ক্রীড়া ডেস্ক

শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ১২তম বিপিএল শুরু করে ঢাকা ক্যাপিটালস। নতুন বছরে স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে আজ একটা পর্যায়ে দারুণ খেলছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। কিন্তু ডেথ ওভারে বোলিংয়ে গুবলেট পাকানোর পর ব্যাটিংটাও এলোমেলো হয়ে যায় ঢাকার। শেষ পর্যন্ত ঢাকার বিপক্ষে ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে এখন সিলেট টাইটান্স। রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, সিলেট টাইটান্স দুই দলেরই ৪ পয়েন্ট হলেও +০.১৯৪ নেট রানরেট নিয়ে শীর্ষে রাজশাহী। দুইয়ে থাকা সিলেটের নেট রানরেট +০.০৩৭।
হাতে ২ উইকেট নিয়ে আজ সিলেটের বিপক্ষে শেষ ওভারে যখন ঢাকার ২৭ রান দরকার, তখন খেলা জমে ওঠে। মোহাম্মদ আমিরের করা সেই ওভারের প্রথম বলে চার মারেন শামীম। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে দুটি চার মেরে শামীম ঢাকার জন্য সমীকরণটা ২ বলে ১১ রানে নিয়ে আসেন। পঞ্চম বলটা টপ এজ হয়ে যায় শর্ট থার্ড ম্যান দিয়ে চার হয়ে যায়। শেষ বলে ছক্কা মারলে যখন সুপার ওভারে যাওয়ার সমীকরণ, তখন শামীমকে দারুণ এক ইয়র্কার দেন আমির। তাতেই নিশ্চিত হয় সিলেটের ৬ রানের জয়।
১৭৪ রানের লক্ষ্যে নেমে দলীয় ১ রানেই ভেঙে যায় ঢাকা ক্যাপিটালসের উদ্বোধনী জুটি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে জুবাইদ আকবরিকে (১) দারুণ এক ইনসুইংগারে বোল্ড করেন আমির। দ্বিতীয় উইকেটে এরপর ২৩ বলে ৩৫ রানের জুটি গড়েন সাইফ হাসান ও উসমান খান। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে উসমানকে (২১) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।
উসমান ফিরতেই ছোটখাটো ধস নামে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংসে। ৫.৫ ওভারে ১ উইকেটে ৩৬ রান থেকে মুহূর্তেই ৭.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৪৩ রানে পরিণত হয় ঢাকা। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন গোল্ডেন ডাক মেরেছেন। এক অঙ্কের ঘরে সাইফ (৯) ও নাসির হোসেনও (৫) আউট হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে সাইফ ১৭ বলে ১ ছক্কায় করেন ৯ রান। ছয় নম্বরে নামা শামীম স্লগ সুইপ, স্ট্রেট শট, রিভার্স স্কুপে সিলেট টাইটান্সের বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেন। ৩২ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। ফিফটি করার পথে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সাব্বির রহমানের সঙ্গে ৩১ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন শামীম।
১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে সাব্বিরকে (২৩) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাসুম। একপ্রান্ত আগলে রেখে শামীম খেলে গেছেন তাঁর মতো করে। শেষ বল পর্যন্ত খেলে ৪৩ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। নবম উইকেটে ২২ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন শামীম-তাসকিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থেমে যায় ঢাকার ইনিংস।
সিলেটে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া সিলেট টাইটান্সের একটা পর্যায়ে স্কোর ছিল ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান। এরপরই দেখা যায় সিলেটের তাণ্ডব। শেষ দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৮ রান সিলেট যোগ করলে ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনিই দলটির ইনিংস সর্বোচ্চ স্কোরার।
ঢাকার সালমান মির্জা নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান ও তাসকিন আহমেদ। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ওমরজাই হয়েছেন ম্যাচসেরা। ঝোড়ো ফিফটির পাশাপাশি ৪ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ১২তম বিপিএল শুরু করে ঢাকা ক্যাপিটালস। নতুন বছরে স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে আজ একটা পর্যায়ে দারুণ খেলছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। কিন্তু ডেথ ওভারে বোলিংয়ে গুবলেট পাকানোর পর ব্যাটিংটাও এলোমেলো হয়ে যায় ঢাকার। শেষ পর্যন্ত ঢাকার বিপক্ষে ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে এখন সিলেট টাইটান্স। রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, সিলেট টাইটান্স দুই দলেরই ৪ পয়েন্ট হলেও +০.১৯৪ নেট রানরেট নিয়ে শীর্ষে রাজশাহী। দুইয়ে থাকা সিলেটের নেট রানরেট +০.০৩৭।
