
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ড হবে কাল ও পরশু। কাল মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে এর আগেই ধাক্কা খেল সাদা-কালোরা। লিগের মাঝপথেই ক্লাব ছেড়ে চলে যাচ্ছেন দলের অন্যতম বড় অস্ত্র মুজাফফর মুজাফফরভ।
এক ফেসবুক পোস্টে উজবেকিস্তানের এই মিডফিল্ডার লেখেন, ‘মোহামেডানে সাড়ে ৪ বছর ধরে আছি। একসঙ্গে আমরা অনেক কিছু জিতেছি। এই ক্লাবে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। অনেক রেকর্ড ও ইতিহাস লিখেছি আমরা। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। পারিবারিক কারণে ক্লাব ছেড়ে যাচ্ছি। মোহামেডানকে আমি কখনোই ভুলব না।’
গত বছর মোহামেডানকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে দারুণ ভূমিকা রাখেন মুজাফফরভ। চলতি মৌসুম শুরু হওয়ার আগে দীর্ঘদিনের অধিনায়ক সুলেমান দিয়াবাতে ক্লাব ছাড়লেও তিনি রয়ে যান সাদা-কালো তাঁবুতে। যদিও খুব একটা স্বস্তিতে ছিলেন না। পারিশ্রমিক পাননি ঠিকমতো। তবু সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে খেলেছেন নিয়মিত। নিজের সর্বশেষ ম্যাচে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির বিপক্ষে স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন এই মিডফিল্ডার।
শিরোপা ধরে রাখার মৌসুমে মোহামেডান যেন নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে। ৮ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে আছে তারা। লিগে জয় পেয়েছে মাত্র দুটি। সর্বশেষ তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি। লিগের বাকিটা পথ মুজাফফরভ ছাড়া কঠিনই হয়ে যাবে তাদের জন্য। এছাড়া মাথার ওপর ঝুলছে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার খড়্গ।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে