নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্স। তাতে সিলেটে আজ জয় ৯ উইকেটে। যে জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখে নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচে ১৩৭ রান তাড়া করে ৩৯ বল হাতে রেখে জিতেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও বাংলাদেশ জিতেছে ৪১ বল হাতে রেখে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ওভারপিছু রান তুলেছিল ১০.২২ রেটে। কিন্তু লক্ষ্য তাড়ায় গতকাল রান রেট ছিল বেশ কম—৭.৮৯।
আগের ম্যাচে বাংলাদেশের চার ব্যাটারের তিনজনেরই ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৫-এরও বেশি। কিন্তু আজ স্বাগতিক কোনো ব্যাটারই ব্যাটিং স্ট্রাইক রেটকে ১৪০-এর ঘরে নিতে পারেননি।
মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমান ও তানজিদ হাসান তামিম ৪০ রান যোগ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ২৩ রান করে ইমন ডাচদের শিকার হলে ভাঙে এ জুটি। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক লিটন দাস। দেখেশুনে খেলে দুজনেই খেলা শেষ করে এসেছেন। ৪৬ বলে ৬৪ রান করে অবিচ্ছিন্ন থাকেন তাঁরা। ৪০ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫৪ করেন তানজিদ। ৪টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইক রেট ১৩৫। আর ১৮ বলে ১৮ করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক লিটন।
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১০৩ রান তোলে নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে যা ডাচদের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। আগের সর্বনিম্ন ছিল ১৩১ রান। ২০১২ সালে দ্য হেগে এ রান তুলেছিল ডাচরা।
ইনিংসের শুরু থেকে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে সফরকারী নেদারল্যান্ডস দল। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে ঝড় তুলেছিলেন তাসকিন আহমেদ, স্পিনে দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছিলেন সাইফ হাসান। বল হাতে এ দিনও আঁটসাঁট বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ (২/২২), মোস্তাফিজুর রহমান (২/১৮)। এ দুই পেসারের সঙ্গে নাসুম আহমেদও জ্বলে উঠে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নিলে ১৭.৩ ওভারে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
দলীয় ১৪ রানে জোড়া উইকেট হারিয়ে ডাচদের ব্যাটিং বিপর্যয়ের শুরু। একপর্যায়ে ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তখন অবশ্য মনে হয়েছিল, এক শর নিচেই হয়তো অলআউট হয়ে যাবে নেদারল্যান্ডস। কিন্তু সেটা হয়নি ৯ নম্বরে নামা আরিয়ান দত্তের কারণে। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ২৪ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন এ টেল এন্ডার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে ওপেনার বিক্রমজিতের ব্যাটে। এ দুজনের বাইরে দুই অঙ্কের রান করেছেন আরও একজন—শারিজ আহমেদ (১২)। শেষ জুটিতে ১৮ বলে ২২ রান যোগ করেন দত্ত ও ড্যানিয়েল ডোরাম।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্স। তাতে সিলেটে আজ জয় ৯ উইকেটে। যে জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখে নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচে ১৩৭ রান তাড়া করে ৩৯ বল হাতে রেখে জিতেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও বাংলাদেশ জিতেছে ৪১ বল হাতে রেখে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ওভারপিছু রান তুলেছিল ১০.২২ রেটে। কিন্তু লক্ষ্য তাড়ায় গতকাল রান রেট ছিল বেশ কম—৭.৮৯।
আগের ম্যাচে বাংলাদেশের চার ব্যাটারের তিনজনেরই ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৫-এরও বেশি। কিন্তু আজ স্বাগতিক কোনো ব্যাটারই ব্যাটিং স্ট্রাইক রেটকে ১৪০-এর ঘরে নিতে পারেননি।
মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমান ও তানজিদ হাসান তামিম ৪০ রান যোগ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ২৩ রান করে ইমন ডাচদের শিকার হলে ভাঙে এ জুটি। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক লিটন দাস। দেখেশুনে খেলে দুজনেই খেলা শেষ করে এসেছেন। ৪৬ বলে ৬৪ রান করে অবিচ্ছিন্ন থাকেন তাঁরা। ৪০ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫৪ করেন তানজিদ। ৪টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইক রেট ১৩৫। আর ১৮ বলে ১৮ করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক লিটন।
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১০৩ রান তোলে নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে যা ডাচদের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। আগের সর্বনিম্ন ছিল ১৩১ রান। ২০১২ সালে দ্য হেগে এ রান তুলেছিল ডাচরা।
ইনিংসের শুরু থেকে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে সফরকারী নেদারল্যান্ডস দল। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে ঝড় তুলেছিলেন তাসকিন আহমেদ, স্পিনে দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছিলেন সাইফ হাসান। বল হাতে এ দিনও আঁটসাঁট বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ (২/২২), মোস্তাফিজুর রহমান (২/১৮)। এ দুই পেসারের সঙ্গে নাসুম আহমেদও জ্বলে উঠে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নিলে ১৭.৩ ওভারে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
দলীয় ১৪ রানে জোড়া উইকেট হারিয়ে ডাচদের ব্যাটিং বিপর্যয়ের শুরু। একপর্যায়ে ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তখন অবশ্য মনে হয়েছিল, এক শর নিচেই হয়তো অলআউট হয়ে যাবে নেদারল্যান্ডস। কিন্তু সেটা হয়নি ৯ নম্বরে নামা আরিয়ান দত্তের কারণে। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ২৪ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন এ টেল এন্ডার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে ওপেনার বিক্রমজিতের ব্যাটে। এ দুজনের বাইরে দুই অঙ্কের রান করেছেন আরও একজন—শারিজ আহমেদ (১২)। শেষ জুটিতে ১৮ বলে ২২ রান যোগ করেন দত্ত ও ড্যানিয়েল ডোরাম।

২০২৪ সালের মে মাসে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেন বিরাট কোহলি। ভারতের সাবেক ব্যাটারের এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছেন না বাংলাদেশের সাবেক পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটারের মতে, আগেভাগেই লম্বা সংস্করণ থেকে বিদায় নিয়েছেন কোহলি।
৩৭ মিনিট আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক মাসও বাকি নেই। আইসিসির ইভেন্ট মাঠে গড়ানোর আগে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এবার পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারদের ভিসা ভারত প্রত্যাখ্যান করেছে বলে শোনা গেছে।
৪০ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যস্ত সময় পার করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। কমপক্ষে ছয়টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে দলটি। যার প্রথমটি শুরু হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। সেই দল ঘোষণায় চমক দেখাল ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লুআই)।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও ভেন্যু দুই মাস আগে থেকে ঘোষণা করা হলেও শেষমুহূর্তে এসে জটিলতা তৈরি হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের মাঠে কোনো ম্যাচ খেলতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে সভা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)।
৩ ঘণ্টা আগে