নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শেষ দিকে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে ভিড়িয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত মোস্তাফিজের পারিশ্রমিক চোখ কপালে তোলার মতো! বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬ কোটি রুপিতে রুপি (প্রায় ৮ কোটি টাকা) মোস্তাফিজকে দলে নিয়েছে দিল্লি। এত দামে বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটারকে দলে ভেড়ায়নি আইপিএলের কোনো দল।
নিলামে মোস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি। কিন্তু টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এক অবিশ্বাস্য মূল্যে ফিজকে নিয়েছে দিল্লি। আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে সন্ধ্যায় দুবাইয়ে রওনা দেবেন মোস্তাফিজ। রওনা দেওয়ার আগে তিনি অবশ্য পারিশ্রমিকের ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু জানাতে পারেননি। তবে সূত্রে জানা গেল, মোস্তাফিজ ম্যাচ প্রতি পাবেন ৫৫ লাখ রুপি। বাঁহাতি পেসারের চাওয়া আপাতত দিল্লির হয়ে তিন ম্যাচ খেলার অনাপত্তিপত্র (এনওসি)। হঠাৎ দল পাওয়ায় বিসিবিও বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছে। টানা দুটি সিরিজের মাঝপথে আদৌ এনওসি দেবে কি না, তারা এটি নিয়ে দ্বিধায়। পারিশ্রমিকের চেয়ে মোস্তাফিজের চিন্তা বেশি তাই বিসিবির এনওসি নিয়েই।
দিল্লির পরের ম্যাচে ১৮ মে। আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১৭ মে আর শেষ ম্যাচ ১৯ মে। মোস্তাফিজকে ১৮ মে দিল্লির হয়ে বিসিবি খেলতে দেবে কি না, সেটি অনিশ্চিত। দিল্লি ১১ ম্যাচ খেলে ৬ জয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে আছে। দিল্লি যদি প্লে-অফ ও ফাইনালে ওঠে, মোস্তাফিজের বাড়তি দুটি ম্যাচ বেশি খেলার সুযোগ থাকলেও ওই সময়ে আবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে দিল্লির হয়ে ফিজের মাত্র ২টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে। যদিও তিনি চাইছেন অন্তত ৩টি ম্যাচ খেলার। ৩ ম্যাচ খেলতে পারলেও তিনি আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি পারিশ্রমিক ৫৫ লাখ রুপি ধরে পাবেন মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ রুপি বা ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। তাহলে দিল্লি কেন ৬ কোটি রুপি (প্রায় ৮ কোটি টাকা) পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা বলেছে বিবৃতিতে?
দিল্লি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জ্যাক ফ্রেজার ম্যাগার্ক ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আইপিএল ছেড়ে গেছেন। তাঁর জায়গায় মোস্তাফিজকে নেওয়া হয়েছে। ফ্রেজার ম্যাগার্ককে ৯ কোটি রুপি দিয়ে কিনেছিল দিল্লি। টুর্নামেন্ট ছেড়ে চলে যাওয়ায় ফ্রেজারের যে দাম এবং নিলামে দিল্লির খেলোয়াড় কেনার যে বাজেট অবশিষ্ট ছিল—সব মিলিয়েই মোস্তাফিজের দাম উঠে গেছে ৬ কোটি রুপিতে। হঠাৎ বিদেশি খেলোয়াড় সংকটে মোস্তাফিজের প্রতি যদি আরও কোনো দল পাওয়ার আগ্রহ দেখায়, তবে সেক্ষেত্রে ভেতরে ভেতরে অদৃশ্য নিলামও তাঁর দাম ৬ কোটিতে নিয়ে যেতে পারে।
দাম যেটিই হোক, আইপিএলে একজন খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয় তাঁর ম্যাচ সংখ্যার অনুপাতে। তিনি যদি দলের হয়ে পুরো মৌসুমে সব ম্যাচ খেলার সুযোগ পান, তবেই পারিশ্রমিকের পুরো টাকাটা পেয়ে থাকেন। আপাতত মোস্তাফিজের পারিশ্রমিকের চেয়ে বেশি চিন্তা ম্যাচ খেলা নিয়েই। নিজের প্রত্যাশা অনুযায়ী ৩ ম্যাচ খেলার এনওসি পাওয়ার নিশ্চয়তা যে তিনি পাননি।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শেষ দিকে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে ভিড়িয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত মোস্তাফিজের পারিশ্রমিক চোখ কপালে তোলার মতো! বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬ কোটি রুপিতে রুপি (প্রায় ৮ কোটি টাকা) মোস্তাফিজকে দলে নিয়েছে দিল্লি। এত দামে বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটারকে দলে ভেড়ায়নি আইপিএলের কোনো দল।
