
শেষবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার আগে চিলির বিপক্ষে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন সিআরসেভেন। দলের ২-১ গোলের জয়ের দিনে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন না পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। মিশ্র এক অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে।
বিরতির পর ছয় ফুটবলারকে তুলে নেন পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেস। এই তালিকায় ছিল রোনালদোর নাম। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে বেশ আলোচনায় ছিলেন তারকা ফরোয়ার্ড। শেষবারের মতো বিশ্বকাপে তাঁর কাছে ভক্তদের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। কিন্তু চিলির বিপক্ষে ম্যাচে চেনা প্রভাব দেখাতে পারলেন না রোনালদো।
রোনালদোকে আক্রমণভাগের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই একাদশ সাজিয়েছিলেন মার্তিনেস। দলের কিছু আক্রমণে ভূমিকা ছিল আল নাসর তারকার। আক্রমণে অংশ নিয়ে চিলির রক্ষণভাগের ওপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছেন। তবে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের বাধায় খুব ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। অবশ্য পর্তুগালের জয়ের অন্যতম কারিগর হতে পারতেন রোনালদো। প্রথমার্ধের একবার জালে বল পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন ভাগ্য তাঁর সহায় হয়নি। অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। তাই আর স্কোরশিটে নাম যোগ হয়নি রোনালদোর। এই ঘটনা ছাড়াও গোলের উদ্দেশে আরও কিছু শট নিয়েছিলেন রোনালদো। একবারও জালের ঠিকানায় বল পৌঁছাতে পারেননি। সতীর্থদের কোনো গোলেও সহায়তা করতে পারেননি তিনি। রোনালদো নিজেও সতীর্থদের কাছ থেকে গোল করার মতো তেমন পরিষ্কার সুযোগ পাননি।
প্রথমার্ধ শেষে আর মাঠে নামা হয়নি রোনালদোর। তাঁর বদলি হিসেবে গনসালো গেদেসকে নামান মার্তিনেস। দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই উইঙ্গার। ৫৮ মিনিটে তাঁর গোলেই লিড পায় পর্তুগাল। ডি-বক্সে রুবেন নেভেসের কাছ থেকে বল পেয়ে অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ভেতরে ঢুকে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করে গেদেস। ৭৫ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটা করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস।
বিশ্বকাপের আগে চিলির বিপক্ষে ম্যাচটি রোনালদোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ম্যাচ ফিটনেস ঝালিয়ে নেওয়া এবং ছন্দ ধরে রাখাই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। গোল না পেলেও তাঁর উপস্থিতি প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করেছে—এটাই ছিল প্রথমার্ধে পর্তুগালের বড় পাওয়া। আগামী ১৭ জুন কঙ্গো ডিআরের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের আক্রমণের নেতৃত্বে আবারও দেখা যাবে তাঁকে।

লিওনেল মেসির ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলা এক রকম নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু বয়স ও ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় জেগেছিল আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে। খেলবেন কি খেলবেন না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল অনেক বেশি। প্রাণভোমরা মেসিকে নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন স্কালোনি। কিন্তু মেসির এক বার্তাই আশ্বস্
১৪ মিনিট আগে
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখন এস্তেভাও উইলিয়ান থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। সতীর্থদের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতেন তিনি। কিন্তু চোটে পড়ায় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ খেলাই হলো না তাঁর। সেই দুঃসহ বেদনার গল্প শুনিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেলেও স্বস্তির সঙ্গে কিছুটা উদ্বেগও সঙ্গী হয়েছে পর্তুগালের। শনিবার চিলির বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফরোয়ার্ড রাফায়েল লেয়াও। প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে ঘুষি মারার ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
পুরো ম্যাচে ডাগআউটে বেশ হাসিমুখেই দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। হন্ডুরাসের বিপক্ষে পাখির চোখেই সতীর্থদের পারফরম্যান্স দেখেছেন। খেলা দেখার পাশাপাশি বেঞ্চে থাকা বাকিদের সঙ্গে কথা বলেও সময় পার করেছেন দশ নম্বর জার্সিধারী। চোট জনিত ঝুঁকি এড়াতেই হন্ডুরাসের বিপক্ষে তাঁকে মাঠে নামাননি লিওনেল স্কালোনি।
৩ ঘণ্টা আগে