নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মিথ্যার বেসাতি ছাড়া বিএনপির কাছে আর কোনো কিছু নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘ওরা স্বপ্ন দেখে আবার এক/এগারোর সরকার কায়েম করবে। এক/এগারোর সরকার বাংলার একটি মানুষ জীবিত থাকতে আর কায়েম হতে দেওয়া হবে না।’
আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। যুব মহিলা লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নানক বলেন, ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন যুক্তিতে চান? আপনাদের নেতা, আপনাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল নিরপেক্ষ বলতে কেউ নেই। পাগল আর শিশু হলো নিরপেক্ষ। আপনারা যে নিরপেক্ষ সরকার চান, তাহলে আপনাদের ম্যাডামের ভাষায় মির্জা ফখরুল আপনারা হয় শিশু, নয় পাগল। আসলে ওরা (বিএনপি) দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। ওরা বাংলাদেশের অকল্পনীয় উন্নয়ন মেনে নিতে পারছে না।’
নানক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমরা শত্রু-মিত্রের তালিকা করতে পারি নাই বলে শত্রু সেদিন ঘাপটি মেরে বসে ছিল। আমরা মোশতাক-জিয়াদের তালিকা করে কবর রচনা করতে পারি নাই বলেই সেদিন মোশতাক-জিয়ারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। আজকের বাংলাদেশে পাকিস্তানের সেই প্রেতাত্মারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তারা আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করছে।
আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে যুব মহিলা লীগের ওপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মেয়েদের ওপর অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘সে কথা কি ভুলে গেছেন মির্জা ফখরুল সাহেব? মেয়েদের ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছেন, আমাদের মেয়েদের বিবস্ত্র করা হয়েছে আপনাদের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। আর আজকে আন্দোলন করেন, সমাবেশ করেন, মহাসমাবেশ করেন, তার পরও বলেন গণতন্ত্র নাই! কথা বলার অধিকার নাই! কী অধিকার আর চান? আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে মির্জা ফখরুল সাহেব তার ফল শুভ বয়ে আনবে না আপনাদের জন্য। কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ এই বাঙালি জাতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবেই। আমরা কোনো বাধা মানব না।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘জাতির পিতার সেই প্রদর্শিত পথেই আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা বঙ্গবন্ধুকন্যাও বারবার বলেন। আমাদেরও যেকোনো দুর্নীতিবাজ হোক; সেটা বিএনপি-জামায়াতের দুর্নীতিবাজ হোক, যে পর্যায়ের দুর্নীতিবাজই হোক, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। একটি স্মার্ট বাংলাদেশ পেতে হলে, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ পেতে হলে সব দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই করতে হবে।’
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো রাজনীতি নেই। দুর্নীতিবাজদের কোনো আদর্শ নেই। তাদের কোনো পরিচয় নেই। দুর্নীতিবাজদের কোনো রূপ নেই। দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা করতে হবে।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি আলেয়া সারোয়ার ডেইজির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি।

মিথ্যার বেসাতি ছাড়া বিএনপির কাছে আর কোনো কিছু নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘ওরা স্বপ্ন দেখে আবার এক/এগারোর সরকার কায়েম করবে। এক/এগারোর সরকার বাংলার একটি মানুষ জীবিত থাকতে আর কায়েম হতে দেওয়া হবে না।’
আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। যুব মহিলা লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নানক বলেন, ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন যুক্তিতে চান? আপনাদের নেতা, আপনাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল নিরপেক্ষ বলতে কেউ নেই। পাগল আর শিশু হলো নিরপেক্ষ। আপনারা যে নিরপেক্ষ সরকার চান, তাহলে আপনাদের ম্যাডামের ভাষায় মির্জা ফখরুল আপনারা হয় শিশু, নয় পাগল। আসলে ওরা (বিএনপি) দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। ওরা বাংলাদেশের অকল্পনীয় উন্নয়ন মেনে নিতে পারছে না।’
নানক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমরা শত্রু-মিত্রের তালিকা করতে পারি নাই বলে শত্রু সেদিন ঘাপটি মেরে বসে ছিল। আমরা মোশতাক-জিয়াদের তালিকা করে কবর রচনা করতে পারি নাই বলেই সেদিন মোশতাক-জিয়ারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। আজকের বাংলাদেশে পাকিস্তানের সেই প্রেতাত্মারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তারা আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করছে।
আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে যুব মহিলা লীগের ওপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মেয়েদের ওপর অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘সে কথা কি ভুলে গেছেন মির্জা ফখরুল সাহেব? মেয়েদের ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছেন, আমাদের মেয়েদের বিবস্ত্র করা হয়েছে আপনাদের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। আর আজকে আন্দোলন করেন, সমাবেশ করেন, মহাসমাবেশ করেন, তার পরও বলেন গণতন্ত্র নাই! কথা বলার অধিকার নাই! কী অধিকার আর চান? আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে মির্জা ফখরুল সাহেব তার ফল শুভ বয়ে আনবে না আপনাদের জন্য। কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ এই বাঙালি জাতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবেই। আমরা কোনো বাধা মানব না।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘জাতির পিতার সেই প্রদর্শিত পথেই আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা বঙ্গবন্ধুকন্যাও বারবার বলেন। আমাদেরও যেকোনো দুর্নীতিবাজ হোক; সেটা বিএনপি-জামায়াতের দুর্নীতিবাজ হোক, যে পর্যায়ের দুর্নীতিবাজই হোক, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। একটি স্মার্ট বাংলাদেশ পেতে হলে, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ পেতে হলে সব দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই করতে হবে।’
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো রাজনীতি নেই। দুর্নীতিবাজদের কোনো আদর্শ নেই। তাদের কোনো পরিচয় নেই। দুর্নীতিবাজদের কোনো রূপ নেই। দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা করতে হবে।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি আলেয়া সারোয়ার ডেইজির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে