গাজীপুর প্রতিনিধি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনগণের প্রশ্ন আছে, আমরা এটা শুনতে চাই না। বাংলাদেশের মানুষ এটা শুনতে চায় না। বাংলাদেশের মানুষ নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়া পাইলট সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি একথা বলেন। প্রয়াত বিএনপি নেতা হান্নান শাহ এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমাদের একমাত্র কথা দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চাই। আমরা একটি নির্বাচিত পার্লামেন্ট চাই। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেটা চাই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রফেসর ইউনুস নিঃসন্দেহে একজন ভালো মানুষ। তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। সারা পৃথিবীর নেতারা তাকে সম্মান করেন। আমরা সেই জন্যই তাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে একটা নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবেন। সেই নির্বাচনে আমরা একটা পার্লামেন্ট ও একটা নতুন সরকার পাব।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। আগেও অনেক চেষ্টা হয়েছে, এরপরে লন্ডনে একটা বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ আর ৪ মাস পর একটা নির্বাচন হবে। নির্বাচন হবে শুনে দেশের মানুষ আশ্বস্ত হয়েছে যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা একটা গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট পাবে। সরকার পাবে। জনপ্রতিনিধি পাবে।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি তো একটাই। আমরা ১৫ বছর লড়াই করেছি শুধু একটা নির্বাচনের জন্য। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৬ বছর কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। আমাদের নেতা এখন পর্যন্ত বিদেশ অবস্থান করছেন ১৮ বছর ধরে। আমাদের ৬০ লাখ নিরপরাধ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের ইলিয়াস আলীসহ ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে। এই মূল্য আমরা পরিশোধ করেছি।
স্মরণ সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা এখন আর সময় নষ্ট করবেন না। যারা বিএনপির ভালো চান, বিএনপির কে ভালোবাসেন, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের ভাই-বোনেরা মায়েরা আপনারা নেমে পড়েন, ধানের শীষে নির্বাচন করতে নেমে পড়েন। তাদেরকে পরাজিত করেন যারা বাংলাদেশকে বারবার ভুল পথে পরিচালিত করেছে। যারা বাংলাদেশের সর্বনাশ করেছে। কোনোদিনও যাতে তারা ক্ষমতায় আসতে না পারে। তার জন্য আপনারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মির্জা ফখরুল হান্নান শাহের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমার সুযোগ হয়েছিল একবার হান্নান শাহের সঙ্গে জেলে যাওয়ার। আমরা ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর হয়েছিলাম। তখন আমি দেখেছি, তার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না।
এ সময় তিনি গাজীপুর-৪ কাপাসি আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নানকে পরিচয় করিয়ে দেন। তার হাত তুলে সকলের কাছে তার জন্য ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন। এতে আরও বক্তব্য দেন হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, বিএনপি ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুলসহ অনেকে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনগণের প্রশ্ন আছে, আমরা এটা শুনতে চাই না। বাংলাদেশের মানুষ এটা শুনতে চায় না। বাংলাদেশের মানুষ নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়া পাইলট সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি একথা বলেন। প্রয়াত বিএনপি নেতা হান্নান শাহ এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমাদের একমাত্র কথা দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চাই। আমরা একটি নির্বাচিত পার্লামেন্ট চাই। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেটা চাই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রফেসর ইউনুস নিঃসন্দেহে একজন ভালো মানুষ। তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। সারা পৃথিবীর নেতারা তাকে সম্মান করেন। আমরা সেই জন্যই তাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে একটা নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবেন। সেই নির্বাচনে আমরা একটা পার্লামেন্ট ও একটা নতুন সরকার পাব।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। আগেও অনেক চেষ্টা হয়েছে, এরপরে লন্ডনে একটা বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ আর ৪ মাস পর একটা নির্বাচন হবে। নির্বাচন হবে শুনে দেশের মানুষ আশ্বস্ত হয়েছে যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা একটা গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট পাবে। সরকার পাবে। জনপ্রতিনিধি পাবে।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি তো একটাই। আমরা ১৫ বছর লড়াই করেছি শুধু একটা নির্বাচনের জন্য। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৬ বছর কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। আমাদের নেতা এখন পর্যন্ত বিদেশ অবস্থান করছেন ১৮ বছর ধরে। আমাদের ৬০ লাখ নিরপরাধ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের ইলিয়াস আলীসহ ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে। এই মূল্য আমরা পরিশোধ করেছি।
স্মরণ সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা এখন আর সময় নষ্ট করবেন না। যারা বিএনপির ভালো চান, বিএনপির কে ভালোবাসেন, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের ভাই-বোনেরা মায়েরা আপনারা নেমে পড়েন, ধানের শীষে নির্বাচন করতে নেমে পড়েন। তাদেরকে পরাজিত করেন যারা বাংলাদেশকে বারবার ভুল পথে পরিচালিত করেছে। যারা বাংলাদেশের সর্বনাশ করেছে। কোনোদিনও যাতে তারা ক্ষমতায় আসতে না পারে। তার জন্য আপনারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মির্জা ফখরুল হান্নান শাহের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমার সুযোগ হয়েছিল একবার হান্নান শাহের সঙ্গে জেলে যাওয়ার। আমরা ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর হয়েছিলাম। তখন আমি দেখেছি, তার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না।
এ সময় তিনি গাজীপুর-৪ কাপাসি আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নানকে পরিচয় করিয়ে দেন। তার হাত তুলে সকলের কাছে তার জন্য ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন। এতে আরও বক্তব্য দেন হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, বিএনপি ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুলসহ অনেকে।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১০ ঘণ্টা আগে