হাতে ২ উইকেট নিয়ে আজ সিলেটের বিপক্ষে শেষ ওভারে যখন ঢাকার ২৭ রান দরকার, তখন খেলা জমে ওঠে। মোহাম্মদ আমিরের করা সেই ওভারের প্রথম বলে চার মারেন শামীম। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে দুটি চার মেরে শামীম ঢাকার জন্য সমীকরণটা ২ বলে ১১ রানে নিয়ে আসেন। পঞ্চম বলটা টপ এজ হয়ে যায় শর্ট থার্ড ম্যান দিয়ে চার হয়ে যায়। শেষ বলে ছক্কা মারলে যখন সুপার ওভারে যাওয়ার সমীকরণ, তখন শামীমকে দারুণ এক ইয়র্কার দেন আমির। তাতেই নিশ্চিত হয় সিলেটের ৬ রানের জয়।
১৭৪ রানের লক্ষ্যে নেমে দলীয় ১ রানেই ভেঙে যায় ঢাকা ক্যাপিটালসের উদ্বোধনী জুটি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে জুবাইদ আকবরিকে (১) দারুণ এক ইনসুইংগারে বোল্ড করেন আমির। দ্বিতীয় উইকেটে এরপর ২৩ বলে ৩৫ রানের জুটি গড়েন সাইফ হাসান ও উসমান খান। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে উসমানকে (২১) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।
উসমান ফিরতেই ছোটখাটো ধস নামে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংসে। ৫.৫ ওভারে ১ উইকেটে ৩৬ রান থেকে মুহূর্তেই ৭.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৪৩ রানে পরিণত হয় ঢাকা। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন গোল্ডেন ডাক মেরেছেন। এক অঙ্কের ঘরে সাইফ (৯) ও নাসির হোসেনও (৫) আউট হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে সাইফ ১৭ বলে ১ ছক্কায় করেন ৯ রান। ছয় নম্বরে নামা শামীম স্লগ সুইপ, স্ট্রেট শট, রিভার্স স্কুপে সিলেট টাইটান্সের বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেন। ৩২ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। ফিফটি করার পথে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সাব্বির রহমানের সঙ্গে ৩১ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন শামীম।
১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে সাব্বিরকে (২৩) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাসুম। একপ্রান্ত আগলে রেখে শামীম খেলে গেছেন তাঁর মতো করে। শেষ বল পর্যন্ত খেলে ৪৩ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। নবম উইকেটে ২২ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন শামীম-তাসকিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থেমে যায় ঢাকার ইনিংস।
সিলেটে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া সিলেট টাইটান্সের একটা পর্যায়ে স্কোর ছিল ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান। এরপরই দেখা যায় সিলেটের তাণ্ডব। শেষ দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৮ রান সিলেট যোগ করলে ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনিই দলটির ইনিংস সর্বোচ্চ স্কোরার।
ঢাকার সালমান মির্জা নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান ও তাসকিন আহমেদ। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ওমরজাই হয়েছেন ম্যাচসেরা। ঝোড়ো ফিফটির পাশাপাশি ৪ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ড হবে কাল ও পরশু। কাল মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে এর আগেই ধাক্কা খেল সাদা-কালোরা। লিগের মাঝপথেই ক্লাব ছেড়ে চলে যাচ্ছেন দলের অন্যতম বড় অস্ত্র মুজাফফর মুজাফফর
২ ঘণ্টা আগে
নেইমারকে নিয়ে আলোচনাটা একরকম শেষই বলা চলে। ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ডের ইন্টার মায়ামিতে যাওয়া বা ইউরোপে ফেরার একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত তিনি সান্তোসেই থেকে যাচ্ছেন বলে ব্রাজিলের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রদিবেদনে জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
৫ ঘণ্টা আগে