
অক্ষর প্যাটেলের খাটো লেন্থের বলটি পুল করে ওয়াইড লং অনের ওপর দিয়ে সাহিবজাদা ফারহান যখন আছড়ে ফেললেন সীমানার বাইরে, তখন গ্যালারির পাকিস্তানি-সমর্থকদের কী উচ্ছ্বাস! গ্রুপপর্বে একপেশে ম্যাচে ভারতের কাছে হেরেছে পাকিস্তান। সেই হারের দুঃস্মৃতি মুছে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে। ওই ছক্কায় ফিফটি ছুঁয়ে ব্যাটকে বন্দুক কল্পনা করে ট্রিগারে চাপ দেওয়ার যে শরীরী ভঙ্গি করলেন, সেটা ‘লড়কে লেঙ্গে জয়’-এর কথাই বলছিল!
৯.৩ ওভারে পাকিস্তানের রান তখন ৯০। হাতে ৯ উইকেট। বাকি ১০.৩ ওভার হাত খুলে খেললে ২০০ রান হওয়ারই কথা। সেটা ভেবেই হয়তো গ্যালারিতে ‘পাকিস্তান জিতেগা’ আওয়াজও শোনা গেছে। কিন্তু সে পর্যন্তই। এরপর ২২ রানের ব্যবধানে পাকিস্তানের ৩ উইকেটের পতন। তাতে রানের তোলার গতি মন্থর হয়েছে। জয়ের জন্য পাকিস্তান ভারতকে লক্ষ্য দিতে পারে ১৭২।
এই ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বে আইসিসির সহযোগী সদস্যদেশ ওমানও ১৬৭ তুলেছিল। তাই এই রান নিয়ে ফর্মে থাকা ভারতীয় দলের সামনে পাকিস্তানের তৃপ্তির ঢেকুর তোলার উপায় ছিল না। ৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে সহজে জিতে সেটা তো দেখালই ভারত।
১৭১ রানের পুঁজি নিয়েও হয়তো লড়াই করতে পারত পাকিস্তান, যদি ভারতীয় ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা দেওয়া যেত! কিন্তু বড় ধাক্কা দেবে কি, প্রথম ধাক্কাই পাকিস্তান বোলাররা দিতে পারে ৯.৫ ওভারে, শুবমান গিলকে ফিরিয়ে। ২৮ বলে ৪৭ রান করে গিল যখন ফিরে যান, তার আগেই স্কোর বোর্ডে জমা হয়ে যায় ১০৫ রান। জয়ের জন্য ৬১ বলে ভারতের দরকার ৬৭ রান। আস্কিং রানরেট—৬.৭০। ভারতের চলতি রানরেট ছিল দশের ওপরে—১০.৫০!
গিলের আউট হওয়ার পরের ওভারে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদবকে (০)। কিন্তু ওপেনিংয়ে গিলকে নিয়ে অভিষেক শর্মার ১০৫ রানের জুটি জয়ের যে ভিত গড়ে দিয়েছিল, সেটা এতই মজবুত ছিল যে, সেখান থেকে ভারতের ম্যাচ হারাটা পাকিস্তানের জয় পাওয়ার চেয়েও কঠিন ছিল!
পাকিস্তানের তৃতীয় শিকার হওয়ার আগে ৩৯ বলে ৭৪ রান করেন অভিষেক শর্মা। ২৪ বলে তাঁর ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসটিতে আছে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা। সূর্যকুমারকে ফিরিয়ে দেওয়া হারিস রউফ পরে ফিরিয়েছেন সঞ্জু স্যামসনকেও (১৩)। সেটা বল হাতে তাঁকে ম্যাচে পাকিস্তানের সফলতম বোলারে পরিণত করলেও ম্যাচ হয়েছে গ্রুপপর্বের মতোই ম্যাড়মেড়ে। ভারতীয় ইনিংসের কোনো পর্যায়েই মনে হয়নি, এই ম্যাচ জিততে পারে পাকিস্তান!
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ১৭১ রান করে পাকিস্তান। দলের এই সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন সাহিবজাদা ফারহান। ৫টি চার ও ৩টি ছয়ে ৪৫ বলে ৫৮ রান করেন তিনি।
দলীয় ২১ রানে ফখর জামান (১৫) বিদায় নেন। এরপর সায়েম আইয়ুবকে নিয়ে সাহিবজাদার ৪৯ বলে ৭২ রানের জুটি। তাঁরা যখন ব্যাট করছিলেন, তখন বড় স্কোরের স্বপ্নই দেখছিল পাকিস্তান। ১৭ বলে ২১ রান করে আইয়ুব ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি। তাঁকে অনুসরণ করেন হুসাইন তালাত (১০) ও সাহিবজাদা ফারহানকে। ২২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। তাতে স্তিমিত হয়ে পড়ে রান সংগ্রহের গতি। ১৭১ রানে শেষ হয় পাকিস্তানের ইনিংস।
বল হাতে সবচেয়ে সফল শিবম দুবে; ৩৩ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

উপহার নিয়ে খুশিতে ডগমগ তাসকিন ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভক্তদের। আগামীকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে তাসকিনরা সিরিজ জিততে পারলে ঈদের আগে বাংলাদেশের দর্শকরাই বরং পাবে বিরাট এক উপহার।
৮ মিনিট আগে
হার দিয়ে সিরিজ শুরুর পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১২৮ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারীদের করা ২৭৪ রানের জবাবে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতা থাকায় শেষ ওয়ানডে রূপ নিয়েছে অলিখিত ফাইনালে। তার আগে ধাক্কা খেলে পাকিস্তান।
৩ ঘণ্টা আগে
মুন্সিগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। আকাশি-নীলদের হয়ে জোড়া গোল করেন এমেকা ওগবুগ। ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে আছে মারুফুল হকের দল। দিনের আরেক ম্যাচে তলানিতে থাকা দুই দলের লড়াইয়ে পিডব্লিউডি এসসির বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতেছে আরামবাগ ক্
৩ ঘণ্টা আগে
সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জেরে পাকিস্তান দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হবে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
৩ ঘণ্টা আগে