক্তভোগী এবং ওই পরিস্থিতির কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
ঘটনার পর আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি তাঁকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানান লা ফুয়েন্তে। তাঁর দাবি, ফাইনালের পর ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার কোচ। দলটির কয়েকজন ফুটবলারও স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে জানান লা ফুয়েন্তে।
তবে শুধু শাস্তি দিয়েই বিষয়টির সমাধান চান না দে লা ফুয়েন্তে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি, ‘ফুটবল একটি সমাজের ঐক্যের প্রতীক। ঐক্য, শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক। কিন্তু এর কিছু কুৎসিত দিকও আছে, যেগুলোই সাধারণত বেশি আলোচনায় আসে। এটিও তেমনই একটি ঘটনা। এগুলো সামনে আনতে হবে, যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। এগুলো অসহনীয়, অগ্রহণযোগ্য।’

কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন দিনুশা। শেষ পর্যন্ত ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ১৬২ বলে ১০৩ রান করে থামেন তিনি। তাঁর সেঞ্চুরি অবশ্য শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅন থেকে বাঁচাতে পারেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ফাইনালের পর সংঘর্ষের ঘটনায় পারেদেসকে ১০ ম্যাচ এবং মলিনাকে ৭ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। আর্জেন্টিনার আরেক খেলোয়াড় থিয়াগো আলমাদাকে দেওয়া হয়েছে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা। স্কালোনির সহকারী রবার্তো আয়ালাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তিন ম্যাচের জন্য। একই ঘটনায় স্পেনের গাভি পেয়েছেন এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।
২ ঘণ্টা আগে
কানসাস সিটিতে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এমবোলো। এর আগে ১-১ গোলে সমতায় ফিরেছিল সুইজারল্যান্ড। এমবোলোর আদায় করা ফাউলের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি।
৪ ঘণ্টা আগে
গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলে সহায়তার দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে ২১টি গোলে সহায়তা করেন ফার্নান্দেজ। পাশাপাশি ইউনাইটেডের হয়ে করেন ৯ গোল। মাইকেল ক্যারিকের অধীনে দলের ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্সে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার যোগ্যতা
৪ ঘণ্টা আগে