নিলামে মোস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি। কিন্তু টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এক অবিশ্বাস্য মূল্যে ফিজকে নিয়েছে দিল্লি। আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে সন্ধ্যায় দুবাইয়ে রওনা দেবেন মোস্তাফিজ। রওনা দেওয়ার আগে তিনি অবশ্য পারিশ্রমিকের ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু জানাতে পারেননি। তবে সূত্রে জানা গেল, মোস্তাফিজ ম্যাচ প্রতি পাবেন ৫৫ লাখ রুপি। বাঁহাতি পেসারের চাওয়া আপাতত দিল্লির হয়ে তিন ম্যাচ খেলার অনাপত্তিপত্র (এনওসি)। হঠাৎ দল পাওয়ায় বিসিবিও বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছে। টানা দুটি সিরিজের মাঝপথে আদৌ এনওসি দেবে কি না, তারা এটি নিয়ে দ্বিধায়। পারিশ্রমিকের চেয়ে মোস্তাফিজের চিন্তা বেশি তাই বিসিবির এনওসি নিয়েই।
দিল্লির পরের ম্যাচে ১৮ মে। আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১৭ মে আর শেষ ম্যাচ ১৯ মে। মোস্তাফিজকে ১৮ মে দিল্লির হয়ে বিসিবি খেলতে দেবে কি না, সেটি অনিশ্চিত। দিল্লি ১১ ম্যাচ খেলে ৬ জয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে আছে। দিল্লি যদি প্লে-অফ ও ফাইনালে ওঠে, মোস্তাফিজের বাড়তি দুটি ম্যাচ বেশি খেলার সুযোগ থাকলেও ওই সময়ে আবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে দিল্লির হয়ে ফিজের মাত্র ২টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে। যদিও তিনি চাইছেন অন্তত ৩টি ম্যাচ খেলার। ৩ ম্যাচ খেলতে পারলেও তিনি আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ প্রতি পারিশ্রমিক ৫৫ লাখ রুপি ধরে পাবেন মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ রুপি বা ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। তাহলে দিল্লি কেন ৬ কোটি রুপি (প্রায় ৮ কোটি টাকা) পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা বলেছে বিবৃতিতে?
দিল্লি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জ্যাক ফ্রেজার ম্যাগার্ক ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আইপিএল ছেড়ে গেছেন। তাঁর জায়গায় মোস্তাফিজকে নেওয়া হয়েছে। ফ্রেজার ম্যাগার্ককে ৯ কোটি রুপি দিয়ে কিনেছিল দিল্লি। টুর্নামেন্ট ছেড়ে চলে যাওয়ায় ফ্রেজারের যে দাম এবং নিলামে দিল্লির খেলোয়াড় কেনার যে বাজেট অবশিষ্ট ছিল—সব মিলিয়েই মোস্তাফিজের দাম উঠে গেছে ৬ কোটি রুপিতে। হঠাৎ বিদেশি খেলোয়াড় সংকটে মোস্তাফিজের প্রতি যদি আরও কোনো দল পাওয়ার আগ্রহ দেখায়, তবে সেক্ষেত্রে ভেতরে ভেতরে অদৃশ্য নিলামও তাঁর দাম ৬ কোটিতে নিয়ে যেতে পারে।
দাম যেটিই হোক, আইপিএলে একজন খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয় তাঁর ম্যাচ সংখ্যার অনুপাতে। তিনি যদি দলের হয়ে পুরো মৌসুমে সব ম্যাচ খেলার সুযোগ পান, তবেই পারিশ্রমিকের পুরো টাকাটা পেয়ে থাকেন। আপাতত মোস্তাফিজের পারিশ্রমিকের চেয়ে বেশি চিন্তা ম্যাচ খেলা নিয়েই। নিজের প্রত্যাশা অনুযায়ী ৩ ম্যাচ খেলার এনওসি পাওয়ার নিশ্চয়তা যে তিনি পাননি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যস্ত সময় পার করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। কমপক্ষে ছয়টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে দলটি। যার প্রথমটি শুরু হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। সেই দল ঘোষণায় চমক দেখাল ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লুআই)।
৩০ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও ভেন্যু দুই মাস আগে থেকে ঘোষণা করা হলেও শেষমুহূর্তে এসে জটিলতা তৈরি হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের মাঠে কোনো ম্যাচ খেলতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে সভা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)।
২ ঘণ্টা আগে
গুঞ্জন সত্যি হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদে শেষ হয়েছে জাবি আলোনসো অধ্যায়। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার কাছে ৩-২ গোলে হারার পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে চাকরি ছেড়েছেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আলভারো আরবেলোয়ার নাম ঘোষণা করেছে রিয়াল।
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক বৈরিতায় ভারত-পাকিস্তান সিরিজ হচ্ছে না ১৩ বছর ধরে। শুধু তা-ই নয়, পাকিস্তানেও ভারতীয় ক্রিকেট দল অনেক দিন ধরে খেলছে না। এমনকি পাকিস্তান কোনো টুর্নামেন্টের আয়োজক হলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কঠোর আপত্তি জানায়। সাঈদ আজমল এটার কোনো মানে খুঁজে পান না।
২ ঘণ্টা আগে