Ajker Patrika

চার বছর পর ‘বোমা ফাটালেন’ সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ১২
চার বছর পর ‘বোমা ফাটালেন’ সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক
চার বছর পর ভুল স্বীকার করেছেন সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জানা। ছবি: সংগৃহীত

কোভিড-১৯ মহামারির সময় নেওয়া এক ভুল সিদ্ধান্তের দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন গ্রানিত জাকা। ২০২২ সালে টিকা না নিয়েও ভুয়া টিকা সনদ সংগ্রহ করেছিলেন সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক ও সান্ডারল্যান্ডের এই মিডফিল্ডার। পুরোনো সেই ঘটনায় এখন তদন্তের মুখে পড়েছেন তিনি। এর জেরে আসন্ন নেশনস লিগের চারটি ম্যাচের সুইজারল্যান্ড দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

কোভিডের সময় জাকা ছিলেন আর্সেনালের খেলোয়াড়। পরে ২০২৩ সালে তিনি যোগ দেন বায়ার লেভারকুসেনে, আর দুই বছর পর পাড়ি জমান সান্ডারল্যান্ডে। অর্থাৎ ঘটনাটির সঙ্গে তাঁর বর্তমান ক্লাবের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। সান্ডারল্যান্ডও জানিয়েছে, ২০২২ সালের বিষয় হওয়ায় তারা এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করবে না।

আজ ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাকা নিজেই অতীতের সেই সিদ্ধান্তের কথা সামনে আনেন। সেখানে তিনি জানান, টিকা সম্পর্কে নিজের প্রশ্ন ও উদ্বেগের সমাধান যথাযথ উপায়ে না খুঁজে তিনি ভুল পথ বেছে নিয়েছিলেন। জাকা লিখেছেন, ‘সে সময় ব্যক্তিগতভাবে খুবই দ্বিধায় ছিলাম এবং কোভিডের টিকা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ কাজ করছিল। টিকার প্রতি গভীর অবিশ্বাস ও ভয় আমাকে গ্রাস করেছিল। সেই মানসিক অবস্থায় নিজের প্রশ্নগুলোর যথাযথ সমাধান খোঁজার বদলে একটি টিকা সনদ সংগ্রহ করেছিলাম আমি। এখন স্পষ্ট বুঝতে পারছি, সেই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি ছিল আমার ভুল। আমি দুঃখিত এবং এই সিদ্ধান্তের দায় নিচ্ছি।’

সুইজারল্যান্ডের লুসার্নের ক্যান্টনাল প্রসিকিউটর কার্যালয় এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আগামী সপ্তাহে জাকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। মহামারির সময় লুসার্নের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একাধিক ভুয়া কোভিড সনদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছিল। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রসিকিউটর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভুয়া সনদ সংগ্রহ বা নথি জালিয়াতির সঙ্গে জাকার কোনো অপরাধমূলক সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, সেটিই তদন্তের মূল বিষয়। অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে মামলা হলে জাকার বড় অঙ্কের জরিমানা হতে পারে। আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত