ক্রীড়া ডেস্ক

সুপার ফোরে ওঠার জন্য যে কাজটা করার দরকার ছিল, সেটা গত রাতে করে ফেলেছে বাংলাদেশ। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ৮ রানে জিতেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের সুপার ফোরে ওঠার সুতো এখন শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের হাতে। যদিও নাসুম আহমেদ এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচই খেলেছে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে। যদি সুপার ফোরে লিটনরা উঠতে পারেন, তখন তাঁদের খেলতে হবে দুবাইয়ে। কিন্তু সুপার ফোরে বাংলাদেশের ওঠা যে নির্ভর করছে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগামীকাল হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের ওপর। আজ দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে আবুধাবির হোটেল পার্ক রোটানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন নাসুম। শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের প্রসঙ্গ এলে বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার বলেন, ‘যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে। নির্দিষ্ট কারও জন্য দোয়া বা সাপোর্ট করার প্রয়োজন আমি মনে করছি না। যেটা লেখা আছে, সেটাই হবে। যা হবার, তা-ই হবে।’
শ্রীলঙ্কা আগামীকাল জিতলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই বাংলাদেশ উঠবে সুপার ফোরে। কিন্তু আফগানিস্তান জিতলেই ঝামেলায় পড়বে বাংলাদেশ। তখন বাংলাদেশের স্বার্থে আফগানিস্তানের কমপক্ষে ৭৩ রানের ব্যবধানে লঙ্কানদের হারাতে হবে। তাতেই আফগানিস্তান সুপার ফোরে উঠতে পারবে বাংলাদেশকে নিয়ে। যখন শ্রীলঙ্কাকে সমর্থনের প্রসঙ্গ এল, তখন নাসুম একরকম বিরক্তই হয়ে গেলেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাঁর একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে তিনবার ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন। যার মধ্যে একটি রয়েছে ২০২২ সালে মিরপুরে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই। গতকাল আবুধাবিতে ইনিংসের প্রথম বলেই আফগানিস্তানের বিস্ফোরক ওপেনার সেদিকউল্লাহ আতালকে এলবিডব্লু করেন। আরেক টপ অর্ডার ব্যাটার ইবরাহিম জাদরানকেও (৫) নাসুম এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন। ৪ ওভারে ১১ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটাই কি তাঁর সেরা বোলিং-এমন প্রশ্নের উত্তরে নাসুম বলেন, ‘এর আগেও অনেকগুলো ছিল (সেরা বোলিং)। তবে কালকেরটা একটু বেশি স্পেশাল। কাল আমাদের ডু অর ডাই ম্যাচ ছিল।’
১৫৫ রানের লক্ষ্যে নামা আফগানিস্তান হাঁসফাঁস করতে থাকে নাসুমের বোলিংয়ে। কিন্তু বাংলাদেশকে রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান একেবারে ছেড়ে কথা বলেনি। ম্যাচের বাঁক বদলেছে অনেকবার। আফগানরা শেষ বল পর্যন্ত খেললেও হেরেছে ৮ রানে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে নাসুম বলেন, ‘এই পারফরম্যান্সটা উৎসর্গ করতে চাই সতীর্থদের। আমরা সবাই অনেক পরিশ্রম করছি। আমাদের জয়টা আমাদের কাছেই থাক।’
বাংলাদেশ ‘বি২’ হিসেবে সুপার ফোরে উঠলে সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ে। যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে, তখন একটা আবুধাবিতে এবং অপর দু্ই ম্যাচ লিটনরা খেলবেন দুবাইয়ে। কিন্তু আগে সুপার ফোরে তো উঠতে হবে বাংলাদেশকে। শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে তাই নজর থাকবে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সুপার ফোরে ওঠার জন্য যে কাজটা করার দরকার ছিল, সেটা গত রাতে করে ফেলেছে বাংলাদেশ। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ৮ রানে জিতেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের সুপার ফোরে ওঠার সুতো এখন শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের হাতে। যদিও নাসুম আহমেদ এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচই খেলেছে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে। যদি সুপার ফোরে লিটনরা উঠতে পারেন, তখন তাঁদের খেলতে হবে দুবাইয়ে। কিন্তু সুপার ফোরে বাংলাদেশের ওঠা যে নির্ভর করছে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগামীকাল হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের ওপর। আজ দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে আবুধাবির হোটেল পার্ক রোটানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন নাসুম। শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের প্রসঙ্গ এলে বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার বলেন, ‘যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে। নির্দিষ্ট কারও জন্য দোয়া বা সাপোর্ট করার প্রয়োজন আমি মনে করছি না। যেটা লেখা আছে, সেটাই হবে। যা হবার, তা-ই হবে।’
