ক্রীড়া ডেস্ক

মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ ধরেই শুরু করেছেন বাঁধভাঙা উদ্যাপন। ধারাভাষ্যকক্ষে উচ্চকণ্ঠে ইয়ান বিশাপ তখন বাংলাদেশের প্রশংসায় মত্ত। কারণ, লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ নতুন এক ইতিহাস গড়ল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠে তাদের বিপক্ষে এর আগে টেস্ট, ওয়ানডে দুটি সিরিজই জিতেছিল বাংলাদেশ। বাকি ছিল টি-টোয়েন্টি। এবার সেই অপূর্ণতা দূর করল বাংলাদেশ। সেন্ট ভিনসেন্টে আজ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজকে ২৭ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে সেবার বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ হেরেছিল ক্যারিবীয় দ্বীপে। শেষ দুই ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে জিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল এশিয়ার দলটি। এ নিয়ে বিদেশের মাঠে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
১৩০ রানের লক্ষ্যে নেমে আজ প্রথম দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৯ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই তাসকিন আহমেদের ঝোড়া আঘাত। ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে দুই ক্যারিবীয় ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিং ও আন্দ্রে ফ্লেচারকে ফিরিয়েছেন তাসকিন। কিং ১ রান করলেও ফ্লেচার রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়েছেন। দুটি ক্যাচই ধরেছেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস।
ঝড়ের আভাস দেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার জনসন চার্লসকে এরপর ফিরিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। ১২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৪ রান করে এলবিডব্লিউ হয়েছেন চার্লস। উইন্ডিজের আরেক বিধ্বংসী ব্যাটার নিকোলাস পুরানের (৫) উইকেটটাও দ্রুত তুলে নিয়েছেন মেহেদী। স্লিপে ক্যাচ ধরেন সৌম্য। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার মেহেদী দিয়েছেন উইকেট মেডেন। ৬ ওভারে ৪ উইকেটে ৩২ রান করে উইন্ডিজ।
পঞ্চম উইকেট ৩৩ রানেই হারাতে পারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কারণ, সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে রভমান পাওয়েল কোনো রকমে খোঁচা লাগিয়েছেন। তবে আউটসাইড এজ হওয়া বল সৌম্য সরকার ধরতে পারলেন না। সজোরে আসা বল তাঁর হাত থেকে যেমন ফস্কে গেছে, তেমনি ব্যথায় কাতড়াতে থাকেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ফিজিও চলে আসেন মাঠে।
ফিল্ডার হিসেবে দুর্দান্ত সৌম্য এই ক্যাচ হাতছাড়া করায় হতাশা বাড়ে তানজিম হাসান সাকিবসহ পুরো বাংলাদেশ দলের। কারণ, পাওয়েল তখন ০ রানে আউট হতেন। তবে উইন্ডিজ অধিনায়ক ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৭ বলে ১ চারে ৬ রান করে ফিরেছেন। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে হাসান মাহমুদকে লেগ সাইডে ঘোরাতে যান পাওয়েল। এজ হওয়া বল পয়েন্টে ডাইভ দিয়ে দারুণভাবে তালুবন্দী করেছেন মিরাজ। সেই ওভারটি হাসান মাহমুদ দিয়েছেন উইকেট মেডেন।
ঠিক তার পরের ওভারেই রোমারিও শেফার্ডকে ফেরান তানজিম সাকিব। ০ রানে শেফার্ড ফিরলে উইন্ডিজের স্কোর হয়ে যায় ৮.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ৪২ রান। এখান থেকে পাল্টা আক্রমণে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিকেরা। সপ্তম উইকেটে আকিল হোসেন ও রস্টন চেজ ৪৯ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েছেন। ওভারপ্রতি যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার হয় প্রায় ১২ করে, তখনই চড়াও হতে গিয়ে উইকেট হারায় তারা। ১৭তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে চেজ ও মোতিকে ফিরিয়েছেন রিশাদ হোসেন। শেষ বলে অবশ্য হ্যাটট্রিকটা হয়নি।
রিশাদের জোড়া ধাক্কার পর ১৩ রানে শেষ ২ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে আকিলকে ফিরিয়ে উইন্ডিজের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন তাসকিন। ১৮.৩ ওভারে ১০২ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন চেজ। ৩৪ বলের ইনিংসে ১ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন আকিল।
বাংলাদেশের তাসকিন নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৩.৩ ওভার বোলিং করে ১৬ রান দিয়েছেন তিনি। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রিশাদ, তানজিম সাকিব ও মেহেদী। হাসান পেয়েছেন ১ উইকেট। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।১৭ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৯ রান করে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন শামীম। উইন্ডিজের মোতি নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আকিল, চেজ, আলজারি জোসেফ ও ম্যাকয়।

মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ ধরেই শুরু করেছেন বাঁধভাঙা উদ্যাপন। ধারাভাষ্যকক্ষে উচ্চকণ্ঠে ইয়ান বিশাপ তখন বাংলাদেশের প্রশংসায় মত্ত। কারণ, লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ নতুন এক ইতিহাস গড়ল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠে তাদের বিপক্ষে এর আগে টেস্ট, ওয়ানডে দুটি সিরিজই জিতেছিল বাংলাদেশ। বাকি ছিল টি-টোয়েন্টি। এবার সেই অপূর্ণতা দূর করল বাংলাদেশ। সেন্ট ভিনসেন্টে আজ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজকে ২৭ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে সেবার বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ হেরেছিল ক্যারিবীয় দ্বীপে। শেষ দুই ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে জিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল এশিয়ার দলটি। এ নিয়ে বিদেশের মাঠে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
