
মাঠে গড়ার আগেই কথার লড়াইয়ে জমে উঠেছে আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড দ্বৈরথ। আটলান্টায় রাত ১টায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল মুখোমুখি হবে দুই দল। এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করলেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। ফক্স স্পোর্টসে বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করা সাবেক এই সুইডিশ ফুটবলার আর্জেন্টিনাকেই এগিয়ে রাখছেন।
ইব্রাহিমোভিচের মন্তব্যে ছিল ইতিহাসের ছোঁয়া। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি ইঙ্গিত করেছেন লিওনেল মেসির বাঁ পায়ের জাদুর দিকে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড এরই মধ্যে ঈশ্বরের হাত দেখেছে। এবার তারা দেখবে ঈশ্বরের বাঁ পা।’
মেসির প্রতি ইব্রাহিমোভিচের এই মুগ্ধতা অবশ্য নতুন নয়। বার্সেলোনায় দুজন সতীর্থ ছিলেন একসময়। তখন থেকেই আর্জেন্টাইন তারকার প্রতিভায় আচ্ছন্ন তিনি। চলতি বিশ্বকাপেও ৮ গোল করা মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ সাবেক এই ফরোয়ার্ড।
মিসরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় জয়ের পর আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন ইব্রা। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘সে এখন একটা প্রাণীতে পরিণত হয়েছে, কেউ তাকে থামাতে পারছে না। আমি যে মেসিকে নিজের চোখে দেখেছি, এটাই সেই মেসি—যাকে আমরা দেখতে অভ্যস্ত এবং এখনো দেখছি। মনে রাখবেন, সে সবকিছু জিতেছে। তার ক্যারিয়ার দেখুন। তারপরও সে আরও চায়—এটা সত্যিই অসাধারণ।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে এবারই প্রথম বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবেন মেসি। তাঁর সামনে সুযোগ থাকছে আর্জেন্টিনাকে আরেকটি ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার এবং টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার।

অধিনায়ক তো একেই বলে। লিওনেল মেসি যেন এবারের বিশ্বকাপে ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। গোল কিংবা অ্যাসিস্ট—দলের প্রয়োজনে তিনি তাঁর কাজটা করেন যথার্থভাবে। গত রাতে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে উঠে গেলেন সবার ওপরে।
১৩ মিনিট আগে
এবার আর্জেন্টিনার সামনে আর মাত্র একটি বাধা। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে স্পেনকে হারাতে পারলেই টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি নিজেদের ইতিহাসে চতুর্থ শিরোপাও ঘরে তুলবে মেসির দল।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৫ মিনিটে গোল হজম করার পরও ভেঙে পড়েনি আর্জেন্টিনা। বরং শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণে ইংলিশদের রক্ষণ চেপে ধরে। ৮৫ মিনিটে এনসো ফের্নান্দেস সমতা ফেরান, আর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেসের হেডে নিশ্চিত হয় ফাইনালের টিকিট। দুটো গোলেরই জোগানদাতা মেসি, ‘ম্যাচ কঠিন হয়ে যাওয়ার পরও আমরা
৩ ঘণ্টা আগে
মেসি আরও বলেন, ‘মানুষের জন্য আমরা যা অর্জন করেছি, যা দিতে পেরেছি, তাতে আমরা গর্বিত। তারা যেভাবে এটা উপভোগ করছে, সেটাই আমাদের আনন্দ দেয়। মনুমেন্তো, ওবেলিস্ক—সব জায়গায় মানুষ উদ্যাপন করছে। এটা সাধারণ কোনো ম্যাচ ছিল না। সব আর্জেন্টাইনদের জন্য এটা ছিল খুবই বিশেষ একটি ম্যাচ। এমন একটি ম্যাচ, যেটা আমরা
৩ ঘণ্টা আগে