শ্রীলঙ্কা আগামীকাল জিতলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই বাংলাদেশ উঠবে সুপার ফোরে। কিন্তু আফগানিস্তান জিতলেই ঝামেলায় পড়বে বাংলাদেশ। তখন বাংলাদেশের স্বার্থে আফগানিস্তানের কমপক্ষে ৭৩ রানের ব্যবধানে লঙ্কানদের হারাতে হবে। তাতেই আফগানিস্তান সুপার ফোরে উঠতে পারবে বাংলাদেশকে নিয়ে। যখন শ্রীলঙ্কাকে সমর্থনের প্রসঙ্গ এল, তখন নাসুম একরকম বিরক্তই হয়ে গেলেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাঁর একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে তিনবার ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন। যার মধ্যে একটি রয়েছে ২০২২ সালে মিরপুরে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই। গতকাল আবুধাবিতে ইনিংসের প্রথম বলেই আফগানিস্তানের বিস্ফোরক ওপেনার সেদিকউল্লাহ আতালকে এলবিডব্লু করেন। আরেক টপ অর্ডার ব্যাটার ইবরাহিম জাদরানকেও (৫) নাসুম এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন। ৪ ওভারে ১১ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটাই কি তাঁর সেরা বোলিং-এমন প্রশ্নের উত্তরে নাসুম বলেন, ‘এর আগেও অনেকগুলো ছিল (সেরা বোলিং)। তবে কালকেরটা একটু বেশি স্পেশাল। কাল আমাদের ডু অর ডাই ম্যাচ ছিল।’
১৫৫ রানের লক্ষ্যে নামা আফগানিস্তান হাঁসফাঁস করতে থাকে নাসুমের বোলিংয়ে। কিন্তু বাংলাদেশকে রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান একেবারে ছেড়ে কথা বলেনি। ম্যাচের বাঁক বদলেছে অনেকবার। আফগানরা শেষ বল পর্যন্ত খেললেও হেরেছে ৮ রানে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে নাসুম বলেন, ‘এই পারফরম্যান্সটা উৎসর্গ করতে চাই সতীর্থদের। আমরা সবাই অনেক পরিশ্রম করছি। আমাদের জয়টা আমাদের কাছেই থাক।’
বাংলাদেশ ‘বি২’ হিসেবে সুপার ফোরে উঠলে সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ে। যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে, তখন একটা আবুধাবিতে এবং অপর দু্ই ম্যাচ লিটনরা খেলবেন দুবাইয়ে। কিন্তু আগে সুপার ফোরে তো উঠতে হবে বাংলাদেশকে। শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে তাই নজর থাকবে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের।

মোস্তাফিজুর রহমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ পড়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় যেন থামছেই না। বিষয়টি নিয়ে এখন দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে দেশের ক্রিকেটেই। যেখানে জড়িয়েছে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক এবং দেশের ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন তামিম ইকবালের নাম।
৮ মিনিট আগে
ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর চাপের মুখে পড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা চলছে ক্রিকেটবিশ্বে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক মনে করেন, মোস্তাফিজের জায়গায় লিটন দাস কিংবা সৌম্
১ ঘণ্টা আগে
পার্থ স্করচার্সের পর সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে উইকেটের দেখা পাননি রিশাদ হোসেন। টানা দুই ম্যাচ উইকেটশূন্য থাকার পর অ্যাডিলেড স্টাইকার্সের বিপক্ষে বল হাতে নিজের সেরাটাই দিলেন এই লেগস্পিনার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে আজ ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। এমন বোলিংয়ের পর হোবার্ট হারিকেন্সের অধিনায়ক নাথান এলিসের প্রশংসা ক
২ ঘণ্টা আগে
১২৯ রানের লক্ষ্য বর্তমান টি-টোয়েন্টির বিচারে আহামরি কিছু নয়। তবে কখনো কখনো বোলাররা এতটাই দাপট দেখান যে ব্যাটারদের রান করতে রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠে যায়। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালস-রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচটা হয়েছে এমনই। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে চট্টগ্রাম।
২ ঘণ্টা আগে