Ajker Patrika

এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তির হিসাব প্রকাশের দাবি

ঢাবি প্রতিনিধি
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ৩৮
এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তির হিসাব প্রকাশের দাবি

এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও চট্টগ্রাম বন্দরের আরও দুটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়ার আগে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার লাভ-ক্ষতির হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।

আজ সোমবার সংগঠনটির সভাপতি সৈকত আরিফ ও সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনা এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরবরাহ সংকটের কারণে কোথাও কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে এ মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে।

নেতারা আরও বলেন, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা না করে এলপিজির দাম বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আগের দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজার ও জ্বালানি খাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল প্রসঙ্গে ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা বলেন, আরও দুটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়ার আগে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার বাস্তব সুফল ও ক্ষতির হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। তাঁদের দাবি, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সম্পূর্ণ সরকারি অর্থে নির্মিত ও এতে রাষ্ট্রের প্রায় ২ হাজার ৭১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। সম্প্রতি সেখানে আরও প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় ব্যবস্থাপনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনসিটিতে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, যা নির্ধারিত সক্ষমতার চেয়ে প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিদেশি অপারেটর মানেই ভালো’—এমন পূর্বনির্ধারিত অবস্থান না নিয়ে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় বন্দরের সক্ষমতা, রাজস্ব, পরিচালন ব্যয় ও শ্রমিকদের অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। নেতারা আরও বলেন, একদিকে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বোঝা জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা ও স্বচ্ছতা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। জনগণের মতামত ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের দাবি জানান তাঁরা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত