
জাপানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো ২-১ গোলের জয়ে শুধু গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি নন, আলোচনার কেন্দ্রে আছেন কাসেমিরো। গোল করে দলকে সমতায় ফেরানোর পাশাপাশি তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ১২টি ম্যাচ খেলে একটিতেও হারের মুখ না দেখা কাসেমিরো নাম লিখিয়েছেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান মারিও জাগালোর পাশে।
ম্যাচ শেষে নিজের মানসিক শক্তি ও জয়ের রহস্য নিয়ে কাসেমিরো বলেন, ‘ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরো সময় আমাদের হাতেই ছিল। প্রথমার্ধে আমরা প্রতিপক্ষের বক্সে খুব একটা পৌঁছাতে পারছিলাম না, তবে বলের দখল আমাদের কাছেই ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে কোচ আমাদের মূলত শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেছিলেন, আমরাই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করছি এবং চাপ যেহেতু বেশি, তাই সুযোগ আসবেই। আমরা সেই ধৈর্য ধরে রেখেছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছি।’
জাপানের রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার বলেন, ‘প্রতিপক্ষ একদম নিচ থেকে রক্ষণভাগ সামলাচ্ছিল (লো-ব্লক)। আমরা বল নিয়ে দারুণভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলছিলাম, তবে বক্সের কাছাকাছি পৌঁছাতে না পারায় দূর থেকে শট নিতে হচ্ছিল। বিরতির পর কোচের পরামর্শ মেনে আমরা শান্ত থেকেছি এবং পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে ম্যাচটি নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নিতে পেরেছি। আমার মনে হয়, এই জয়ের জন্য দলের প্রত্যেকেই প্রশংসার দাবিদার।’
২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ খেলে অপরাজিত থাকা কাসেমিরো এখন সেই এলিট ক্লাবের সদস্য, যেখানে রয়েছেন হুলিও ওলার্তিকলচিয়া, মেমফিস ডিপাই ও ডালি ব্লিন্ডের মতো তারকারা। গত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ব্রাজিলের হারের ম্যাচে খেলেছিলেন কাসেমিরো। তবে টাইব্রেকারে ফল নির্ধারণ হওয়ায় ১–১ গোলের ড্র হিসেবেই তা ইতিহাসের খাতায় যোগ করা হয়েছে। তাই কাসেমিরো অপরাজিত থাকার পথে কোনো বাধা হয়নি তা।। আগামী রোববার শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামলেই এই চারজনকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে না হেরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার একক রেকর্ডের হাতছানি থাকছে কাসেমিরোর সামনে।

নেইমারের এই বার্তার পেছনে কারণ হলো জোয়াকিম ক্লেমেন্টের সাম্প্রতিক একটি ভবিষ্যদ্বাণী। জার্মান এই অর্থনীতিবিদ ২০১৪ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের নাম সঠিকভাবে বলে আসছিলেন। নিজের গাণিতিক মডেলে তিনি মাথাপিছু জিডিপি, জনসংখ্যা এবং তাপমাত্রার মতো নানা সূচক ব্যবহার করেন। ৯ এপ্রিল প্রকাশিত তাঁর
২৯ মিনিট আগে
দীর্ঘ ৯৬ বছরের অপেক্ষা। ফুটবলের মহাযজ্ঞে কতবার কত পরাশক্তির দেখা হয়েছে, কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্স আর সুইডেনের পথ কখনো একবিন্দুতে মেলেনি। অবশেষে কাটতে যাচ্ছে সেই শতাব্দীপ্রাচীন অপেক্ষা। আজ রাত ৩টায় নিউজার্সিতে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে তারা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ এলেই ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার সমর্থনে দুভাগে ভাগ হয়ে যায় বাংলাদেশ। রাত হোক বা ভোর— বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছে প্রিয় দলের খেলা দেখতে কোনো কিছুই বাধা মানে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে তা এখন পুরো বিশ্বই জানে। জানেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।
১ ঘণ্টা আগে
ঘড়িতে ঠিক কত মিনিট চলছে, মাঠ থেকে সেটা আন্দাজ করাও মুশকিল ছিল স্টিফেন ইউস্তাকিওর জন্য। মাঝেমধ্যে গ্যালারির দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছিলেন, খেলার আর কতটুকু সময় বাকি। দক্ষিণ আফ্রিকা তখন নিজেদের রক্ষণভাগে আক্ষরিক অর্থেই দেয়াল তুলে বসে আছে, আর কানাডা লড়ছে সেই দেয়াল ভাঙার তীব্র এক হাহাকারে।
১ ঘণ্টা আগে