
ব্রাজিল সবশেষ বিশ্বকাপ জিতেছে ২০০২ সালে। এরপর গত ৫ আসরে ফেবারিটের তমকা গায়ে মেখে বিশ্বমঞ্চে গেলেও আর সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরা হয়নি লাতিন আমেরিকার দলটির। ২০২২ বিশ্বকাপে তাদের পথচলা থেমেছে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে। কাতারে অনুষ্ঠিত সে বিশ্বকাপের পর থেকেই ব্রাজিলের সঙ্গী ছিল দুর্দশা।
বর্তমান বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে তাই উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের আগে খোদ ব্রাজিল ভক্তরাও প্রিয় দলকে নিয়ে খুব একটা স্বপ্ন দেখছিলেন না। হেক্সা মিশন পূরণের লক্ষ্যে গত বছরের মে মাসে কার্লো আনচেলত্তিকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় ব্রাজিল। তাতেও যেন ব্যর্থতা থেকে বের হতে পারছিল না সেলেসাওরা। ইতালিয়ান কোচের অধীনে প্রথম ৯ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয়হীন ছিল; হেরেছে তিনটিতে। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল বলে কথা। এবারের বিশ্বকাপের আগে সাম্প্রতিক ব্যর্থতা পেছনে ফেলে হঠাৎ নিজেদের চেনা রূপে ফিরেছে ব্রাজিল। টানা তিন ম্যাচ জিতে দলটি যেন বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করার বার্তাই দিয়ে রাখল।
সবশেষ ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ব্রুনো গিমারেস সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেওয়ার পর মিসরকে ম্যাচে ফেরান মোস্তাফা জিকো। বিরতি থেকে ফেরার সপ্তম মিনিটের মাথায় এনদ্রিক জালের দেখা পেলে ফের এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এই ব্যবধান ধরে রেখে বাকি সময় পার করে দেয় জায়ান্টরা।
এর আগে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে তো পানামাকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলাই করেছে ব্রাজিল। ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে পানামার জালে ছয়বার বল পাঠায় স্বাগতিকেরা। ব্রাজিলের আলাদা ছয়জন ফুটবলার একবার করে গোলের খাতায় নাম লেখান। দলটির বেঞ্চের শক্তি কেমন সেটাও প্রমাণ হয়েছে সে ম্যাচে। বিরতির পর ১০ পরিবর্তন নিয়ে দল নামান আনচেলত্তি। তাতে খেই হারাবে তো দূরে থাক, উল্টো আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় ব্রাজিল। প্রথমার্ধের ২ গোলের বিপরীতে এই অর্ধে চারবার গোল উৎসব করেছে ব্রাজিল।
এর আগে গত এপ্রিলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। নিজেদের চেনা ছন্দ হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের আগে এভাবে জয়ের ধারায় ফেরানোর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আনচেলত্তির। তাঁর অসাধারণ টেকটিকস আর বর্নাঢ্য কোচিং ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতায় ব্রাজিল যেন বদলে যাওয়ার বার্তাই দিচ্ছে। এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে এবারের বিশ্বকাপে নেইমার-মার্কিনিয়োসরা যে দারুণ কিছুই করবেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

লিওনেল মেসির ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলা এক রকম নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু বয়স ও ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় জেগেছিল আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে। খেলবেন কি খেলবেন না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল অনেক বেশি। প্রাণভোমরা মেসিকে নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন স্কালোনি। কিন্তু মেসির এক বার্তাই আশ্বস্
১৪ মিনিট আগে
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখন এস্তেভাও উইলিয়ান থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। সতীর্থদের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতেন তিনি। কিন্তু চোটে পড়ায় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ খেলাই হলো না তাঁর। সেই দুঃসহ বেদনার গল্প শুনিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেলেও স্বস্তির সঙ্গে কিছুটা উদ্বেগও সঙ্গী হয়েছে পর্তুগালের। শনিবার চিলির বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফরোয়ার্ড রাফায়েল লেয়াও। প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে ঘুষি মারার ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
একবার জালে বল পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন ভাগ্য তাঁর সহায় হয়নি। অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। তাই আর স্কোরশিটে নাম যোগ হয়নি রোনালদোর। এই ঘটনা ছাড়াও গোলের উদ্দেশে আরও কিছু শট নিয়েছিলেন রোনালদো। একবারও জালের ঠিকানায় বল পৌঁছাতে পারেননি। সতীর্থদের কোনো গোলেও সহায়তা করতে পারেননি তিনি। রোনালদো ন
২ ঘণ্টা আগে