ক্রীড়া ডেস্ক

বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা যে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ভালোই জানা। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর রংপুর রাইডার্সের কাছে ৭ উইকেটে হারের পর জয়রথ ছুটছে চট্টগ্রামের। নতুন বছরে দুটি ম্যাচই দাপটের সঙ্গে জিতেছে শেখ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম। উড়তে থাকা চট্টগ্রামের কাছে এবার ধরাশায়ী সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে পরশু ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল চট্টগ্রাম। ঢাকার দেওয়া ১২৩ রানের লক্ষ্য ৪৪ বল হাতে রেখে তাড়া করে জিতেছিল চট্টগ্রাম। একই মাঠে আজ স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষেও ১০ উইকেটে প্রায় জিতেই গিয়েছিল চট্টগ্রাম। তবে নাঈম শেখ আউট হওয়াতে সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভার হাতে রেখে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জেতে চট্টগ্রাম। তাতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম। রাজশাহী, চট্টগ্রাম দুই দলেরই পয়েন্ট ৬। তবে +১.৫১৭ নেট রানরেট নিয়ে সবার ওপরে চট্টগ্রাম। দুইয়ে থাকা রাজশাহীর নেট রানরেট +০.১৪৫।
১২৭ রানের লক্ষ্যে নেমে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন ও নাঈম শেখ ম্যাচের লাগাম অনেকটা নিজের করে নিয়েছেন। রসিংটন-নাঈম দুজনেই ফিফটি করেছেন। ৮২ বলে ১১৫ রানের জুটি গড়েন তাঁরা (রসিংটন-নাঈম)। ১৪তম ওভারের চতুর্থ বলে সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার রাহাতুল ফেরদৌসকে তুলে মারতে যান নাঈম। লং অন থেকে দৌড়ে এসে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ ধরেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। ৩৭ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রান করেন নাঈম।
নাঈমের বিদায়ের পর ৩৮ বলে ১২ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে চট্টগ্রাম। হাতে ৯ উইকেট নিয়ে মাত্র ১৪ বলেই খেলা শেষ করে মাঠ ছাড়েন অ্যাডাম রসিংটন ও সাদমান ইসলাম। ১৬তম ওভারের শেষ বলে রাহাতুলকে চার মেরে চট্টগ্রামকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান রসিংটন। ৫৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। ২৪ বল হাতে রেখে পাওয়া ৯ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন নাঈম।
স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। আগে ব্যাটিং পাওয়া সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করে ১২৬ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪১ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন আফগান এই অলরাউন্ডার। চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী ও মির্জা বেগ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরীফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও আমির জামাল।
বিপিএল ইতিহাসে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার টানা দুই ম্যাচে কোনো দলের উদ্বোধনী জুটি সেঞ্চুরি পেরিয়েছে। পরশু সিলেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১২৩ রানের জুটি গড়েছিলেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার রসিংটন-নাঈম। আজ সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে তাঁদের জুটিটা হলো ১১৫ রানের। এর আগে ২০১২ বিপিএলে বরিশাল বার্নসের দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ-ব্র্যাড হজ চিটাগং কিংস ও দুরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে ১০৯ ও ১০৩ রানের দুটি উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন।

বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা যে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ভালোই জানা। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর রংপুর রাইডার্সের কাছে ৭ উইকেটে হারের পর জয়রথ ছুটছে চট্টগ্রামের। নতুন বছরে দুটি ম্যাচই দাপটের সঙ্গে জিতেছে শেখ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম। উড়তে থাকা চট্টগ্রামের কাছে এবার ধরাশায়ী সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে পরশু ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল চট্টগ্রাম। ঢাকার দেওয়া ১২৩ রানের লক্ষ্য ৪৪ বল হাতে রেখে তাড়া করে জিতেছিল চট্টগ্রাম। একই মাঠে আজ স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষেও ১০ উইকেটে প্রায় জিতেই গিয়েছিল চট্টগ্রাম। তবে নাঈম শেখ আউট হওয়াতে সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভার হাতে রেখে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জেতে চট্টগ্রাম। তাতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম। রাজশাহী, চট্টগ্রাম দুই দলেরই পয়েন্ট ৬। তবে +১.৫১৭ নেট রানরেট নিয়ে সবার ওপরে চট্টগ্রাম। দুইয়ে থাকা রাজশাহীর নেট রানরেট +০.১৪৫।
১২৭ রানের লক্ষ্যে নেমে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন ও নাঈম শেখ ম্যাচের লাগাম অনেকটা নিজের করে নিয়েছেন। রসিংটন-নাঈম দুজনেই ফিফটি করেছেন। ৮২ বলে ১১৫ রানের জুটি গড়েন তাঁরা (রসিংটন-নাঈম)। ১৪তম ওভারের চতুর্থ বলে সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার রাহাতুল ফেরদৌসকে তুলে মারতে যান নাঈম। লং অন থেকে দৌড়ে এসে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ ধরেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। ৩৭ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রান করেন নাঈম।
নাঈমের বিদায়ের পর ৩৮ বলে ১২ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে চট্টগ্রাম। হাতে ৯ উইকেট নিয়ে মাত্র ১৪ বলেই খেলা শেষ করে মাঠ ছাড়েন অ্যাডাম রসিংটন ও সাদমান ইসলাম। ১৬তম ওভারের শেষ বলে রাহাতুলকে চার মেরে চট্টগ্রামকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান রসিংটন। ৫৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। ২৪ বল হাতে রেখে পাওয়া ৯ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন নাঈম।
স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। আগে ব্যাটিং পাওয়া সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করে ১২৬ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪১ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন আফগান এই অলরাউন্ডার। চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী ও মির্জা বেগ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরীফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও আমির জামাল।
বিপিএল ইতিহাসে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার টানা দুই ম্যাচে কোনো দলের উদ্বোধনী জুটি সেঞ্চুরি পেরিয়েছে। পরশু সিলেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১২৩ রানের জুটি গড়েছিলেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার রসিংটন-নাঈম। আজ সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে তাঁদের জুটিটা হলো ১১৫ রানের। এর আগে ২০১২ বিপিএলে বরিশাল বার্নসের দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ-ব্র্যাড হজ চিটাগং কিংস ও দুরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে ১০৯ ও ১০৩ রানের দুটি উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন।

মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে চার জাতি আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
২৯ মিনিট আগে
যেখানে শুরুর আগে বলার আগেই শেষ—অন্যতম জনপ্রিয় এক বাংলা গানের এই লাইনটি আজ সিলেট টাইটান্স-নোয়াখালী এক্সপ্রেস ম্যাচ দেখে অনেকের মনে পড়তেই পারে। শুরুতেই নোয়াখালী যখন ৬১ রানে গুটিয়ে যায়, তখন আর ম্যাচের বাকি কী থাকে! সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স সহজেই ম্যাচ জিতে গেছে।
৩৯ মিনিট আগে
রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন জো রুট। গড়ে চলেছেন একের পর এক রেকর্ড। সিডনিতে আজ অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে অনবদ্য এক সেঞ্চুরি করেছেন। রুটের রেকর্ড সেঞ্চুরির পর জবাব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়াও।
৪৪ মিনিট আগে
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের সীমানার ধারে বিজ্ঞাপন বোর্ডে তখন দুই দলের নাম বড় করে দেখা যাচ্ছে। ডেজার্ট ভাইপার্সের নামের পাশে লেখা চ্যাম্পিয়ন। প্রতিদ্বন্দ্বী এমআই এমিরেটসের পাশে লেখা রানার্সআপ। এই রানার্সআপ দলেরই যে অংশ সাকিব আল হাসান।
২ ঘণ্টা আগে