নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের প্রবীণ আইনজীবী কামাল হোসেন কালো টাকা সাদা করেছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যায়, তখন জন ভিত্তিহীন কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র শুরু করে। ড. কামাল হোসেন সাহেবের মতো মানুষ, বার্গম্যানদের মতো মানুষ, তারেক রহমানদের মতো মানুষ জনসমর্থন হারিয়ে এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। যখন বড় বড় কথা বলেন, তখন তারা ভুলে যান; এই কামাল হোসেন সাহেবও কালো টাকা সাদা করেছেন।’
আজ মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে জরুরি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পঁচাত্তর পরবর্তী কামাল হোসেনের ভূমিকার সমালোচনা করে জাহাঙ্গীর কবির বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের ওপর দাঁড়ান খুনি মোশতাক–জিয়ার সরকারে এই কামাল হোসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি একটি নিন্দাও জানাননি, এমনকি ওই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেখানোর মতো সৎসাহস দেখাননি।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম। উপস্থিত ছিলেন–সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও শাহাবুদ্দিন ফরাজি।

দেশের প্রবীণ আইনজীবী কামাল হোসেন কালো টাকা সাদা করেছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যায়, তখন জন ভিত্তিহীন কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র শুরু করে। ড. কামাল হোসেন সাহেবের মতো মানুষ, বার্গম্যানদের মতো মানুষ, তারেক রহমানদের মতো মানুষ জনসমর্থন হারিয়ে এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। যখন বড় বড় কথা বলেন, তখন তারা ভুলে যান; এই কামাল হোসেন সাহেবও কালো টাকা সাদা করেছেন।’
আজ মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে জরুরি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পঁচাত্তর পরবর্তী কামাল হোসেনের ভূমিকার সমালোচনা করে জাহাঙ্গীর কবির বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের ওপর দাঁড়ান খুনি মোশতাক–জিয়ার সরকারে এই কামাল হোসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি একটি নিন্দাও জানাননি, এমনকি ওই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেখানোর মতো সৎসাহস দেখাননি।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম। উপস্থিত ছিলেন–সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও শাহাবুদ্দিন ফরাজি।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
১০ ঘণ্টা আগে