আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত দুই দিন হলো হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর ফুসফুসে পানি জমেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি এখন ৩১২ নম্বর কেবিনে আছেন বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
এ বিষয়ে সেতু বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ জানিয়েছেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর রুটিন চেকআপের জন্য। করোনার বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর তাঁর শরীরে সামান্য জ্বর আসে। এ অবস্থায় তাঁকে আজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তাঁর রুটিন চেকআপ চলছে।
এদিকে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মৃদু শারীরিক অসুস্থতার কারণে এবং নিয়মিত কিছু চেকআপের জন্য রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ সকালে ভর্তি হয়েছেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা এবং হাসপাতালে গিয়ে অহেতুক ভিড় না করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব ধরনের দর্শনার্থীদের হাসপাতালে না যাওয়ার জন্য জোর পরামর্শ দিয়েছে।

সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এস. এম. শাহরিয়ারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড তো দূরের কথা, একটি বালুকণার ওপরও কাউকে পা রাখতে দেওয়া হবে না।
১ দিন আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে নতুন ধারা তৈরির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেশের প্রধান দুই দল যেন পুরোনো চর্চা থেকে বেরই হতে পারছে না। এখনো তারা পরস্পরের সমালোচনা বা আক্রমণের প্রয়োজন হলেই টেনে আনছে অতীত।
২ দিন আগে
ইনু তথ্যমন্ত্রী থাকার সময় হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে দিগন্ত টেলিভিশন এবং ইসলামিক টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা হয়। ওই রাতে ইসলামিক টেলিভিশনের অফিসে ভাঙচুরও করা হয়।
২ দিন আগে