১৩০ রানের লক্ষ্যে নেমে আজ প্রথম দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৯ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই তাসকিন আহমেদের ঝোড়া আঘাত। ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে দুই ক্যারিবীয় ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিং ও আন্দ্রে ফ্লেচারকে ফিরিয়েছেন তাসকিন। কিং ১ রান করলেও ফ্লেচার রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়েছেন। দুটি ক্যাচই ধরেছেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস।
ঝড়ের আভাস দেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার জনসন চার্লসকে এরপর ফিরিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। ১২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৪ রান করে এলবিডব্লিউ হয়েছেন চার্লস। উইন্ডিজের আরেক বিধ্বংসী ব্যাটার নিকোলাস পুরানের (৫) উইকেটটাও দ্রুত তুলে নিয়েছেন মেহেদী। স্লিপে ক্যাচ ধরেন সৌম্য। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার মেহেদী দিয়েছেন উইকেট মেডেন। ৬ ওভারে ৪ উইকেটে ৩২ রান করে উইন্ডিজ।
পঞ্চম উইকেট ৩৩ রানেই হারাতে পারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কারণ, সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে রভমান পাওয়েল কোনো রকমে খোঁচা লাগিয়েছেন। তবে আউটসাইড এজ হওয়া বল সৌম্য সরকার ধরতে পারলেন না। সজোরে আসা বল তাঁর হাত থেকে যেমন ফস্কে গেছে, তেমনি ব্যথায় কাতড়াতে থাকেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ফিজিও চলে আসেন মাঠে।
ফিল্ডার হিসেবে দুর্দান্ত সৌম্য এই ক্যাচ হাতছাড়া করায় হতাশা বাড়ে তানজিম হাসান সাকিবসহ পুরো বাংলাদেশ দলের। কারণ, পাওয়েল তখন ০ রানে আউট হতেন। তবে উইন্ডিজ অধিনায়ক ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৭ বলে ১ চারে ৬ রান করে ফিরেছেন। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে হাসান মাহমুদকে লেগ সাইডে ঘোরাতে যান পাওয়েল। এজ হওয়া বল পয়েন্টে ডাইভ দিয়ে দারুণভাবে তালুবন্দী করেছেন মিরাজ। সেই ওভারটি হাসান মাহমুদ দিয়েছেন উইকেট মেডেন।
ঠিক তার পরের ওভারেই রোমারিও শেফার্ডকে ফেরান তানজিম সাকিব। ০ রানে শেফার্ড ফিরলে উইন্ডিজের স্কোর হয়ে যায় ৮.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ৪২ রান। এখান থেকে পাল্টা আক্রমণে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিকেরা। সপ্তম উইকেটে আকিল হোসেন ও রস্টন চেজ ৪৯ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েছেন। ওভারপ্রতি যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার হয় প্রায় ১২ করে, তখনই চড়াও হতে গিয়ে উইকেট হারায় তারা। ১৭তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে চেজ ও মোতিকে ফিরিয়েছেন রিশাদ হোসেন। শেষ বলে অবশ্য হ্যাটট্রিকটা হয়নি।
রিশাদের জোড়া ধাক্কার পর ১৩ রানে শেষ ২ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে আকিলকে ফিরিয়ে উইন্ডিজের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন তাসকিন। ১৮.৩ ওভারে ১০২ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন চেজ। ৩৪ বলের ইনিংসে ১ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন আকিল।
বাংলাদেশের তাসকিন নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৩.৩ ওভার বোলিং করে ১৬ রান দিয়েছেন তিনি। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রিশাদ, তানজিম সাকিব ও মেহেদী। হাসান পেয়েছেন ১ উইকেট। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।১৭ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৯ রান করে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন শামীম। উইন্ডিজের মোতি নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আকিল, চেজ, আলজারি জোসেফ ও ম্যাকয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই একের পর এক দুঃসংবাদ পাচ্ছে ভারত। তিলক ভার্মার পর বিশ্বকাপ দলের আরেক ক্রিকেটারকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভারত। চোটে পড়ায় ওয়ানডে সিরিজ শেষ ওয়াশিংটন সুন্দরের।
২০ মিনিট আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) জিরো টলারেন্স নীতিতে হাঁটছে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট। এরই মধ্যে সন্দেহের জেরে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তা এবং খেলোয়াড়দের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তবে দুর্নীতি দমন ইউনিটের কার্যক্রমের ধরনে বিরক্ত ঢাকা ক্যাপিটালসের ব্যাটার রহমানুল্লাহ গুরবাজ। এমনকি বিপিএলের মাঝপথ
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) গতকাল আলোচনায় ছিলেন মোহাম্মদ নবি ও তাঁর ছেলে হাসান ইসাখিল। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৪১ রানের জয় এনে দিতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন বাপ-বেটা। বাইশ গজে দারুণ পারফরম্যান্সের পর সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন তাঁরা দুজন।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালসের একাদশ দেখে কিছুটা অবাক-ই হয়েছিল সবাই। যেখানে ছিল না তাসকিন আহমেদের নাম। বিষয়টি নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের মনে। ম্যাচ শেষে কৌতুহল দূর করেছেন ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার যে তথ্য দিলেন তাতে করে তাসকিনকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যা
৩ ঘণ্টা আগে