
মাঠের বাইরে ফর্ম ও বয়স নিয়ে তীব্র সমালোচনা আর একের পর এক কটাক্ষ—সব মিলিয়ে গেল একটি সপ্তাহ বেশ অন্ধকার কেটেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির একেবারেই বিপরীত সময় কাটছিল। তবে রোনালদো ফিরে এসেছেন। নতুন ইতিহাসও গড়েছেন। সেই সঙ্গে জোড়া গোল করে হিউস্টনে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দলকে এনে দেন ৫-০ ব্যবধানের বড় জয়। তাই তো ম্যাচ শেষে ক্যামেরার সামনে বলছিলেন, ‘আমি ফিরে এসেছি।’
দারুণ এক ম্যাচ কাটিয়ে রোনালদোও বেশ উৎফুল্ল। মন থেকে ঝেরে ফেলেছেন হতাশা। তবে কঠিন সময়ে নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত ফুটবলার মনে হচ্ছিল তাঁকে। কঠিন মুহূর্তে সতীর্থদের কাছ থেকে এমন দুর্দান্ত সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি কতটা আশাবাদী ছিলেন, তা জানাতে গিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমি জানতাম। যারা কঠোর পরিশ্রম করে ঈশ্বর তাদের সাহায্য করেন। আমি জানতাম আমার সতীর্থরাও আমাকে সাহায্য করবে। এটি একটি কঠিন সপ্তাহ ছিল, একটি অন্ধকার সপ্তাহ, তবে আমার সতীর্থরা সাহায্য করেছে। মনে হচ্ছিল যেন আমি ইতিমধ্যেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি। সময়টা কঠিন ছিল, তবে আমরা ফিরে এসেছি।’
টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র ফুটবলার এখন রোনালদো। কিংবদন্তি ইউসেবিওর ৬০ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কীর্তি গড়লেও তাঁর কাছে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের লক্ষ্যই বড়। তিনি বলেন, ‘কিছু খারাপ ঘটনা ভালোর জন্যই ঘটে। নিজের কথা বলতে গেলে, রেকর্ড ভাঙাটা খুব আনন্দের, তবে দল এবং লক্ষ্য অর্জন করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় চার পয়েন্ট নিয়ে আমরা ইতিমধ্যেই সেটা অর্জন করে ফেলেছি। আমি ভীষণ খুশি।’
দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট পর্তুগাল এখন গ্রুপের শীর্ষে। রোনালদো বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের পারফরম্যান্স এবং আমাদের আত্মবিশ্বাস। এই সপ্তাহে আমাদের অনেক ধাক্কা খেতে হয়েছে। তবে দল কঠোর পরিশ্রম করেছে, আমরা অনেক উন্নতি করেছি।’

ঘানার রক্ষণাত্মক কৌশলের গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শেষ দিকে হ্যারি কেইনের অবিশ্বাস্য এক মিস এবং ও'রেইলির শট ক্রসবারে লাগার নাটকীয়তায় গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে টমাস টুখেলের দলকে। পুরো ম্যাচে বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য দেখালেও ব্ল্যাক স্টারদের জমাট ‘লো ব্লক’ ভাঙতে না পারার চরম হতা
২ ঘণ্টা আগে
বাইরের সমালোচনা কিংবা সমসাময়িক অন্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা যে এই মুহূর্তে তাঁর একদমই পছন্দ নয়, সেটি তাঁর আচরণেই স্পষ্ট ছিল।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের মাঝপথেই বড় এক ধাক্কা খেলেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ফ্রান্সে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। ফলে শুক্রবার নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের ডাগআউটে দেখা যাবে না তাঁকে।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের ‘ও গ্লোবো’ পত্রিকা একটা মজার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাদের দলের নকআউটের সম্ভাব্য সূচি নিয়ে। প্রতিবেদনের শিরোনাম—‘গ্রুপে ১ম, ২য় নাকি ৩য়—ব্রাজিলের ম্যাচের দিন কাজে বেশি ছুটি পেতে কোন ফল সমর্থন করবেন?’ কেন এই প্রতিবেদন, সেটির ব্যাখ্যায় গ্লোবো লিখেছে, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে...
৪ ঘণ্টা আগে