
নির্বাচনে জয়ী হলে নারীদের জন্য বিশেষ পরিবহন ও স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেছেন, ‘নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিবহন সার্ভিস চালু করা হবে, গণপরিবহনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া নারীদের জন্য বিভিন্ন জায়গায় স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’
আজ বুধবার রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখার এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নারীদের জন্য পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, নারীদের অধিকার রক্ষায় ঘর ও কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করা হবে। নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি নারীর মৌলিক অধিকার। নারীরা নিরাপদ ও সম্মানিত না হলে দেশের সার্বিক অগ্রগতি কখনোই সম্ভব নয়।
আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, এত দিন যে সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে দেশ পরিচালিত হয়েছে, তা পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। তাই মৌলিক সংস্কারের ভিত্তিতে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’-কে বিজয়ী করতে হবে। এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নির্বাচন নয়; এটি ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন। একই সঙ্গে এটি দেশের মানুষের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচন।

সরকার আরও ভালো আইন আনার কথা বলে এখন ‘উল্টো পথে’ পা বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, সরকার আরও ভালো আইন আনার কথা বলে মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের আগের অধ্যাদেশগুলো বাতিল করেছে।
২১ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির নবনিযুক্ত সদস্য কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহউল্লাহ। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির নেতৃত্ব, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো থাকলেও গত ছয় মাসে এগুলোর কোনো একটিরও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি...
২ ঘণ্টা আগে
‘ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হলে বসতভিটা, তিন ফসলি উর্বর জমি, পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস হবে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। কোনো যুক্তিতেই এ ধরনের কয়লা উত্তোলনকে লাভজনক বা জনস্বার্থসম্মত বলা যায় না।’
২ ঘণ্টা আগে