লিওনেল মেসির চমৎকার গোলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে প্রথমার্ধের লড়াইয়ে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরা।
মায়ামিতে ম্যাচের শুরু থেকেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দারুণভাবে আটকে রেখেছিল কেপ ভার্দে। রক্ষণভাগে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে পানি পানের বিরতি পর্যন্ত আলবিসেলেস্তে আক্রমণভাগকে প্রায় বোতলবন্দী করে রেখেছিল আফ্রিকার দলটি। তবে ম্যাচের ২৯ মিনিটে কেপ ভার্দের সেই ডিফেন্সের তালা ভাঙেন লিওনেল মেসি। আর গোলটি ছিল চেনা ফুটবলীয় জাদুরই এক অনন্য নিদর্শন।
মাঠের ফাঁকা জায়গায় পজিশন নিয়ে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের বাড়ানো একটি চমৎকার দূরপাল্লার বল নিয়ন্ত্রণে নেন মেসি। গোলপোস্ট থেকে মাত্র সাত গজ দূরে দাঁড়িয়ে চোখের পলকে নেওয়া এক জোরাল শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। কেপ ভার্দের গোলরক্ষকের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর সপ্তম গোল।
নিজের ঐতিহাসিক ৩০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামা মেসির এই চোখধাঁধানো গোলে উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো মায়ামি স্টেডিয়াম। আর এই গোলের সুবাদে ডাগআউটে কোচ হিসেবে শততম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করা লিওনেল স্কালোনির মুখেও ফুটেছে স্বস্তির হাসি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে একের পর এক পাসিং ফুটবলের যে নান্দনিক রূপান্তর স্কালোনি এনেছেন, প্রথমার্ধের এই ব্রেকথ্রু তারই ফল। এই ম্যাচের জয়ী দল পরবর্তী রাউন্ডে মুখোমুখি হবে মিসরের।
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি টাইব্রেকারের দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ১১১ মিনিটে আসে আর্জেন্টিনার সেই কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোল। লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার কিক থেকে বক্সে শূন্যে ভেসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়ান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। এই গোলের জোগান দিয়ে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বো
৯ মিনিট আগে
টানটান উত্তেজনা, একের পর এক আক্রমণ আর অতিরিক্ত সময়ের শ্বাসরুদ্ধকর নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে মায়ামির মাঠ রূপ নিয়েছিল এক চরম স্নায়ুযুদ্ধে।বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের নকআউট পর্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না হেরে, ৩টি ড্রয়ে
২৬ মিনিট আগে
কেপ ভার্দের গল্প শেষ হওয়ার নয়। পিছিয়ে পড়লেও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তা শেখাচ্ছে তারা। তাও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে। মায়ামিতে শেষ বত্রিশের লড়াই তাই অতিরিক্ত সময়েও রূপ নিয়েছে সমতায়। ম্যাচের ১০৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলেে ব্যবধান ২–২ করেছেন সিডনি লোপেস।
১ ঘণ্টা আগে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই আবারও এগিয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৯২ মিনিটে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান ২-১ করেছেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে।
১ ঘণ্টা আগে