ক্রীড়া ডেস্ক

অল্প পুঁজি নিয়েও সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল রংপুর রাইডার্স। তাতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি। এলিমিনেটরে শেষ বলের নাটকীয়তায় মেহেদী হাসান মিরাজের দলের কাছে ২ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে রংপুর। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক লিটন দাস।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন ব্যাট হাতে দুই দলকেই ভুগতে দেখা গেছে। বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন পেসাররা। দুই দলের পতন হওয়া ১৬ উইকেটের মধ্যে ১১টাই নিয়েছেন পেসাররা। আগে ব্যাট করে রংপুরের পুঁজি ছিল ১১১ রানের। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বেগ পেতে হয়েছে সিলেটকে। জমে ওঠা ম্যাচে শেষ ওভারে তাদের সামনে ৯ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। প্রথম ৫ বলে মাত্র ৩ রান দেন রংপুরের পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। হারের শঙ্কা তৈরি হয় সিলেট শিবিরে।
জেতার জন্য শেষ বলে ৬ রান দরকার ছিল সিলেটের। স্ট্রাইকে ছিলেন ক্রিস ওকস। রংপুরের ডাগআউট তখন যেন জয়ের অপেক্ষা। নিজেদের জন্য সমীকরণ সহজ হয়ে আসায় চেয়ার ছেড়ে ওঠে দাঁড়ান রংপুরের দুই মিকি আর্থার ও মোহাম্মদ আশরাফুল। রিজার্ভ খেলোয়াড় এবং স্টাফদেরও মুখেও ছিল হাসির ছাপ। কিন্তু সবাইকে হতাশ করতে বেশি সময় নেননি ওকস। ফাহিমের করা শেষ বলে ডিপ এক্সট্রা কাভার দিয়ে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। সেই সঙ্গে সিলেটের ডাগআউট এবং গ্যালারিতে শুরু হয় উদযাপন। বিপরীত চিত্র রংপুর শিবিরে। কেউ মাঠেই বসে পড়েন। কাউকে দেখা যায় মন খারাপ করে মাঠ ছাড়তে। দুই দলের লড়াই ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত মিরপুরের বাজে উইকেটের আলোচনা সামনে ওঠে এসেছে।
এলিমিনেটরে হেরে লিটন বলেন, ‘আমি বলতে চাই, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলার জন্য এটি আদর্শ উইকেট ছিল না, বিশেষ করে কোয়ালিফায়ারের মতো পর্বে এসে। এটি (উইকেট) কেবল বোলারদের জন্য ছিল।’

অল্প পুঁজি নিয়েও সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল রংপুর রাইডার্স। তাতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি। এলিমিনেটরে শেষ বলের নাটকীয়তায় মেহেদী হাসান মিরাজের দলের কাছে ২ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে রংপুর। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক লিটন দাস।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন ব্যাট হাতে দুই দলকেই ভুগতে দেখা গেছে। বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন পেসাররা। দুই দলের পতন হওয়া ১৬ উইকেটের মধ্যে ১১টাই নিয়েছেন পেসাররা। আগে ব্যাট করে রংপুরের পুঁজি ছিল ১১১ রানের। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বেগ পেতে হয়েছে সিলেটকে। জমে ওঠা ম্যাচে শেষ ওভারে তাদের সামনে ৯ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। প্রথম ৫ বলে মাত্র ৩ রান দেন রংপুরের পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। হারের শঙ্কা তৈরি হয় সিলেট শিবিরে।
জেতার জন্য শেষ বলে ৬ রান দরকার ছিল সিলেটের। স্ট্রাইকে ছিলেন ক্রিস ওকস। রংপুরের ডাগআউট তখন যেন জয়ের অপেক্ষা। নিজেদের জন্য সমীকরণ সহজ হয়ে আসায় চেয়ার ছেড়ে ওঠে দাঁড়ান রংপুরের দুই মিকি আর্থার ও মোহাম্মদ আশরাফুল। রিজার্ভ খেলোয়াড় এবং স্টাফদেরও মুখেও ছিল হাসির ছাপ। কিন্তু সবাইকে হতাশ করতে বেশি সময় নেননি ওকস। ফাহিমের করা শেষ বলে ডিপ এক্সট্রা কাভার দিয়ে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। সেই সঙ্গে সিলেটের ডাগআউট এবং গ্যালারিতে শুরু হয় উদযাপন। বিপরীত চিত্র রংপুর শিবিরে। কেউ মাঠেই বসে পড়েন। কাউকে দেখা যায় মন খারাপ করে মাঠ ছাড়তে। দুই দলের লড়াই ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত মিরপুরের বাজে উইকেটের আলোচনা সামনে ওঠে এসেছে।
এলিমিনেটরে হেরে লিটন বলেন, ‘আমি বলতে চাই, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলার জন্য এটি আদর্শ উইকেট ছিল না, বিশেষ করে কোয়ালিফায়ারের মতো পর্বে এসে। এটি (উইকেট) কেবল বোলারদের জন্য ছিল।’

প্লে অফ সামনে রেখে ক্রিস ওকসকে দলে নিয়েছে সিলেট টাইটানস। আজ এলিমিনেটরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিপিএলে অভিষেক হয় সাবেক এই ইংলিশ অলরাউন্ডারের। অভিষেকেই শেষ বলে ছক্কা মেরে সিলেটকে জিতিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। ওকস জানালেন, তাঁর বিপিএলে আসার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন মঈন আলী।
২৫ মিনিট আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে ঘুরতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। মিরপুর শেরেবাংলায় আজ রংপুর রাইডার্স-সিলেট টাইটানস এলিমিনেটর ম্যাচ শেষে যখন সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন, বেশির ভাগ প্রশ্নই হয়েছে বিশ্বকাপকেন্দ্রিক।
৩০ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ছোটোখাটো এক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। আইসিসি ইভেন্টের আগমুহূর্তে একের পর এক প্রোটিয়া ক্রিকেটার চোটে পড়ছেন। এই তালিকায় এবার যোগ হলেন ডেভিড মিলার।
১ ঘণ্টা আগে
হারলেই বাদ, জিতলেও ফাইনালে যেতে হলে পেরোতে হবে আরও এক ধাপ—মিরপুরে আজ দুপুরে রংপুর রাইডার্স-সিলেট টাইটানস খেলতে নেমেছে এই সমীকরণ মাথায় নিয়েই। স্কোরবোর্ডে বেশি রান না উঠলেও সিলেট-রংপুরের লড়াই হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। টানটান উত্তেজনায় পূর্ণ ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা মেরে সিলেটকে ৩ উইকেটের জয় এনে দিলেন ক্রিস ওকস।
৩ ঘণ্টা আগে