
ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পা রেখেছে ব্রাজিল। হিউস্টনে শেষ বত্রিশের ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। নাটকীয় সেই জয়ের নায়ক গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে তাঁর গোলেই জয় নিশ্চিত হয় সেলেসাওদের।
জয়ের পর তাই আবেগে ভাসছেন মার্তিনেল্লি। তবে মনে মনে ঠিকই জানতেন সুযোগ আসবেই। প্রথমার্ধে দল পিছিয়ে পড়লেও মনোবল হারাননি তিনি। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে মাথিয়াস কুনিয়ার পরিবর্তে তাঁকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন এই উইঙ্গার।
ম্যাচ শেষে মার্তিনেল্লি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার হৃদয়ে যে আনন্দ হচ্ছে, তা বর্ণনা করার মতো কোনো শব্দ আমার জানা নেই। এটা আসলে বুঝিয়ে বলা অসম্ভব। পুরো বিষয়টা নিজের ভেতর উপলব্ধি করতে আমার আরও কিছুটা সময় লাগবে। গত দিন আমার একটি শট পোস্টে লেগেছিল, তবে আমি জানতাম আবারও সুযোগ আসবে। আমি সত্যিই বাকরুদ্ধ।’
ম্যাচ জেতানো গোল করে ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত করলেও জাপানি ডিফেন্সের কড়া পাহারায় মার্তিনেল্লিকে বেশ বড় শারীরিক আঘাতও সইতে হয়েছে। রক্তাক্ত চোখ নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর নিজের চোটের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি কর্নার কিকের সময় আমি যখন বল প্রতিহত করতে গিয়েছিলাম, তখন প্রতিপক্ষের একজন ডিফেন্ডার সম্ভবত আমার চোখে কনুই দিয়ে আঘাত করেন। আমার মনে হয় চোখ থেকে কিছুটা রক্তও বের হচ্ছে, তবে দলের এই ঐতিহাসিক জয়ের পর এই কষ্টের মূল্য আছে।’
কোচ পজিশন বদলালেও নিজের ওপর ঠিকই আস্থা রাখছেন মার্তিনেল্লি, ‘উইং বা মাঝমাঠ—যেখানেই হোক না কেন, কীভাবে মাঝের ভূমিকাটা পালন করা যায়, তা নিয়ে কোচ আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন। আমি কেবল নিজের সেরাটা দিয়ে ব্রাজিলকে সবচেয়ে ভালো উপায়ে সাহায্য করার চেষ্টা করছি।’

নেইমারের এই বার্তার পেছনে কারণ হলো জোয়াকিম ক্লেমেন্টের সাম্প্রতিক একটি ভবিষ্যদ্বাণী। জার্মান এই অর্থনীতিবিদ ২০১৪ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের নাম সঠিকভাবে বলে আসছিলেন। নিজের গাণিতিক মডেলে তিনি মাথাপিছু জিডিপি, জনসংখ্যা এবং তাপমাত্রার মতো নানা সূচক ব্যবহার করেন। ৯ এপ্রিল প্রকাশিত তাঁর
২৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ৯৬ বছরের অপেক্ষা। ফুটবলের মহাযজ্ঞে কতবার কত পরাশক্তির দেখা হয়েছে, কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্স আর সুইডেনের পথ কখনো একবিন্দুতে মেলেনি। অবশেষে কাটতে যাচ্ছে সেই শতাব্দীপ্রাচীন অপেক্ষা। আজ রাত ৩টায় নিউজার্সিতে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে তারা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ এলেই ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার সমর্থনে দুভাগে ভাগ হয়ে যায় বাংলাদেশ। রাত হোক বা ভোর— বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছে প্রিয় দলের খেলা দেখতে কোনো কিছুই বাধা মানে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে তা এখন পুরো বিশ্বই জানে। জানেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।
১ ঘণ্টা আগে
২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ খেলে অপরাজিত থাকা কাসেমিরো এখন সেই এলিট ক্লাবের সদস্য, যেখানে রয়েছেন হুলিও ওলার্তিকলচিয়া, মেমফিস ডিপাই ও ডালি ব্লিন্ডের মতো তারকারা। গত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ব্রাজিলের হারের ম্যাচে খেলেছিলেন কাসেমিরো। তবে টাইব্রেকারে
১ ঘণ্টা আগে