
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে যেমন ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করা ভুল হবে, তেমনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্য সকল অভ্যুত্থান আর গণ-আন্দোলনের সাথে তুলনা করার ভুল করা উচিত নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় এ রাষ্ট্রের খোলনলচে বদলে দেয়ার জন্য দ্বিতীয় আরেকটি প্রচেষ্টা। যা ব্যর্থ হয়েছে বলার মতন সময় এখনো আসেনি।
তিনি লিখেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একদফা ঘোষণায় রাষ্ট্রের সংস্কার, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ এবং নূতন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দাবি ছিল। কি হয়েছে, হয়নি সে তর্ক দূরে রেখেই বলা যায় এ রকম সামগ্রিক ফ্যাসিবাদবিরোধী রাষ্ট্রকল্প অন্য কোন অভ্যুত্থান বা আন্দোলনে উত্থাপিত হয়নি। আর, কোন গণ-অভ্যুত্থান এত বড় কল্পনা এবং বিস্তৃতি ধারণ করতে পারেনি। অবশ্যই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সকল গণতান্ত্রিক-সাংস্কৃতিক লড়াই থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়েছে।
মাহফুজ আরও লিখেছেন, ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাঙ্গালির দীর্ঘ উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের চূড়ান্ত মুহূর্ত। পূর্ব পাকিস্তান আন্দোলনের নেতা-কর্মীরাই শেষতক পাকিস্তানের উপনিবেশবাদী সামরিকতন্ত্র এবং সামন্তবাদী নাইট-নবাব-আশরাফদের পরাস্ত করেছে। ফলে, সকল ঐতিহাসিক ঘটনাকে এ জাতির চলমান লড়াই হিসাবে দেখলেই সব প্রজন্মের জন্য ভালো।
সবশেষে মাহফুজ আলম লিখেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রগঠনের লড়াইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কোন তুলনা নাই।

আগামী দিনগুলোতে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে ন্যায় ভিত্তি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সাংবিধানিক আমানত যথাযথভাবে রক্ষায় তিনি তার সর্বোচ্চ যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবেন বলে আশা রাখি...
৭ ঘণ্টা আগে
‘আমরা আশা করি, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সংবিধান ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন...
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে আলংকারিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে দলীয় বৃত্তের বাইরে থাকতে বাধ্য করে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দায়িত্ব ত্যাগ করেছেন। বিএনপির মহাসচিবের পদ থেকে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এর কারণ হলো, দেশের সর্বজনীন ঐক্যের ও সর
১২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে