
চার বছর আগে বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা উঠেছিল ফুটবলের সর্বোচ্চ চূড়ায়। সেই সাফল্যকে অনেকে দেখেছিলেন একটি সোনালি প্রজন্মের শেষ ঝলক হিসেবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে লিওনেল স্কালোনির দল। কোপা আমেরিকার পর এবার টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে আর্জেন্টিনা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালেও সহজ পথ পায়নি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল তারা। তবে হাল ছাড়েনি। শেষ সাত মিনিটে এনসো ফের্নান্দেসও লাউতারো মার্তিনেসের দুই গোলে ২–১ ব্যবধানে জিতে নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে সেই লড়াকু মানসিকতাকেই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে তুলে ধরলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
মেসির মতে, টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার সাফল্য কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। তিনি বলেন, ‘মানুষ এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে থাকুক। এই দল যা অর্জন করেছে, সেটা অবিশ্বাস্য। আমরা আবারও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছি। গত চার বছর ধরে আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আমরা বিশ্বের সেরা দল—মানুষ সেটা পছন্দ করুক বা না–ই করুক, যা–ই বলুক না কেন। এটা প্রমাণ করে, আমরা যা করেছি, তা কাকতালীয় ছিল না এবং কেউ আমাদের কিছু উপহার দেয়নি। টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা এমন একটি অর্জন, যা খুব কম দলই করতে পারে। আর এই দল সেটাই করে দেখিয়েছে।’
বিশ্বকাপজুড়েই আর্জেন্টিনাকে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। একাধিক ফুটবলার চোট নিয়ে খেলেছেন, শুরুর একাদশেও এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন। এসেছে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগও। তবু নকআউট পর্বে বারবার ফিরে এসেছে স্কালোনির দল। মিসরের বিপক্ষে যেমন শেষ দিকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল, ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই দৃঢ়তা দেখিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
এবার আর্জেন্টিনার সামনে আর মাত্র একটি বাধা। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে স্পেনকে হারাতে পারলেই টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি নিজেদের ইতিহাসে চতুর্থ শিরোপাও ঘরে তুলবে মেসির দল।

অধিনায়ক তো একেই বলে। লিওনেল মেসি যেন এবারের বিশ্বকাপে ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। গোল কিংবা অ্যাসিস্ট—দলের প্রয়োজনে তিনি তাঁর কাজটা করেন যথার্থভাবে। গত রাতে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে উঠে গেলেন সবার ওপরে।
১৫ মিনিট আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৫ মিনিটে গোল হজম করার পরও ভেঙে পড়েনি আর্জেন্টিনা। বরং শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণে ইংলিশদের রক্ষণ চেপে ধরে। ৮৫ মিনিটে এনসো ফের্নান্দেস সমতা ফেরান, আর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেসের হেডে নিশ্চিত হয় ফাইনালের টিকিট। দুটো গোলেরই জোগানদাতা মেসি, ‘ম্যাচ কঠিন হয়ে যাওয়ার পরও আমরা
৩ ঘণ্টা আগে
মেসি আরও বলেন, ‘মানুষের জন্য আমরা যা অর্জন করেছি, যা দিতে পেরেছি, তাতে আমরা গর্বিত। তারা যেভাবে এটা উপভোগ করছে, সেটাই আমাদের আনন্দ দেয়। মনুমেন্তো, ওবেলিস্ক—সব জায়গায় মানুষ উদ্যাপন করছে। এটা সাধারণ কোনো ম্যাচ ছিল না। সব আর্জেন্টাইনদের জন্য এটা ছিল খুবই বিশেষ একটি ম্যাচ। এমন একটি ম্যাচ, যেটা আমরা
৩ ঘণ্টা আগে
তবে মাঠের উদ্যাপনের বাইরেও আর্জেন্টিনার মূল অর্জন ছিল ফুটবলেই। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও শেষ দিকে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
৪ ঘণ্টা আগে