এবার প্যারিস অলিম্পিকে যোগ দিয়েছেন ২০৬টি দেশের অ্যাথলেটরা। সিন নদীতে গতকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ ও দলের অ্যাথলেটরা মার্চপাস্ট করে এগিয়ে আসছিলেন আর ধারাভাষ্যকার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিল দেশগুলোকে।
মার্চপাস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার নৌযান দৃশ্যমান হতেই ধারাভাষ্যকরের ঘোষণা, ‘ডেমোক্রেটিক পিপল’স রিপাবলিক অব কোরিয়া! আরে, এই নাম তো উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম! ঘোষক সবাইকে চমকে দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দেওয়ার মতো ভুল করে বসলেন।
শুধু ইংলিশ নয়, ফরাসি ভাষায়ও দক্ষিণ কোরিয়া দলকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় উত্তর কোরিয়ার নামে এবং উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও একই নাম ব্যবহার করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি নাম ‘দা রিপাবলিক অব কোরিয়া।’
অপ্রত্যাশিত এই ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছেন, ‘২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঘোষণার সময় দক্ষিণ কোরিয়া দলকে উত্তর কোরিয়া দল হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রধান টমাস বাখকে বৈঠকে বসার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।
ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া অলিম্পিক আয়োজকদের কাছে অভিযোগ জানালে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে