
আর্জেন্টিনার শেষ ষোলো থেকে বিদায় একরকম নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের ম্যাজিকে মিসরকে হারিয়ে আলবিসেলেস্তেরা জায়গা করে নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে। সেই ম্যাচের পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন লিওনেল স্কালোনি। যা দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনার কোচের সেটা পছন্দই হয়নি।
আটলান্টায় ৭ জুলাই রাতে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত যখন মিসর ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল, তখন আর্জেন্টিনার জেতার আশা কজনই বা করেছিলেন! কিন্তু চ্যাম্পিয়নরা যে সহজে হার মানার নয়। শেষ মুহূর্তের জাদুতে ৩-২ গোলে জিতে আলবিসেলেস্তেরা কেটেছে শেষ আটের টিকিট। জয়ের পর স্কালোনি জড়িয়ে ধরেন তাঁর সন্তানদের। পরিবারের সঙ্গে আবেগঘন এই মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রসঙ্গে স্কালোনি গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সেই আলিঙ্গনটা ব্যক্তিগতই থাকার কথা ছিল। সেটি ব্যক্তিগতই ছিল যতক্ষণ না কেউ সেটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে দেয়। সত্যি বলতে এটা ঠিক হয়নি। বিশেষ করেম সেখানে ছোট ছোট বাচ্চারাও ছিল।’
সবশেষ ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরও সন্তানদের জড়িয়ে ধরেছিলেন স্কালোনি। সেবার লুসাইলে ফ্রান্সের বিপক্ষে ধ্রুপদী ফাইনাল জিতেছিল আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় এবার মিসরের বিপক্ষে একই রকম ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে। কানসাসে আগামীকাল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপেও আমি গ্যালারিতে ছিলাম। তাই এসব মেনে নিতেই হয়। আমি জানতামই না যে আমাকে ভিডিও করা হচ্ছিল।’
স্কালোনি না চাইলেও এবারের বিশ্বকাপে তাঁর পরিবারের সদস্যরা মাঠে খেলা দেখতে এসেছেন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনার কোচ বলেন, ‘এটা খুবই আবেগের বিষয়। আমি চাইনি তারা বিশ্বকাপে আসুক। কারণ, আগের বিশ্বকাপেও তারা অনেক কষ্ট পেয়েছিল। কিন্তু তারা আমাকে না জানিয়েই চলে এসেছে। তারা ম্যাচটা উপভোগ করেছে। তারা বলে, বাড়িতে বসে খেলা দেখলে নাকি আরও বেশি কষ্ট হয়। তবে আমার মনে হয়, এই শেষ (মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলো) ম্যাচটাতেও তারা অনেক দুশ্চিন্তায় ছিল।’
৯ জুলাই আর্জেন্টিনার স্বাধীনতা দিবস হলেও স্কালোনি-লিওনেল মেসিরা যে দেশে থাকতে পারেননি। কারণ, শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল এখন অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ফ্লোরেসের একটি স্কুলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এক শিশু চিৎকার করে বলে, ‘চলো আর্জেন্টিনা। এগিয়ে চলো মেসি। চলো চতুর্থ শিরোপা জিতি।’
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে গতকাল স্কালোনি যখন সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন, তখন ১০ বছরের সেই শিশুর কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। আর্জেন্টাইন কোচ বলেন, ‘এটা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। মাত্র ১০ বছরের এক ছেলে... যদি কথাগুলো সত্যিই তার হৃদয় থেকে এসে থাকে, সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
চতুর্থ বিশ্বকাপ জিততে আর কেবল তিন ম্যাচ জিততে হবে আর্জেন্টিনাকে। সেমিফাইনালে কে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে, সেটা নির্ধারিত হবে মধ্যরাতে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টায় মায়ামিতে শুরু হবে তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালের ইংল্যান্ড-নরওয়ে ম্যাচ। যদি সুইসদের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জিততে পারে, তাহলে ইংল্যান্ড-নরওয়ে ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে ১৫ জুলাই সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে।

বিশ্বকাপে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার আইশোস্পিড (স্পিড)। সামাজিক মাধ্যমে অনেকের বিশ্বাস, তিনি যে দলকে সমর্থন করেন, শেষ পর্যন্ত সেই দলই হেরে যায়। তবে স্পিডের কৌশল এবার আর সফল হলো না।
২০ মিনিট আগে
৩-১ গোলের স্কোরকার্ড দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে, আর্জেন্টিনা আজ হেসেখেলে জিতেছে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা কি এত সহজ ছিল? এর উত্তর হবে ‘না’। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটা পেনাল্টি শুটআউটে যাওয়া যখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল, তখনই ম্যাচটা জিতে সেমির টিকিট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। সুইসদের হারা
২ ঘণ্টা আগে
২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলে জয়—আটলান্টায় গত ৭ জুলাই মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা যেভাবে জিতেছে, তা অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হয়। খাদের কিনারা থেকে ম্যাচ জেতা আলবিসেলেস্তেরা আজ ৩-১ গোলে জিতেছে ঠিকই। তবে কানসাসে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালের নিষ্পত্তি হয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। লাউতারো মার্তিন
২ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার ভক্ত-সমর্থকদের দিন কাটছে আনন্দেই। লিওনেল মেসি-এমিলিয়ানো মার্তিনেসরা একের পর এক ম্যাচ জিতে চলেছেন। এবার আর্জেন্টিনা ষষ্ঠবারের মতো উঠে গেল সেমিফাইনালে। তবে আনন্দের আতিশয্যে কেউ যেন নিজেদের বিপদ ডেকে না আনেন, সে ব্যাপারে চোখ-কান খোলা রাখার পরামর্শ কোচ লিওনেল স্কালোনির।
৩ ঘণ্টা আগে